ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা নির্ধারণ করে সংসদে বিল পাশ
২ ডিআইজিসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি
তৃতীয় দফায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী রিমান্ডে
বকেয়া বেতনের দাবিতে নাসা গ্রুপের পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ
পররাষ্ট্রমন্ত্রী: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের গোপন চুক্তি নেই, তবে কিছু বিষয় এখনই প্রকাশ করা যাচ্ছে না
কোটি টাকা আত্মসাত, ঢাবির জুলাইযোদ্ধা ছাত্রদল নেতা অর্ণবকে বহিষ্কার
এক-এগারো সরকারের সঙ্গে ইউনূস সরকারের যোগসূত্র
গুরুতর অসুস্থ মানবাধিকার কর্মী শাহরিয়ার কবিরের মুক্তির জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে বৈশ্বিক নাগরিক সমাজের জরুরি আহ্বান
ইউরোপ ও বৈশ্বিক নাগরিক সমাজ সংগঠনসমূহ বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে ৭৫ বছর বয়স্ক সাংবাদিক, লেখক, মুক্তিযোদ্ধা এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মানবাধিকার কর্মী গুরুতর অসুস্থ শাহরিয়ার কবির-এর অবিলম্বে মক্তির জন্য জরুরি আহ্বান জানিয়েছে।
তার তার তাৎক্ষণিক মুক্তি ও চিকিৎসা সুরক্ষা নিশ্চিত করার আবেদন জানিয়েছে। রাষ্ট্রীয় হেফাজতে থাকা অবস্থায় তার স্বাস্হ্যের চরম অবনতি ও সংকটাপন্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে।
হুইলচেয়ার ব্যবহারকারী এবং একাধিক দীর্ঘমেয়াদি রোগে ভুগতে থাকা শাহরিয়ার কবির গ্রেপ্তারের পর থেকে দ্রুত স্বাস্থ্য অবনতি ঘটেছে। আশঙ্কাজনক ভাবে তার ওজন হ্রাস পেয়েছে ও দাঁড়িয়ে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে। বারবার আবেদন সত্ত্বেও তিনি প্রয়োজনীয় ওষুধ ও যথোপযুক্ত চিকিৎসা পাচ্ছেন না। ঢাকা
কেন্দ্রীয় কারাগার কেরানীগঞ্জে স্থানান্তরিত হওয়ার পরও তার চিকিৎসা পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। এই অমানবিক বিষয়গুলি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাসমূহের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো ইতোমধ্যেই এই বিষয়ে সতর্ক সংকেত দিয়েছে। লেমকিন ইন্সটিটিউট ফর জেনোসাইড প্রিভেনশন (Lemkin Institute for Genocide Prevention and Human Security) গত ৫ জানুয়ারি ২০২৬ তার আটককে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক আইনি বাধ্যবাধকতার গুরুতর লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে। এর আগে জাতিসংঘের ইচ্ছাকৃত আটক সংক্রান্ত ওয়ার্কিং গ্রুপ তাদের Opinion No. 40/2025–এ শাহরিয়ার কবিরের আটককে ইচ্ছাকৃত, অবৈধ এবং দণ্ডমূলক বলে ঘোষণা করে; এবং তার তাৎক্ষণিক মুক্তি, ক্ষতিপূরণ ও স্বাধীন তদন্তের আহ্বান জানায়। পূর্ববর্তী সরকার এসব সুপারিশ বাস্তবায়ন করেনি। সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো এই
কারণে বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন। কারণ অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সাবেক মন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুনের হেফাজতে মৃত্যু এবং একই সময়ে একশ’–এর বেশি বন্দীর মৃত্যুর রিপোর্ট পাওয়া গেছে। “শাহরিয়ার কবিরের জীবনের ঝুঁকি এখন স্পষ্ট ও আসন্ন”। এই বিবৃতিটিতে এমন সতর্কতার আহ্বান জানাচ্ছে বেলজিয়ামের সাউথ এশিয়া ডেমোক্রেটিক ফোরাম, ইউরোপিয়ান বাংলাদেশ ফোরাম (ইইউ ও যুক্তরাজ্য), জার্মানির ওয়ার্কিং গ্রুপ বাংলাদেশ, আর্থ সিভিলাইজেশন নেটওয়ার্ক এবং গ্লোবাল প্ল্যাটফর্ম ফ্রিডম অ্যান্ড জাস্টিস অ্যালায়েন্সসহ যৌথ জোট বাংলাদেশ সরকারকে নিম্নোক্ত তিনটি দাবিতে আহ্বান জানিয়েছে: ১. শাহরিয়ার কবিরসহ সব প্রবীণ ও ঝুঁকিপূর্ণ বন্দীর তাৎক্ষণিক মুক্তি ২. জরুরি ও যথাযথ চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা ৩. দেশের সব কারাগারে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও
