ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নাম বদল, নাকি নীতি বদল: ইন্দো-প্যাসিফিকে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অবস্থান কি সত্যিই পাল্টে গেছে?
ইরান আমাকে হত্যা করলে, নজিরবিহীন ‘বোমা হামলা’ হবে: ট্রাম্প
খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার আইআরজিসি প্রধানের
বাংলাদেশে আইনের শাসন, মানবাধিকার ও রাজনৈতিক বন্দি প্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের আহ্বান স্কটিশ পার্লামেন্টের
সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ
নিজের জন্মস্থান মাশহাদে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন আয়াতুল্লাহ খামেনি
ভেনিজুয়েলা ভূমিকম্পে নিহত ৩৮৯৯, ক্ষতি ৬.৭ বিলিয়ন ডলার
কাশ্মীরে আইফেল টাওয়ারের চেয়েও উঁচু রেলসেতু উদ্বোধন মোদির
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিশ্বের সর্বোচ্চ রেলসেতু ‘চেনাব রেল ব্রিজ’-এর উদ্বোধন করেছেন। জম্মু ও কাশ্মীরের রেয়াসি জেলার চেনাব নদীর ওপরে নির্মিত এই সেতুটি উচ্চতায় প্যারিসের বিখ্যাত আইফেল টাওয়ারকেও ছাড়িয়ে গেছে। খবর আল-জাজিরার।
ইস্পাত ও কংক্রিট দিয়ে তৈরি ১,৩১৫ মিটার দীর্ঘ এই সেতুর মূল আর্চ চেনাব নদীর পানি পৃষ্ঠ থেকে ৩৫৯ মিটার (১,১৭৭ ফুট) উঁচুতে—যা আইফেল টাওয়ারের (৩৩০ মিটার) চেয়েও ২৯ মিটার উঁচু। ভারতীয় রেলওয়ে জানিয়েছে, এটি আগামী ১২০ বছর টিকে থাকবে এবং ঘণ্টায় ২৬০ কিলোমিটার বেগের ঝড়েও স্থির থাকবে।
চেনাব সেতুটি ‘উধমপুর-শ্রীনগর-বারামুল্লা রেল সংযোগ (USBRL)’ প্রকল্পের অংশ, যার মাধ্যমে কাশ্মীর উপত্যকা প্রথমবারের মতো ভারতের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে রেলপথে যুক্ত হলো। এই ২৭২
কিলোমিটার দীর্ঘ রেলপথে রয়েছে ৩৬টি সুড়ঙ্গ ও ৯৪৩টি সেতু। প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, ‘এই প্রকল্প কেবল প্রকৌশল নয়, এটি নতুন ভারতের আত্মবিশ্বাসের প্রতীক।’ আগামীকাল ৭ জুন থেকে শ্রীনগর ও কাত্রার মধ্যে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চলাচল শুরু করবে। এই রেল সংযোগ কাশ্মীরের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বিপজ্জনক পাহাড়ি পথের পরিবর্তে এখন সাশ্রয়ী, নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন যাতায়াতের পথ খুলে গেল কাশ্মীরবাসীর জন্য।
কিলোমিটার দীর্ঘ রেলপথে রয়েছে ৩৬টি সুড়ঙ্গ ও ৯৪৩টি সেতু। প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, ‘এই প্রকল্প কেবল প্রকৌশল নয়, এটি নতুন ভারতের আত্মবিশ্বাসের প্রতীক।’ আগামীকাল ৭ জুন থেকে শ্রীনগর ও কাত্রার মধ্যে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চলাচল শুরু করবে। এই রেল সংযোগ কাশ্মীরের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বিপজ্জনক পাহাড়ি পথের পরিবর্তে এখন সাশ্রয়ী, নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন যাতায়াতের পথ খুলে গেল কাশ্মীরবাসীর জন্য।



