ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
চাল চুরির সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকের ওপর ছাত্রদল নেতার হামলা!
সাতক্ষীরায় মন্দিরে চুরি: স্বর্ণালংকার ও দানবাক্সের টাকা লুট, আতঙ্কে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়
জ্বালানি সংকটে রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে স্পিডবোট চলাচল বন্ধ
চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পাহাড়তলী: গণহত্যার কালো অধ্যায়
বিএনপির চাঁদাবাজ সন্ত্রাসে আবারও রক্তাক্ত সংখ্যালঘু পরিবার—যশোরে চাঁদা না দেওয়ায় গৃহবধূকে নির্মমভাবে পিটিয়ে জখম!
টেন্ডার ভাগাভাগি নিয়ে দলীয় কোন্দল: ফেনী জেলা বিএনপির নেতাকে হত্যাচেষ্টা
হাওরের বাঁধের অর্থে শিবির নেতার বাড়ির সড়ক সংস্কারে ২৩ লাখ টাকার প্রকল্প উপহার সুনামগঞ্জের ডিসির!
ক্ষমতার পালাবদলের পর রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় ইতিহাস হত্যা, অঘোষিত বাতিল বিজয় দিবস
৫ আগস্ট ২০২৪-এ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর বাংলাদেশ সৃষ্টির ইতিহাস কার্যত থমকে গেছে। স্বাধীনতার পক্ষের রাষ্ট্রীয় অবস্থান ভেঙে পড়েছে, আর সেই শূন্যতায় ক্ষমতার মসনদে বসেছে স্বাধীনতাবিরোধী ও ইতিহাস অস্বীকারকারী শক্তি। অভিযোগ উঠেছে—রাষ্ট্রীয় প্রশ্রয়েই চলছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি।
ক্ষমতাসীনদের শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক নেতার বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধকে ‘ভারতের ষড়যন্ত্র’ বলে আখ্যায়িত করা হচ্ছে। আবার কেউ কেউ আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটের হিসাব মেলাতে দায় স্বীকারের নাটক মঞ্চস্থ করছে। সচেতন মহলের ভাষায়, এটি অনুশোচনার রাজনীতি নয়—এটি চরম সুবিধাবাদী প্রতারণা।
এর সরাসরি প্রতিফলন দেখা গেছে মহান বিজয় দিবসে। চলতি বছরে বিজয় দিবসকে ঘিরে মাসজুড়ে যে প্রস্তুতি, কর্মসূচি ও রাষ্ট্রীয় আবহ থাকার কথা ছিল, বাস্তবে
তার কোনো অস্তিত্ব নেই। সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোকসজ্জা কিংবা প্রচার কার্যক্রম ছিল প্রায় সম্পূর্ণ অনুপস্থিত—যা স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন। সাধারণত নভেম্বরের শেষ দিক থেকেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো বিজয় দিবসের কর্মসূচি ঘোষণা করে। কিন্তু এ বছর ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় পার হয়ে গেলেও রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিজয়ের কোনো চিহ্ন চোখে পড়েনি। লাল-সবুজের উৎসব যেন রাষ্ট্রীয়ভাবে মুছে ফেলা হয়েছে। সচেতন মহলের মতে, এটি নিছক অব্যবস্থাপনা নয়—এটি একটি সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক অবস্থান। তারা বলছেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা দুর্বল করা, ইতিহাসকে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং নতুন প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করাই এর মূল লক্ষ্য। বিজয় দিবসের মতো রাষ্ট্রীয় দিবসকে উপেক্ষা করা মানে সরাসরি বাংলাদেশের জন্মকেই
অস্বীকার করা। বিশ্লেষকদের মতে, ইতিহাসকে এভাবে নীরবে হত্যা করতে দিলে এর পরিণতি হবে ভয়াবহ। কারণ, যে রাষ্ট্র তার জন্মের ইতিহাস ভুলে যায়, সে রাষ্ট্র নিজের অস্তিত্বও টিকিয়ে রাখতে পারে না।
তার কোনো অস্তিত্ব নেই। সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোকসজ্জা কিংবা প্রচার কার্যক্রম ছিল প্রায় সম্পূর্ণ অনুপস্থিত—যা স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন। সাধারণত নভেম্বরের শেষ দিক থেকেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো বিজয় দিবসের কর্মসূচি ঘোষণা করে। কিন্তু এ বছর ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় পার হয়ে গেলেও রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিজয়ের কোনো চিহ্ন চোখে পড়েনি। লাল-সবুজের উৎসব যেন রাষ্ট্রীয়ভাবে মুছে ফেলা হয়েছে। সচেতন মহলের মতে, এটি নিছক অব্যবস্থাপনা নয়—এটি একটি সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক অবস্থান। তারা বলছেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা দুর্বল করা, ইতিহাসকে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং নতুন প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করাই এর মূল লক্ষ্য। বিজয় দিবসের মতো রাষ্ট্রীয় দিবসকে উপেক্ষা করা মানে সরাসরি বাংলাদেশের জন্মকেই
অস্বীকার করা। বিশ্লেষকদের মতে, ইতিহাসকে এভাবে নীরবে হত্যা করতে দিলে এর পরিণতি হবে ভয়াবহ। কারণ, যে রাষ্ট্র তার জন্মের ইতিহাস ভুলে যায়, সে রাষ্ট্র নিজের অস্তিত্বও টিকিয়ে রাখতে পারে না।



