ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মমতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাওয়া সায়নী ঘোষ এবার বিদ্রোহী শিবিরে
ট্রাম্পের মুখে ইরানের সঙ্গে চুক্তির আভাস, কমল তেলের দাম
ইরানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির আভাস মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের
ইসরাইলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করতে সহায়তা করে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বদলে গেল মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা সমীকরণ, কীভাবে?
বিশ্লেষণ।। বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র ট্রেড ডিল: কার স্বার্থে, কার বিনিময়ে?
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অভিযান স্থগিতের ঘোষণা ইরানের
গাজা যুদ্ধ বন্ধে ইসরায়েলে রাস্তায় নেমেছে হাজার হাজার মানুষ
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আসন্ন বৈঠকের আগে তেল আবিবে হাজারো মানুষ গাজায় যুদ্ধ বন্ধ করে বন্দিদের মুক্তির চুক্তি করার দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ করেছেন। খবর এএফপির।
বিক্ষোভকারীরা হোস্টেজ স্কয়ারে জমায়েত হয়ে বড় ব্যানার দেখান, যেখানে লেখা ছিল— ‘সব জিম্মিকে এখনই ঘরে ফিরিয়ে আনো।’ অনেকেই বন্দিদের পরিবারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন এবং যুদ্ধ অবসানের সঙ্গে বন্দিদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন চেয়েছিলেন।
গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক অভিযানে কমপক্ষে ৯২ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে অনেকই গাজা শহরে। এ পরিস্থিতি বিক্ষোভকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
প্রধান বিক্ষোভকারীরা ট্রাম্পকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, নেতানিয়াহুর ওপর চাপ সৃষ্টি করতে যাতে বৈঠকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়। তাদের
মতে, দ্রুত চুক্তি ছাড়া বন্দিদের জীবন বিপন্ন হতে পারে এবং যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হতে পারে। অন্যদিকে, জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন‑গভি ও কট্টরপন্থি জোট মিত্ররা চুক্তির বিরোধিতা করছেন। বেন‑গভি সতর্ক করে বলেছেন, হামাসকে সম্পূর্ণ পরাজিত না করে যুদ্ধ শেষ করার অধিকার নেই। নেতানিয়াহুর সরকার এই কট্টরপন্থি দলগুলোর ওপর নির্ভরশীল, যা চুক্তি প্রক্রিয়াকে জটিল করেছে। নেতানিয়াহু ও ট্রাম্পের বৈঠক হোয়াইট হাউসে সোমবার হওয়ার কথা। ট্রাম্পের আগের মন্তব্যে তিনি গাজা নিয়ে সম্ভাব্য চুক্তির ওপর আশাবাদী ছিলেন, কিন্তু এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
মতে, দ্রুত চুক্তি ছাড়া বন্দিদের জীবন বিপন্ন হতে পারে এবং যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হতে পারে। অন্যদিকে, জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন‑গভি ও কট্টরপন্থি জোট মিত্ররা চুক্তির বিরোধিতা করছেন। বেন‑গভি সতর্ক করে বলেছেন, হামাসকে সম্পূর্ণ পরাজিত না করে যুদ্ধ শেষ করার অধিকার নেই। নেতানিয়াহুর সরকার এই কট্টরপন্থি দলগুলোর ওপর নির্ভরশীল, যা চুক্তি প্রক্রিয়াকে জটিল করেছে। নেতানিয়াহু ও ট্রাম্পের বৈঠক হোয়াইট হাউসে সোমবার হওয়ার কথা। ট্রাম্পের আগের মন্তব্যে তিনি গাজা নিয়ে সম্ভাব্য চুক্তির ওপর আশাবাদী ছিলেন, কিন্তু এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।



