ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দেশজুড়ে চলছে ‘জামায়াতি মুক্তকরণ’: তারেক সরকারের পদক্ষেপে ইউনূসতন্ত্রের জামায়াতিকরণের অবসান?
ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অভিযোগ, শাস্তি চেয়ে বিক্ষোভ
বিএনপি ক্ষমতা নিলেই দেশে শুরু হয় ধর্ষণের মহোৎসব
মব, মিথ্যা মামলা আর কারাগারে মৃত্যু; এটাই কি বিএনপির “নতুন রাজনীতি”?
ভূমি দস্যুদের হাতেই প্রশাসন! দখলদারকে প্রশাসক বানিয়ে বিএনপি দেখাল তাদের আসল চেহারা
বিএনপির বাংলাদেশ: রাতে গুলি, সকালে তদন্ত, বিকেলে ভুলে যাওয়া
একমাসের ব্যবধানে মাদকসহ আটকের পর এবার চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার ছাত্রদলের আহ্বায়ক
ক্ষমতার লোভে ইতিহাস স্বীকারের ভান: জামায়াতের ‘ক্ষমা’ নয়, এটি সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক প্রতারণা
অবশেষে সত্য আর চাপা থাকল না। দীর্ঘ ৫৪ বছর ধরে মিথ্যা, অস্বীকার ও ইতিহাস বিকৃতির আশ্রয় নেওয়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রকাশ্যে স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে—তারা মহান মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী ছিল। শুধু বিরোধিতাই নয়, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সহযোগী হিসেবে হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট ও রাহাজানির মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গেও তাদের প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্টতা ছিল—এই বাস্তবতা আজ আর অস্বীকার করার সুযোগ নেই।
এই স্বীকারোক্তি কোনো নৈতিক অনুশোচনা বা আত্মশুদ্ধির ফল নয়। এটি নিছকই ক্ষমতা হারানোর আতঙ্কে জন্ম নেওয়া একটি রাজনৈতিক কৌশল। সামনে জাতীয় নির্বাচন—আর সেই নির্বাচনকে পুঁজি করেই জামায়াত নতুন নাটক মঞ্চস্থ করেছে। দেশের মানুষের সামনে ‘ক্ষমা চাওয়ার’ অভিনয় করে নিজেদের রাজনৈতিক পুনর্বাসনের পথ
খুঁজছে দলটি। প্রশ্ন হলো—যে দল স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে, শহীদের রক্তকে অস্বীকার করেছে, তারা কোন নৈতিক অধিকার নিয়ে ক্ষমার কথা বলে? ১৯৭১ সালে আল-বদর ও আল-শামসের মতো ঘাতক বাহিনীর নেপথ্যের আদর্শিক ও সাংগঠনিক শক্তি ছিল জামায়াত। বুদ্ধিজীবী হত্যার নীলনকশা, গণহত্যার সহযোগিতা, মা-বোনদের ওপর পাশবিক নির্যাতন—এই সব অপরাধ ইতিহাসের পাতায়, আন্তর্জাতিক গবেষণায় এবং বিচারিক নথিতে স্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ। এগুলো কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়ে মুছে ফেলা যায় না। আজ তারা ক্ষমা চায়—কিন্তু কিসের জন্য? রাষ্ট্রের কাছে অপরাধ স্বীকার করে আত্মসমর্পণের জন্য নয়, বরং ভোটের অঙ্ক কষে নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর জন্য। এটি ক্ষমা নয়; এটি জাতির সঙ্গে প্রতারণা। শহীদের রক্তকে নির্বাচনী কৌশলের হাতিয়ার বানানোর ঘৃণ্য অপচেষ্টা। মুক্তিযুদ্ধ কোনো
দরকষাকষির বিষয় নয়। গণতন্ত্রের নামে যুদ্ধাপরাধীদের পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া মানে জাতির ইতিহাসের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা। যারা রাষ্ট্রের জন্মের বিরোধিতা করেছে, তাদের জন্য গণতন্ত্রের দরজা খোলা থাকতে পারে না—এটাই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিগুলোর স্পষ্ট অবস্থান। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকৃত ক্ষমা চাইতে হলে শুধু বক্তব্য নয়—ইতিহাসের পূর্ণ স্বীকৃতি, অপরাধের দায় গ্রহণ এবং রাষ্ট্র ও জাতির কাছে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ অপরিহার্য। অথচ জামায়াত আজও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মেনে নেয়নি; বরং ক্ষমতায় ফেরার আশায় জনগণের আবেগকে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে। বাংলাদেশের মানুষ ইতিহাস জানে, অপরাধীদের চিনে। সময়ের বিচারে ইতিহাস কাউকে ছাড় দেয় না। সেই বিচারের কাঠগড়াতেই জামায়াতকে বারবার দাঁড়াতে হবে—যেখানে তাদের প্রকৃত পরিচয় নগ্ন সত্য হয়ে প্রকাশ পায়।
খুঁজছে দলটি। প্রশ্ন হলো—যে দল স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে, শহীদের রক্তকে অস্বীকার করেছে, তারা কোন নৈতিক অধিকার নিয়ে ক্ষমার কথা বলে? ১৯৭১ সালে আল-বদর ও আল-শামসের মতো ঘাতক বাহিনীর নেপথ্যের আদর্শিক ও সাংগঠনিক শক্তি ছিল জামায়াত। বুদ্ধিজীবী হত্যার নীলনকশা, গণহত্যার সহযোগিতা, মা-বোনদের ওপর পাশবিক নির্যাতন—এই সব অপরাধ ইতিহাসের পাতায়, আন্তর্জাতিক গবেষণায় এবং বিচারিক নথিতে স্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ। এগুলো কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়ে মুছে ফেলা যায় না। আজ তারা ক্ষমা চায়—কিন্তু কিসের জন্য? রাষ্ট্রের কাছে অপরাধ স্বীকার করে আত্মসমর্পণের জন্য নয়, বরং ভোটের অঙ্ক কষে নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর জন্য। এটি ক্ষমা নয়; এটি জাতির সঙ্গে প্রতারণা। শহীদের রক্তকে নির্বাচনী কৌশলের হাতিয়ার বানানোর ঘৃণ্য অপচেষ্টা। মুক্তিযুদ্ধ কোনো
দরকষাকষির বিষয় নয়। গণতন্ত্রের নামে যুদ্ধাপরাধীদের পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া মানে জাতির ইতিহাসের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা। যারা রাষ্ট্রের জন্মের বিরোধিতা করেছে, তাদের জন্য গণতন্ত্রের দরজা খোলা থাকতে পারে না—এটাই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিগুলোর স্পষ্ট অবস্থান। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকৃত ক্ষমা চাইতে হলে শুধু বক্তব্য নয়—ইতিহাসের পূর্ণ স্বীকৃতি, অপরাধের দায় গ্রহণ এবং রাষ্ট্র ও জাতির কাছে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ অপরিহার্য। অথচ জামায়াত আজও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মেনে নেয়নি; বরং ক্ষমতায় ফেরার আশায় জনগণের আবেগকে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে। বাংলাদেশের মানুষ ইতিহাস জানে, অপরাধীদের চিনে। সময়ের বিচারে ইতিহাস কাউকে ছাড় দেয় না। সেই বিচারের কাঠগড়াতেই জামায়াতকে বারবার দাঁড়াতে হবে—যেখানে তাদের প্রকৃত পরিচয় নগ্ন সত্য হয়ে প্রকাশ পায়।



