ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলা অনিশ্চিত
নেপালকেও উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ
‘নাটকীয়’ ফাইনালে মরক্কোর স্বপ্ন ভেঙে আফ্রিকান চ্যাম্পিয়ন সেনেগাল
বাংলাদেশের প্রস্তাব না মানলে পাকিস্তান বিশ্বকাপে খেলবে কি না ভাববে
বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সঙ্গে গ্রুপ বদল করবে না আয়ারল্যান্ড
ভারত অধিনায়কের সঙ্গে হাত না মেলানোর ব্যাখ্যা দিল বিসিবি
কাইলি জেনারকে নিয়ে বিয়ের গুঞ্জন
ক্যারিয়ারে প্রথমবার ‘রিটায়ার্ড আউট’ সাকিব
প্রথম শ্রেণি, লিস্ট ‘এ’ ও স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে দুই দশকে খেলেছেন ৮৭৯টি ম্যাচ। ৯১২ বার ব্যাটিংয়ে নামার পর ৯১৩তম বারে এসে এক অভূতপূর্ব অভিজ্ঞতার সাক্ষী হলেন সাকিব আল হাসান। ইন্টারন্যাশনাল লিগ টি-টোয়েন্টিতে (আইএল টি-টোয়েন্টি) নিজের অভিষেক ম্যাচে প্রথমবারের মতো ‘রিটায়ার্ড আউট’ হয়ে মাঠ ছাড়তে হলো বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারকে। তবে সাকিবের এমন দিনেও রোমাঞ্চকর এক জয় পেয়েছে তার দল এমআই এমিরেটস।
রোববার শারজায় এমআই এমিরেটস ও শারজাহ ওয়ারিয়র্সের ম্যাচে ঘটে এই ঘটনা। ১৬তম ওভারে ১২ বলে ১৬ রান করা সাকিবকে কৌশলগত কারণে মাঠ থেকে তুলে নেয় টিম ম্যানেজমেন্ট। তার জায়গায় নামানো হয় অধিনায়ক কাইরন পোলার্ডকে। বাংলাদেশের ক্রিকেটে এর আগে স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে এমন আউট
হয়েছিলেন কেবল সানজামুল ইসলাম (২০১৯ বিপিএলে)। সাকিবের ত্যাগের সুফল অবশ্য পোলার্ড দিতে পারেননি। মাত্র চার রান করেই প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন। কিন্তু আসল কাজটা করে দিয়েছেন রোমারিও শেফার্ড। শেষ দিকে এই ক্যারিবিয়ানের অপরাজিত ৩১ রানের ঝোড়ো ইনিংসে ৮ উইকেটে ১৮৫ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর পায় এমিরেটস। ১৮৬ রানের লক্ষে ব্যাট করতে নেমে শারজাহ ওয়ারিয়র্সের টম কোলার-ক্যাডমোর (৫১) ও সিকান্দার রাজা (৬৪) দলকে জয়ের পথেই রেখেছিলেন। তবে বল হাতে সাকিব ছিলেন নিজের ছায়া হয়ে। ২ ওভারে ২৭ রান দিয়ে থাকেন উইকেটশূন্য। ম্যাচের শেষ ওভারে জয়ের জন্য শারজাহর প্রয়োজন ছিল ১১ রান। ক্রিজে ছিলেন অভিজ্ঞ ফিনিশার দীনেশ কার্তিক, আর বল হাতে এমিরেটসের ত্রাতা সেই শেফার্ড। স্নায়ুচাপের এই মুহূর্তে
কার্তিককে ফিরিয়ে এবং নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে এমিরেটসকে ৪ রানের শ্বাসরুদ্ধকর জয় এনে দেন শেফার্ড। ব্যাটে-বলে দুর্দান্ত পারফর্ম করে ম্যাচসেরাও হয়েছেন এই ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডার।
হয়েছিলেন কেবল সানজামুল ইসলাম (২০১৯ বিপিএলে)। সাকিবের ত্যাগের সুফল অবশ্য পোলার্ড দিতে পারেননি। মাত্র চার রান করেই প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন। কিন্তু আসল কাজটা করে দিয়েছেন রোমারিও শেফার্ড। শেষ দিকে এই ক্যারিবিয়ানের অপরাজিত ৩১ রানের ঝোড়ো ইনিংসে ৮ উইকেটে ১৮৫ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর পায় এমিরেটস। ১৮৬ রানের লক্ষে ব্যাট করতে নেমে শারজাহ ওয়ারিয়র্সের টম কোলার-ক্যাডমোর (৫১) ও সিকান্দার রাজা (৬৪) দলকে জয়ের পথেই রেখেছিলেন। তবে বল হাতে সাকিব ছিলেন নিজের ছায়া হয়ে। ২ ওভারে ২৭ রান দিয়ে থাকেন উইকেটশূন্য। ম্যাচের শেষ ওভারে জয়ের জন্য শারজাহর প্রয়োজন ছিল ১১ রান। ক্রিজে ছিলেন অভিজ্ঞ ফিনিশার দীনেশ কার্তিক, আর বল হাতে এমিরেটসের ত্রাতা সেই শেফার্ড। স্নায়ুচাপের এই মুহূর্তে
কার্তিককে ফিরিয়ে এবং নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে এমিরেটসকে ৪ রানের শ্বাসরুদ্ধকর জয় এনে দেন শেফার্ড। ব্যাটে-বলে দুর্দান্ত পারফর্ম করে ম্যাচসেরাও হয়েছেন এই ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডার।



