গণতন্ত্র নয়, নির্বাচনের নাটক: ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট নিয়ে গভীর সংকটে বাংলাদেশ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬
     ১০:৩৪ অপরাহ্ণ

আরও খবর

সাংগঠনিক পুনর্গঠন ও রাজনৈতিক প্রস্তুতির বার্তা জেলা থেকে আন্তর্জাতিক পরিসরে

ঋণে ডুবে থাকা রাষ্ট্র: অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থ অর্থনীতি ও ভবিষ্যৎ বন্ধকের রাজনীতি

একপাক্ষিক বিচারে লজ্জিত’: বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে সরে দাঁড়ালেন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ উপদেষ্টা টোবি ক্যাডম্যান

জুলাই ষড়যন্ত্রের’ খেসারত: ২৬টি দেশে পোশাক বাজার হারাচ্ছে বাংলাদেশ, গভীর সংকটে অর্থনীতি

“যে ব্যালটে নৌকা প্রতীক নাই, যেখানে আওয়ামী লীগ নির্বাচন করতে পারবে না, সেখানে আমাদের ভোটাররা কেউ ভোট দিবে না” -দেশরত্ন শেখ হাসিনা

সংকীর্তনে হামলা- ইউনুস–জামাতের নীরব আশ্রয়ে উগ্রবাদ এখন মকরসংক্রান্তির উৎসবকেও রেহাই দিচ্ছে না।

ভোট নয়, এটা ফাঁদ – বাংলাদেশকে রক্ষা করতে এই পাতানো নির্বাচনে অংশ নেবেনা বাংলাদেশ

গণতন্ত্র নয়, নির্বাচনের নাটক: ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট নিয়ে গভীর সংকটে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ | ১০:৩৪ 3 ভিউ
বাংলাদেশে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গভীর রাজনৈতিক ও নৈতিক সংকট তৈরি হয়েছে। নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, এই প্রক্রিয়াটি ততই একটি প্রশ্নবিদ্ধ রাজনৈতিক প্রদর্শনীতে পরিণত হচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার মোড়কে আয়োজিত এই ভোটকে অনেকেই ‘গণতান্ত্রিক ব্যর্থতা’ এবং ‘ক্ষমতার বৈধতা তৈরির কৌশল’ হিসেবে অভিহিত করছেন। নির্বাচন ও দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণে উঠে এসেছে এক ভয়াবহ চিত্র। যেখানে আশঙ্কা করা হচ্ছে, এই নির্বাচন বাংলাদেশকে দীর্ঘমেয়াদী অস্থিরতা ও আন্তর্জাতিক বিচ্ছিন্নতার পথে ঠেলে দিতে পারে। নির্বাচনী পরিবেশ ও ভয়ের সংস্কৃতি নির্বাচন কেবল একটি নির্দিষ্ট দিনে ভোটদান নয়, বরং

একটি সামগ্রিক পরিবেশ—এই মৌলিক নীতিটি বর্তমান প্রেক্ষাপটে পুরোপুরি অনুপস্থিত। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ-এর সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, বাংলাদেশে রাজনৈতিক অধিকার, বাকস্বাধীনতা এবং নাগরিক পরিসর আশঙ্কাজনকভাবে সংকুচিত হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য পাঁচটি পূর্বশর্ত—বিরোধী দলের কথা বলার স্বাধীনতা, স্বাধীন গণমাধ্যম, ভয়হীন জনপদ, নিরপেক্ষ প্রশাসন এবং পক্ষপাতহীন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী—এর কোনোটিই বর্তমানে দৃশ্যমান নয়। ভয়ের আবহে দেওয়া ভোট কখনোই জনাদেশের সত্যিকারের প্রতিফলন হতে পারে না বলে মত বিশেষজ্ঞদের। প্রধান রাজনৈতিক শক্তি ও অংশগ্রহণমূলকতার প্রশ্ন এবারের নির্বাচনের সবচেয়ে বড় বিতর্কিত দিক হলো দেশের অন্যতম বৃহত্তম রাজনৈতিক শক্তি আওয়ামী লীগের নির্বাচনী মাঠের বাইরে থাকা। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও গবেষণা সংস্থাগুলোর মতে, প্রধান রাজনৈতিক দলকে বাদ দিয়ে

কোনো নির্বাচনকেই অবাধ বা অংশগ্রহণমূলক বলা যায় না। এটি কেবল দলীয় সংকট নয়, বরং ভোটারদের একটি বিশাল অংশের প্রতিনিধিত্বহীনতার সংকট। প্রশ্ন উঠছে, প্রধান প্রতিপক্ষহীন এই সংসদের নৈতিক ভিত্তি কতটুকু মজবুত হবে? আন্তর্জাতিক উদ্বেগ ও ‘হাইব্রিড’ তকমা নির্বাচনটি এখন আর বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা পর্যবেক্ষক পাঠালেও, তারা নির্বাচনের ফলাফলের কোনো নিশ্চয়তা দেয়নি; বরং তারা পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। গ্লোবাল ডেমোক্রেসি ইনডেক্সগুলোতে বাংলাদেশকে ক্রমশ ‘হাইব্রিড’ বা ‘আংশিক স্বৈরতান্ত্রিক’ রাষ্ট্র হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এর অর্থ হলো বিশ্ব সম্প্রদায় বাংলাদেশের নির্বাচনী ব্যবস্থার ওপর আস্থা হারিয়েছে। ‘ডেকোরেশন ডেমোক্রেসি’ বা সাজানো গণতন্ত্র বর্তমান নির্বাচনী ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা ‘ডেকোরেশন ডেমোক্রেসি’

