ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গোপালগঞ্জ-৩ আসনে নির্বাচনী প্রচারণা ঘিরে আতঙ্ক, সন্ত্রাসী ও জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ
শেখ হাসিনাকেই চাই, মরতেও রাজি
আওয়ামী লীগ আমলেই ভালো ছিলাম”: চাল ও গ্যাসের আকাশচুম্বী দামে সাধারণ মানুষের আক্ষেপ
১৬ বছরের উন্নয়ন আগামী ৫০ বছরেও কেউ করতে পারবে না: সাধারণ নাগরিকের অভিমত
গ্যাসের দাম বাড়িয়ে ৫০ হাজার কোটি টাকা লোপাট
খুনখারাপির বাংলাদেশ, জঙ্গিদের বাংলাদেশ, অবৈধ শাসনের বাংলাদেশ
বস্তিবাসীর মানসিক রোগে চিকিৎসা গ্রহণের হার বেড়েছে ৫ গুণ
গোপালগঞ্জ-৩ আসনে নির্বাচনী প্রচারণা ঘিরে আতঙ্ক, সন্ত্রাসী ও জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:গোপালগঞ্জ-৩ নির্বাচনী এলাকা (কোটালীপাড়া–টুঙ্গিপাড়া) জুড়ে নির্বাচনী প্রচারণা ঘিরে উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিএনপির প্রার্থী ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এস এম গোলাম জিলানীর নির্বাচনী প্রচারণায় সন্ত্রাসী ও জঙ্গি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
অভিযোগ রয়েছে, ঢাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী পিচ্চি হান্নানের সহযোগীরা এবং নিষিদ্ধ সংগঠন হরকাতুল জিহাদের শীর্ষ নেতা হিসেবে পরিচিত জঙ্গি মুন্সী হান্নানের ভাই মুন্সী ইকবাল নির্বাচনী প্রচারণায় প্রকাশ্যে অংশ নিচ্ছেন। প্রশাসনের উপস্থিতিতেই এসব ব্যক্তির আনাগোনা দেখা গেছে বলে স্থানীয়রা দাবি করছেন।
একদিকে সন্ত্রাসী ও জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ থাকা ব্যক্তিদের নিয়ে প্রচারণা, অন্যদিকে প্রার্থীর বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরে জনসংযোগ—এই বৈপরীত্য সাধারণ ভোটারদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, এতে স্বাভাবিক নির্বাচনী পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষ ভোটকেন্দ্রে যাওয়া নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, প্রচারণার সময় বহিরাগতদের উপস্থিতি এবং প্রভাবশালী সন্ত্রাসী চক্রের আনাগোনায় এলাকায় ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তারা আশঙ্কা করছেন, এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে ভোটের দিন সহিংসতার ঝুঁকি বাড়তে পারে। এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়দের দাবি, অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত, কঠোর নজরদারি এবং নির্বাচনী আচরণবিধির কঠোর প্রয়োগ না হলে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজন কঠিন হয়ে পড়বে। এলাকাবাসী অবাধ, নিরপেক্ষ ও ভয়মুক্ত পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, এতে স্বাভাবিক নির্বাচনী পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষ ভোটকেন্দ্রে যাওয়া নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, প্রচারণার সময় বহিরাগতদের উপস্থিতি এবং প্রভাবশালী সন্ত্রাসী চক্রের আনাগোনায় এলাকায় ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তারা আশঙ্কা করছেন, এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে ভোটের দিন সহিংসতার ঝুঁকি বাড়তে পারে। এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়দের দাবি, অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত, কঠোর নজরদারি এবং নির্বাচনী আচরণবিধির কঠোর প্রয়োগ না হলে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজন কঠিন হয়ে পড়বে। এলাকাবাসী অবাধ, নিরপেক্ষ ও ভয়মুক্ত পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।



