ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মো-সা-দ এজেন্ট’ বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিল সুপ্রিম কোর্টে
ডাকাতি মামলায় বিএনপির ৯ নেতাকর্মী কারাগারে
৩ লাখের মুলা ঝুলিয়ে অসহায় পরিবারের হাতে ৭০০ টাকা দিয়ে নাসির-সারজিসের ফুটেজ খাওয়া, নিন্দা সাধারণের
পরীক্ষা দিতে আসা ছাত্রলীগ নেতার ওপর ছাত্রদল-শিবিরের মবের পর পুলিশে সোপর্দ, পুলিশের প্রতি ধিক্কার শিক্ষার্থীদের
তুরাগে আওয়ামী লীগের ৩ কর্মীর লাশ উদ্ধার: পরিবারের দাবি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড, সরকারের ‘না’
প্রেমের ফাঁদে ফেলে পর্নোগ্রাফি ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল: চট্টগ্রামে শিবির নেতা গ্রেপ্তার
তুরাগে ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ ভাসার খবর ভিত্তিহীন: পুলিশ
‘কোরবানি-ভাগাভাগির’ নির্বাচনে ক্ষমতা দখলে নিয়েছে বিএনপি
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলনকেন্দ্রে শনিবার ( ২৮ ফেব্রুয়ারি) জামায়াতের ইফতার অনুষ্ঠান ছিল। ফেসবুক পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী লিখেছেন, ইফতার শেষে বিদায় নেওয়ার সময় সরকারের উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস যখন এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে দুষ্টুমি না করার কথা বলেন, তখন তিনি জবাব দেন ‘ছোট ভাইয়ের সিট এভাবে কেড়ে না নিয়ে ছেড়ে দিলেও পারতেন।’
এরইমধ্যে এ নির্বাচন নিয়ে বিএনপির নেত্রী নিলুফার চৌধুরী মনি এমনই বক্তব্য দিয়েছেন, যা সোশ্যাল মিডিয়ায় (ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম) ব্যাপকভাবে ছড়িয়েছে। তিনি বলেছেন, “১২ ই ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হয়েছে কোরবানির নির্বাচনের আর ভাগাভাগির নির্বাচন। … ১৪-১৮-২৪ এর নির্বাচনকে হার মানিয়েছে অবৈধ ইউনুস।” সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ বক্তব্য এখন ভাইরাল।
শুধু নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী নিলুফার চৌধুরী
মনির বক্তব্যই নয় এমন অনেকেই এখন মিলেমিশে ভাগবাটোয়ারা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে বক্তব্য দিচ্ছেন। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে জামায়াত ও বিএনপির নেতা-কর্মীরাও স্বীকার করে নিচ্ছেন যে, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ভাগ বাঁটোয়ারার মাধ্যমে সরকারি দল ও বিরোধী দলে এসেছে। এই ঘটনার সবশেষ উদাহরণ হলো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের বক্তব্য। কিছুদিন আগেই তিনি জানিয়েছিলেন, জুলাই দাঙ্গায় পুলিশ হত্যাকারীদের বিচার হবে। এরপর এনসিপি নেতারা বেফাঁস মন্তব্য শুরু করে। এনসিপি নেতা হান্নান মাসুদ দেশ ছেড়ে পালানোর পরিকল্পনাও জানান। এরইমধ্যে গতকাল এনসিপির ইফতারে যান সালাহউদ্দিন। এরপরই বক্তব্য উলটে যায় তার। এখন তিনি বলছেন, জুলাই দাঙ্গায় পুলিশ হত্যার বিচারের সুযোগ নেই। সূত্র বলছে, ডিপ স্টেটের পরিকল্পনার বাস্তবায়ন
ঘটাচ্ছে সালাহউদ্দিন। প্রথমে পুলিশ হত্যার বিচার চেয়ে এনসিপিকে বিপদে ফেলতে চাইলেও আমেরিকার নির্দেশে তিনি তা থেকে সরে এসেছেন। আমেরিকার প্রভাব বাংলাদেশে আরও তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টা। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)-এর গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম সম্প্রতি জানিয়েছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সাম্প্রতিক যে বাণিজ্য চুক্তিটি করেছে, তা ‘জাতিকে বোকা বানানোর শামিল’। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বিশেষজ্ঞরা এই চুক্তিকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব ও দেশীয় শিল্পের ভবিষ্যৎকে ঝুঁকির মুখে ফেলার এক ‘নীল নকশা’ এবং ‘দেশ বিক্রির চুক্তি’ হিসেবেও আখ্যা দিচ্ছেন। সূত্র বলছে, মিয়ানমারে চীন-সমর্থিত গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্পের পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় কৌশলগত অবস্থান নিতে
