ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের ভাঙচুর ও নাশকতার দায় স্বীকার ছাত্রদলের
সারাদেশে আওয়ামী লীগের পার্টি অফিস গুঁড়িয়ে দিয়েছিলাম, ছাত্রদল সভাপতি রাকিবের স্বীকারোক্তি
জুলাই সিডিআই বলায় শাওনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ, নাম আছে মাহিরও
তারেক রহমান: বিচারের নামে কারো প্রতি যেন ‘অবিচার’ করা না হয়
জুলাই চেতনা নিয়ে ব্যবসা, যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ভোটার হওয়ার সময় বাড়ল
‘বিবেক কাজ করেনি’, এইচএসসি পরীক্ষা চলাকালে বিদ্যালয়ে মদ্যপান-মাতলামির পর প্রধান শিক্ষকের ভাষ্য
গোপন বৈঠক, অতঃপর প্যারিস সফর: তারেক-ইউনূস ও মার্কিন রাষ্ট্রদূতের রহস্যময় নৈশ আলোচনা
গত ২৬শে মে রাতে ঢাকার গুলশানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের বাসভবনে এক অনির্ধারিত ও গোপন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও সাবেক প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে। তারেক রহমান নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি ছাড়াই বৈঠকে যান বলে সূত্র জানিয়েছে। বৈঠকের পরদিন ভোরেই ইউনূস টার্কিশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে প্যারিসের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন। এই ঘটনাক্রম রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনার জন্ম দিয়েছে।
সূত্র জানায়, বৈঠকটি কোনো আনুষ্ঠানিক সূচিতে ছিল না এবং উভয় পক্ষের জ্যেষ্ঠ সহকারীদের অনুপস্থিতিতে অত্যন্ত গোপনীয়ভাবে পরিচালিত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বা ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস — কেউই এখন পর্যন্ত এই বৈঠকের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেনি। তবে ঘটনা
সম্পর্কে অবহিত একাধিক সূত্র জানিয়েছে, আলোচনায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ভারতসহ গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক পক্ষগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের বিষয়গুলো প্রাধান্য পেয়েছে। বৈঠকের পরদিন ভোরে ইউনূসের আকস্মিক প্যারিস সফর এই ঘটনাক্রমকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে। সরকারি সূত্র জানিয়েছে, ইউনূসের এই সফর মূলত ২৬শে মের বৈঠকে উত্থাপিত বিষয়গুলোর ধারাবাহিকতায় আয়োজিত। প্যারিসে তিনি একাধিক অ-বাংলাদেশি কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করেছেন বলেও জানা গেছে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ই আগস্টের পর ইউনূস এই প্যারিস থেকেই ঢাকায় এসে অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সাবেক শিক্ষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক বিডি ডাইজেস্টকে বলেন, “ঘটনার ধারাবাহিকতা দেখে মনে হচ্ছে প্যারিস সফর শেষ মুহূর্তের
পরিকল্পনা নয়। এটি ২৬শে মের বৈঠকে আলোচিত একটি বৃহত্তর কৌশলের অংশ।” তার মতে, এই সফরের সময় ও ধরন ইঙ্গিত করছে যে ঢাকা ও তার পশ্চিমা অংশীদারদের মধ্যে একটি সমন্বিত কূটনৈতিক প্রক্রিয়া চলছে। তবে সরকারি সূত্রগুলো বলছে, এই গোপন আলোচনা রাষ্ট্রীয় বিষয়ে ইউনূসের ভবিষ্যৎ ভূমিকার পূর্বাভাস হতে পারে। বিরোধী দলের নেতারা এই গোপন বৈঠক ও ইউনূসের বিদেশ সফর নিয়ে সরকারের কাছে স্বচ্ছতার দাবি জানিয়েছেন। তারা বলছেন, জাতীয় গুরুত্বের বিষয়গুলো জনগণের কাছে প্রকাশ করা উচিত। নিরাপত্তা বাহিনী ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর এই গোপন বৈঠকে যোগ দেওয়া প্রোটোকলের গুরুতর লঙ্ঘন বলেও তারা মন্তব্য করেছেন। কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে মুখ খোলেনি। বৈঠকের বিষয়বস্তু, ইউনূসের প্যারিস মিশনের পূর্ণ তাৎপর্য এবং
এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে কী পরিবর্তন আসতে পারে — এই প্রশ্নগুলোর উত্তর এখনও অজানা। কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এই গোপনীয়তা নিজেই একটি বার্তা বহন করছে।
সম্পর্কে অবহিত একাধিক সূত্র জানিয়েছে, আলোচনায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ভারতসহ গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক পক্ষগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের বিষয়গুলো প্রাধান্য পেয়েছে। বৈঠকের পরদিন ভোরে ইউনূসের আকস্মিক প্যারিস সফর এই ঘটনাক্রমকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে। সরকারি সূত্র জানিয়েছে, ইউনূসের এই সফর মূলত ২৬শে মের বৈঠকে উত্থাপিত বিষয়গুলোর ধারাবাহিকতায় আয়োজিত। প্যারিসে তিনি একাধিক অ-বাংলাদেশি কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করেছেন বলেও জানা গেছে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ই আগস্টের পর ইউনূস এই প্যারিস থেকেই ঢাকায় এসে অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সাবেক শিক্ষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক বিডি ডাইজেস্টকে বলেন, “ঘটনার ধারাবাহিকতা দেখে মনে হচ্ছে প্যারিস সফর শেষ মুহূর্তের
পরিকল্পনা নয়। এটি ২৬শে মের বৈঠকে আলোচিত একটি বৃহত্তর কৌশলের অংশ।” তার মতে, এই সফরের সময় ও ধরন ইঙ্গিত করছে যে ঢাকা ও তার পশ্চিমা অংশীদারদের মধ্যে একটি সমন্বিত কূটনৈতিক প্রক্রিয়া চলছে। তবে সরকারি সূত্রগুলো বলছে, এই গোপন আলোচনা রাষ্ট্রীয় বিষয়ে ইউনূসের ভবিষ্যৎ ভূমিকার পূর্বাভাস হতে পারে। বিরোধী দলের নেতারা এই গোপন বৈঠক ও ইউনূসের বিদেশ সফর নিয়ে সরকারের কাছে স্বচ্ছতার দাবি জানিয়েছেন। তারা বলছেন, জাতীয় গুরুত্বের বিষয়গুলো জনগণের কাছে প্রকাশ করা উচিত। নিরাপত্তা বাহিনী ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর এই গোপন বৈঠকে যোগ দেওয়া প্রোটোকলের গুরুতর লঙ্ঘন বলেও তারা মন্তব্য করেছেন। কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে মুখ খোলেনি। বৈঠকের বিষয়বস্তু, ইউনূসের প্যারিস মিশনের পূর্ণ তাৎপর্য এবং
এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে কী পরিবর্তন আসতে পারে — এই প্রশ্নগুলোর উত্তর এখনও অজানা। কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এই গোপনীয়তা নিজেই একটি বার্তা বহন করছে।