মানবিক মানদণ্ড মেনে চলা “শাহরিয়ার কবিরের জীবন রক্ষা কেবল ন্যায়বিচারের প্রশ্ন নয়—এটি আমাদের যৌথ মানবতার মাপকাঠিও বটে,”—বলে মন্তব্য করেছে সংস্থাগুলো। “তার সুরক্ষা ও মুক্তি বাংলাদেশের ১৯৭১–এর চেতনা ও আইনের শাসনের প্রতি অঙ্গীকারকে পুনর্ব্যক্ত করবে।” ইউরোপ ও বৈশ্বিক নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে এই যৌথ আবেদন নেতৃত্ব দেন পাওলো কাসাকা, ইউরোপীয় সংসদের সাবেক সদস্য ও সাউথ এশিয়া ডেমোক্রেটিক ফোরামের নির্বাহী পরিচালক; ক্রিস ব্ল্যাকবার্ন, ইউরোপিয়ান বাংলাদেশ ফোরাম (ইইউ ও যুক্তরাজ্য); ক্লাউস স্ট্রেম্পেল, ওয়ার্কিং গ্রুপ বাংলাদেশ ইন জার্মানি; তারিক গুনেরসেল, আর্থ সিভিলাইজেশন নেটওয়ার্ক (গ্লোবাল নেটওয়ার্ক); এবং প্রফেসর এ বি এম নাসির, ফ্রিডম অ্যান্ড জাস্টিস অ্যালায়েন্স (গ্লোবাল প্ল্যাটফর্ম)।
কেন্দ্রীয় কারাগার কেরানীগঞ্জে স্থানান্তরিত হওয়ার পরও তার চিকিৎসা পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। এই অমানবিক বিষয়গুলি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাসমূহের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো ইতোমধ্যেই এই বিষয়ে সতর্ক সংকেত দিয়েছে। লেমকিন ইন্সটিটিউট ফর জেনোসাইড প্রিভেনশন (Lemkin Institute for Genocide Prevention and Human Security) গত ৫ জানুয়ারি ২০২৬ তার আটককে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক আইনি বাধ্যবাধকতার গুরুতর লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে। এর আগে জাতিসংঘের ইচ্ছাকৃত আটক সংক্রান্ত ওয়ার্কিং গ্রুপ তাদের Opinion No. 40/2025–এ শাহরিয়ার কবিরের আটককে ইচ্ছাকৃত, অবৈধ এবং দণ্ডমূলক বলে ঘোষণা করে; এবং তার তাৎক্ষণিক মুক্তি, ক্ষতিপূরণ ও স্বাধীন তদন্তের আহ্বান জানায়। পূর্ববর্তী সরকার এসব সুপারিশ বাস্তবায়ন করেনি। সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো এই
কারণে বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন। কারণ অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সাবেক মন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুনের হেফাজতে মৃত্যু এবং একই সময়ে একশ’–এর বেশি বন্দীর মৃত্যুর রিপোর্ট পাওয়া গেছে। “শাহরিয়ার কবিরের জীবনের ঝুঁকি এখন স্পষ্ট ও আসন্ন”। এই বিবৃতিটিতে এমন সতর্কতার আহ্বান জানাচ্ছে বেলজিয়ামের সাউথ এশিয়া ডেমোক্রেটিক ফোরাম, ইউরোপিয়ান বাংলাদেশ ফোরাম (ইইউ ও যুক্তরাজ্য), জার্মানির ওয়ার্কিং গ্রুপ বাংলাদেশ, আর্থ সিভিলাইজেশন নেটওয়ার্ক এবং গ্লোবাল প্ল্যাটফর্ম ফ্রিডম অ্যান্ড জাস্টিস অ্যালায়েন্সসহ যৌথ জোট বাংলাদেশ সরকারকে নিম্নোক্ত তিনটি দাবিতে আহ্বান জানিয়েছে: ১. শাহরিয়ার কবিরসহ সব প্রবীণ ও ঝুঁকিপূর্ণ বন্দীর তাৎক্ষণিক মুক্তি ২. জরুরি ও যথাযথ চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা ৩. দেশের সব কারাগারে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও
মানবিক মানদণ্ড মেনে চলা “শাহরিয়ার কবিরের জীবন রক্ষা কেবল ন্যায়বিচারের প্রশ্ন নয়—এটি আমাদের যৌথ মানবতার মাপকাঠিও বটে,”—বলে মন্তব্য করেছে সংস্থাগুলো। “তার সুরক্ষা ও মুক্তি বাংলাদেশের ১৯৭১–এর চেতনা ও আইনের শাসনের প্রতি অঙ্গীকারকে পুনর্ব্যক্ত করবে।” ইউরোপ ও বৈশ্বিক নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে এই যৌথ আবেদন নেতৃত্ব দেন পাওলো কাসাকা, ইউরোপীয় সংসদের সাবেক সদস্য ও সাউথ এশিয়া ডেমোক্রেটিক ফোরামের নির্বাহী পরিচালক; ক্রিস ব্ল্যাকবার্ন, ইউরোপিয়ান বাংলাদেশ ফোরাম (ইইউ ও যুক্তরাজ্য); ক্লাউস স্ট্রেম্পেল, ওয়ার্কিং গ্রুপ বাংলাদেশ ইন জার্মানি; তারিক গুনেরসেল, আর্থ সিভিলাইজেশন নেটওয়ার্ক (গ্লোবাল নেটওয়ার্ক); এবং প্রফেসর এ বি এম নাসির, ফ্রিডম অ্যান্ড জাস্টিস অ্যালায়েন্স (গ্লোবাল প্ল্যাটফর্ম)।