বা ‘সাজানো গণতন্ত্র’ হিসেবে অভিহিত করছেন। যেখানে ব্যালট, বুথ এবং ফলাফল সবই থাকবে, কিন্তু থাকবে না কোনো সমান প্রতিযোগিতা বা রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (AP), রয়টার্স এবং আল জাজিরার মতো সংবাদমাধ্যমগুলো প্রশ্ন তুলেছে—সহিংসতা, গ্রেপ্তার এবং রাজনৈতিক মামলার ভীতির মধ্যে সাধারণ মানুষ কি আদৌ নিরাপদে ভোট দিতে পারবে? এখন পর্যন্ত এই প্রশ্নের কোনো সদুত্তর মেলেনি। রাষ্ট্রের ভবিষ্যতের ওপর প্রভাব ইতিহাস পর্যালোচনা করে বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে, এ ধরনের একপাক্ষিক বা ‘নাটকীয়’ নির্বাচন রাষ্ট্রকে দুর্বল করে দেয়। এর ফলে আন্তর্জাতিক বিচ্ছিন্নতা, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং সামাজিক বিভাজন চরম আকার ধারণ করতে পারে। বিশেষজ্ঞরা হুশিয়ারি দিয়ে বলছেন, ১২ ফেব্রুয়ারির এই নির্বাচন যদি কেবল আনুষ্ঠানিকতার মোড়কে সম্পন্ন করা

হয়, তবে আগামী প্রজন্ম নির্বাচনী ব্যবস্থার ওপর বিশ্বাস হারিয়ে সংঘাতের পথ বেছে নিতে পারে। গণতন্ত্র একদিনে ধসে পড়ে না, বরং এভাবেই ধীরে ধীরে তাকে শ্বাসরোধ করা হয়—আর আসন্ন নির্বাচন সেই প্রক্রিয়ারই একটি চূড়ান্ত অধ্যায় হতে যাচ্ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
সাংগঠনিক পুনর্গঠন ও রাজনৈতিক প্রস্তুতির বার্তা জেলা থেকে আন্তর্জাতিক পরিসরে গণতন্ত্র নয়, নির্বাচনের নাটক: ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট নিয়ে গভীর সংকটে বাংলাদেশ ঋণে ডুবে থাকা রাষ্ট্র: অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থ অর্থনীতি ও ভবিষ্যৎ বন্ধকের রাজনীতি একপাক্ষিক বিচারে লজ্জিত’: বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে সরে দাঁড়ালেন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ উপদেষ্টা টোবি ক্যাডম্যান জুলাই ষড়যন্ত্রের’ খেসারত: ২৬টি দেশে পোশাক বাজার হারাচ্ছে বাংলাদেশ, গভীর সংকটে অর্থনীতি দুই দেশের সমীকরণ কোন পথে শাকসু নির্বাচন স্থগিত রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে স্বর্ণ-রুপার দাম নেপালকেও উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ রাজধানীতে চালু হচ্ছে ই-টিকিট বাংলাদেশিদের জন্য ভিসায় বন্ড বাধ্যতামূলক করল যুক্তরাষ্ট্র জানা গেল রমজান শুরুর তারিখ গিয়াস উদ্দিন তাহেরীকে শোকজ ‘নাটকীয়’ ফাইনালে মরক্কোর স্বপ্ন ভেঙে আফ্রিকান চ্যাম্পিয়ন সেনেগাল সিরিয়া সরকার ও এসডিএফের যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভয়াবহ দাবানলে নিহত ১৮, বাস্তুচ্যুত ২০ হাজার মানুষ “যে ব্যালটে নৌকা প্রতীক নাই, যেখানে আওয়ামী লীগ নির্বাচন করতে পারবে না, সেখানে আমাদের ভোটাররা কেউ ভোট দিবে না” -দেশরত্ন শেখ হাসিনা সংকীর্তনে হামলা- ইউনুস–জামাতের নীরব আশ্রয়ে উগ্রবাদ এখন মকরসংক্রান্তির উৎসবকেও রেহাই দিচ্ছে না। ভোট নয়, এটা ফাঁদ – বাংলাদেশকে রক্ষা করতে এই পাতানো নির্বাচনে অংশ নেবেনা বাংলাদেশ বৈধতাহীন সরকারের কূটনৈতিক অক্ষমতার দাম চুকাচ্ছে সীমান্তের পঙ্গু মানুষেরা