সক্রিয় হয়েছে। রোহিঙ্গা সংকট, মানবিক করিডোর, এবং চট্টগ্রাম বন্দর—সব মিলে এই অঞ্চলটি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে একটি “খ্রিস্টান রাজ্য” গঠনের ষড়যন্ত্রের আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন অনেকে, যা পূর্ব তিমুরের ঘটনার সাথে তুলনা করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা সতর্ক করে বলেছিলেন, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের কিছু অংশ নিয়ে এমন একটি রাষ্ট্র গঠনের ষড়যন্ত্র চলছে এবং এ সংক্রান্ত প্রস্তাবনা বাংলাদেশে একটি এয়ার বেজ স্থাপনের মাধ্যমেও এসেছে। একাধিক সূত্র ও বিশ্লেষকের মতে, নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে এই ষড়যন্ত্রে “প্রক্সি নেতা” হিসেবে ব্যবহার করেছিল মার্কিন প্রশাসন। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মিয়ানমারের বিদ্রোহীদের সহায়তা, চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্পে
বাধা এবং বাংলাদেশে অস্থিরতা সৃষ্টির মতো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এবারই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের কোনো পরারাষ্ট্রমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছে আরাকান আর্মি।
মনির বক্তব্যই নয় এমন অনেকেই এখন মিলেমিশে ভাগবাটোয়ারা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে বক্তব্য দিচ্ছেন। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে জামায়াত ও বিএনপির নেতা-কর্মীরাও স্বীকার করে নিচ্ছেন যে, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ভাগ বাঁটোয়ারার মাধ্যমে সরকারি দল ও বিরোধী দলে এসেছে। এই ঘটনার সবশেষ উদাহরণ হলো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের বক্তব্য। কিছুদিন আগেই তিনি জানিয়েছিলেন, জুলাই দাঙ্গায় পুলিশ হত্যাকারীদের বিচার হবে। এরপর এনসিপি নেতারা বেফাঁস মন্তব্য শুরু করে। এনসিপি নেতা হান্নান মাসুদ দেশ ছেড়ে পালানোর পরিকল্পনাও জানান। এরইমধ্যে গতকাল এনসিপির ইফতারে যান সালাহউদ্দিন। এরপরই বক্তব্য উলটে যায় তার। এখন তিনি বলছেন, জুলাই দাঙ্গায় পুলিশ হত্যার বিচারের সুযোগ নেই। সূত্র বলছে, ডিপ স্টেটের পরিকল্পনার বাস্তবায়ন
ঘটাচ্ছে সালাহউদ্দিন। প্রথমে পুলিশ হত্যার বিচার চেয়ে এনসিপিকে বিপদে ফেলতে চাইলেও আমেরিকার নির্দেশে তিনি তা থেকে সরে এসেছেন। আমেরিকার প্রভাব বাংলাদেশে আরও তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টা। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)-এর গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম সম্প্রতি জানিয়েছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সাম্প্রতিক যে বাণিজ্য চুক্তিটি করেছে, তা ‘জাতিকে বোকা বানানোর শামিল’। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বিশেষজ্ঞরা এই চুক্তিকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব ও দেশীয় শিল্পের ভবিষ্যৎকে ঝুঁকির মুখে ফেলার এক ‘নীল নকশা’ এবং ‘দেশ বিক্রির চুক্তি’ হিসেবেও আখ্যা দিচ্ছেন। সূত্র বলছে, মিয়ানমারে চীন-সমর্থিত গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্পের পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় কৌশলগত অবস্থান নিতে
সক্রিয় হয়েছে। রোহিঙ্গা সংকট, মানবিক করিডোর, এবং চট্টগ্রাম বন্দর—সব মিলে এই অঞ্চলটি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে একটি “খ্রিস্টান রাজ্য” গঠনের ষড়যন্ত্রের আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন অনেকে, যা পূর্ব তিমুরের ঘটনার সাথে তুলনা করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা সতর্ক করে বলেছিলেন, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের কিছু অংশ নিয়ে এমন একটি রাষ্ট্র গঠনের ষড়যন্ত্র চলছে এবং এ সংক্রান্ত প্রস্তাবনা বাংলাদেশে একটি এয়ার বেজ স্থাপনের মাধ্যমেও এসেছে। একাধিক সূত্র ও বিশ্লেষকের মতে, নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে এই ষড়যন্ত্রে “প্রক্সি নেতা” হিসেবে ব্যবহার করেছিল মার্কিন প্রশাসন। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মিয়ানমারের বিদ্রোহীদের সহায়তা, চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্পে
বাধা এবং বাংলাদেশে অস্থিরতা সৃষ্টির মতো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এবারই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের কোনো পরারাষ্ট্রমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছে আরাকান আর্মি।



