ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন নয়, নামসর্বস্ব প্রহসন : আন্তর্জাতিক সতর্কতা
ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে কি না, তার চেয়ে বড় কথা হলো সেই নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু এবং অংশগ্রহণমূলক হবে কি না
২৬ জানুয়ারির আগে হাই অ্যালার্ট: দিল্লি সহ বড় শহরগুলিতে সন্ত্রাসী নাশকতার আশঙ্কা, গোয়েন্দাদের কড়া সতর্কতা
সুন্দরবনের মধু থেকে হাইকোর্টের শীর্ষ স্থান: সেকালের ‘হানি ট্র্যাপ’ কি আজও বিচারীয় পটভূমিকে প্রশ্ন করছে?”
লেফটেন্যান্ট জেনারেল কামরুল হাসান: সেনাবাহিনীর নৈতিকতার বড় প্রশ্নচিহ্ন ছাত্রশিবির করা কামরুল হাসানকে ঘিরে নারী কেলেঙ্কারি ও বিদেশী কূটনৈতিক লবিং এর অভিযোগ
বাংলাদেশ কি এখন পরাশক্তির দাবার বোর্ড? ড. ইউনূস সরকারের কূটনীতি না কি রাষ্ট্রীয় আত্মসমর্পণের নীলনকশা
জাতিসংঘ প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত
কোনো দল নিষিদ্ধ হলে লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে না: ড. ইউনূসকে মার্কিন কংগ্রেস সদস্যদের বার্তা
বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচজন প্রভাবশালী কংগ্রেস সদস্য। চিঠিতে আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচনের প্রাক্কালে কোনো রাজনৈতিক দলের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।
সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) ওয়াশিংটন ডিসি থেকে পাঠানো এই যৌথ চিঠিতে নেতৃত্ব দেন মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের পররাষ্ট্র বিষয়ক কমিটির র্যাংকিং মেম্বার গ্রেগরি ডব্লিউ মিকস। তাঁর সঙ্গে স্বাক্ষর করেছেন দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক উপকমিটির চেয়ার বিল হুইজেঙ্গা এবং র্যাংকিং মেম্বার সিডনি কামলাগার-ডোভ। এছাড়া চিঠিতে সহ-স্বাক্ষরকারী হিসেবে রয়েছেন প্রতিনিধি
জুলি জনসন ও টম সুয়োজ্জি। অবাধ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের আহ্বান চিঠিতে বাংলাদেশের বর্তমান ক্রান্তিকালে অন্তর্বর্তী সরকার পরিচালনায় ড. ইউনূসের সদিচ্ছাকে স্বাগত জানানো হয়। তবে কংগ্রেস সদস্যরা জোর দিয়ে বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে ব্যালট বাক্সের মাধ্যমে জনগণের মতামত প্রকাশের সুযোগ নিশ্চিত করতে হলে একটি স্বাধীন ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, "অন্তর্বর্তী সরকারের উচিত রাজনৈতিক মতাদর্শের সম্পূর্ণ পরিসরের দলগুলোর সঙ্গে কাজ করা এবং এমন সংস্কার গ্রহণ করা, যা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সততা ও অরাজনৈতিক চরিত্রের ওপর জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করবে।" রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ ও আইসিটি নিয়ে সতর্কতা চিঠিতে মার্কিন আইনপ্রণেতারা স্পষ্ট ভাষায় সতর্ক করেছেন যে, সরকার যদি রাজনৈতিক দলগুলোর কার্যক্রম স্থগিত করে কিংবা
আবারও ত্রুটিপূর্ণ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল চালু করে, তবে গণতান্ত্রিক লক্ষ্য অর্জন অসম্ভব হয়ে পড়তে পারে। মানবাধিকার ও আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়টিতে গুরুত্ব দিয়ে চিঠিতে বলা হয়েছে, "সংগঠনের স্বাধীনতা এবং সমষ্টিগত নয় বরং ব্যক্তিগত অপরাধমূলক দায়বদ্ধতার নীতি—এগুলো মৌলিক মানবাধিকার।" চিঠিতে আরও বলা হয়, আইনের যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কেবল যেসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ বা গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রমাণ রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এর পরিবর্তে কোনো একটি রাজনৈতিক দলের সম্পূর্ণ কার্যক্রম স্থগিত করার সিদ্ধান্ত মৌলিক মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে চিঠিতে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। উল্লেখ্য, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতাদের
এই চিঠি কূটনৈতিক মহলে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।
জুলি জনসন ও টম সুয়োজ্জি। অবাধ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের আহ্বান চিঠিতে বাংলাদেশের বর্তমান ক্রান্তিকালে অন্তর্বর্তী সরকার পরিচালনায় ড. ইউনূসের সদিচ্ছাকে স্বাগত জানানো হয়। তবে কংগ্রেস সদস্যরা জোর দিয়ে বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে ব্যালট বাক্সের মাধ্যমে জনগণের মতামত প্রকাশের সুযোগ নিশ্চিত করতে হলে একটি স্বাধীন ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, "অন্তর্বর্তী সরকারের উচিত রাজনৈতিক মতাদর্শের সম্পূর্ণ পরিসরের দলগুলোর সঙ্গে কাজ করা এবং এমন সংস্কার গ্রহণ করা, যা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সততা ও অরাজনৈতিক চরিত্রের ওপর জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করবে।" রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ ও আইসিটি নিয়ে সতর্কতা চিঠিতে মার্কিন আইনপ্রণেতারা স্পষ্ট ভাষায় সতর্ক করেছেন যে, সরকার যদি রাজনৈতিক দলগুলোর কার্যক্রম স্থগিত করে কিংবা
আবারও ত্রুটিপূর্ণ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল চালু করে, তবে গণতান্ত্রিক লক্ষ্য অর্জন অসম্ভব হয়ে পড়তে পারে। মানবাধিকার ও আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়টিতে গুরুত্ব দিয়ে চিঠিতে বলা হয়েছে, "সংগঠনের স্বাধীনতা এবং সমষ্টিগত নয় বরং ব্যক্তিগত অপরাধমূলক দায়বদ্ধতার নীতি—এগুলো মৌলিক মানবাধিকার।" চিঠিতে আরও বলা হয়, আইনের যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কেবল যেসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ বা গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রমাণ রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এর পরিবর্তে কোনো একটি রাজনৈতিক দলের সম্পূর্ণ কার্যক্রম স্থগিত করার সিদ্ধান্ত মৌলিক মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে চিঠিতে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। উল্লেখ্য, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতাদের
এই চিঠি কূটনৈতিক মহলে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।



