ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিএনপির শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে যেভাবে চলেছে ভোট চুরির মহোৎসব
টিসিবির ট্রাকের পিছে ছুটছে বাংলাদেশ
ক্ষমতার দাপটে মানবিকতাও আজ বন্দি – মনে রেখো বাংলাদেশ, মিথ্যা মামলাই এই সরকারের রাজনীতি
জামাত-বিএনপির দ্বন্দ্বে মসজিদে তালা, বাইরেই নামজ পড়লো মুসল্লিরা
ক্সবাজারের রামু মায়ের পর এবার বাবাকেও হারালেন কারাবন্দী সেই দুই ভাই
৫ আগস্টের সহিংস অভ্যুত্থানে ‘ক্যাপ্টাগন’ ব্যবহারের অভিযোগ: তদন্তের দাবি জোরালো
টানা ১৮ মাস ধরে তালাবদ্ধ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অবিচল ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন কার্যালয়
চন্দ্রনাথ ধামে প্রকাশ্যে গরু জবাই: সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার নতুন মাত্রা?
সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ ধাম—হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম পবিত্র তীর্থস্থান—এর পাদদেশে গত শনিবার গরু জবাই এবং রাজনৈতিক ভোজের আয়োজনকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্য সাম্প্রদায়িক উসকানির অভিযোগ উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে।
স্থানীয়রা বলছেন, এটি কোনো ধর্মীয় আয়োজন নয়, বরং পরিকল্পিতভাবে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও আধিপত্যের রাজনীতি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা। ঘটনাস্থলটি চন্দ্রনাথ ধামের ব্রিজ নং–২ সংলগ্ন এলাকা।
স্থানীয় সূত্র জানায়, অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপজেলা জামায়াত আমির মাওলানা তাওহিদুল হক চৌধুরী, চট্টগ্রাম–৪ (সীতাকুণ্ড) আসনের এমপি প্রার্থী আনোয়ার সিদ্দিকী, উপজেলা জামায়াত আমির মাওলানা মিজানুর রহমান, সেক্রেটারি মো. আবু তাহেরসহ শত শত জামায়াত নেতা ও কর্মী। ব্যাপক জনসমাগম এবং রাজনৈতিক উপস্থিতির কারণে এটি নিছক ব্যক্তিগত বা ধর্মীয় আয়োজন হিসেবে দেখার সুযোগ
রাখে না। প্রতিবেদন অনুযায়ী, কয়েক শত হিন্দু ভোটারকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হলেও পবিত্র তীর্থস্থানের এত কাছে গরু জবাইয়ের দৃশ্য দেখে অনেকে মানসিকভাবে আহত ও অপমানিত বোধ করেছেন। বর্তমানে তারা প্রকাশ্যে প্রতিবাদ জানাতে নিরাপত্তাহীনতা অনুভব করছেন। চন্দ্রনাথ ধাম কেবল একটি উপাসনালয় নয়, এটি ধর্মীয় বিশ্বাস, ইতিহাস ও আবেগের কেন্দ্র। সচেতন মহল মনে করছেন, এমন সংবেদনশীল স্থানে এ ধরনের আয়োজন সামাজিক সম্প্রীতি নয়, বরং স্পষ্ট সাম্প্রদায়িক উসকানির বার্তা বহন করে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা, হত্যা ও মন্দির ভাঙচুরের ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, চন্দ্রনাথ ধামের ঘটনা সেই ধারাবাহিকতার অংশ। রাষ্ট্রযন্ত্রের নীরবতা এবং জামায়াত-সমর্থিত সরকারের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ
প্রশ্রয়ের ফলে উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলো এমন দুঃসাহস দেখাচ্ছে। প্রশ্ন এখন আরও তীব্র—পবিত্র তীর্থস্থানকে সাম্প্রদায়িক শক্তি প্রদর্শনের মঞ্চ বানানোর এই রাজনীতি কি অব্যাহত থাকবে, নাকি রাষ্ট্র অবশেষে নীরবতা ভেঙে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা নেবে?
রাখে না। প্রতিবেদন অনুযায়ী, কয়েক শত হিন্দু ভোটারকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হলেও পবিত্র তীর্থস্থানের এত কাছে গরু জবাইয়ের দৃশ্য দেখে অনেকে মানসিকভাবে আহত ও অপমানিত বোধ করেছেন। বর্তমানে তারা প্রকাশ্যে প্রতিবাদ জানাতে নিরাপত্তাহীনতা অনুভব করছেন। চন্দ্রনাথ ধাম কেবল একটি উপাসনালয় নয়, এটি ধর্মীয় বিশ্বাস, ইতিহাস ও আবেগের কেন্দ্র। সচেতন মহল মনে করছেন, এমন সংবেদনশীল স্থানে এ ধরনের আয়োজন সামাজিক সম্প্রীতি নয়, বরং স্পষ্ট সাম্প্রদায়িক উসকানির বার্তা বহন করে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা, হত্যা ও মন্দির ভাঙচুরের ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, চন্দ্রনাথ ধামের ঘটনা সেই ধারাবাহিকতার অংশ। রাষ্ট্রযন্ত্রের নীরবতা এবং জামায়াত-সমর্থিত সরকারের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ
প্রশ্রয়ের ফলে উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলো এমন দুঃসাহস দেখাচ্ছে। প্রশ্ন এখন আরও তীব্র—পবিত্র তীর্থস্থানকে সাম্প্রদায়িক শক্তি প্রদর্শনের মঞ্চ বানানোর এই রাজনীতি কি অব্যাহত থাকবে, নাকি রাষ্ট্র অবশেষে নীরবতা ভেঙে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা নেবে?



