ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ডিবি পরিচয়ে অপহরণ, লুটপাট ও মব ভায়োলেন্স: শতাধিক অভিযোগে বহিষ্কার সায়মন
বোয়িং ডিল ও টার্মিনাল দখল: বশিরের কমিশন বাণিজ্য ও সিন্ডিকেটে ধ্বংসের মুখে বিমান
আওয়ামী লীগহীন রাজনীতিতে বিপন্ন নারী স্বাধীনতা: জামায়াতের ঘৃণ্য আস্ফালন ও ‘হ্যাক’ নাটক
৮৫৮ কোটি টাকা টোল আদায়, তবু দেড় বছর ধরে পদ্মা সেতুর কিস্তি ‘বকেয়া’
শেখ হাসিনাকে বাদ দিয়েই সুযোগ দিক, আওয়ামী লীগ এক চান্সে জিতে যাবে’—ভাইরাল ভিডিওতে নারীর মন্তব্য
‘জুলাই জাদুঘর’ পরিদর্শন: প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কূটনীতিকদের উপস্থিতি নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে তথ্য জালিয়াতির অভিযোগ
শেখ হাসিনাকে বাদ দিয়েই সুযোগ দিক, আওয়ামী লীগ এক চান্সে জিতে যাবে’—ভাইরাল ভিডিওতে নারীর মন্তব্য
কার হাতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর? এপস্টাইন কেলেঙ্কারিতে ডিপি ওয়ার্ল্ড প্রধানের নাম
কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টাইনের সঙ্গে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী ও দুবাইভিত্তিক লজিস্টিক জায়ান্ট ‘ডিপি ওয়ার্ল্ড’-এর (DP World) গ্রুপ চেয়ারম্যান সুলতান আহমেদ বিন সুলাইয়েমের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের তথ্য ও ছবি প্রকাশ্যে আসার পর বিশ্বজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। সম্প্রতি ফাঁস হওয়া ‘এপস্টাইন ফাইলস’-এ মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মধ্যে সুলতান আহমেদের নাম এবং এপস্টাইনের সঙ্গে তার ইমেইল চালাচালির বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনের এই বিতর্কিত চরিত্রের সঙ্গে ডিপি ওয়ার্ল্ড প্রধানের সখ্য এবং সম্প্রতি চট্টগ্রাম বন্দর পরিচালনায় প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে বাংলাদেশের কথিত ‘গোপন চুক্তি’র বিষয়টি জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
‘তুমি আমার মতোই বন্য’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে সুলতান আহমেদ
বিন সুলাইয়েম এবং জেফরি এপস্টাইনকে অত্যন্ত ঘরোয়া পরিবেশে দেখা গেছে। একটি ছবিতে দেখা যায়, এপস্টাইনের বাসায় রান্নাঘরে তারা একসঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন। অন্য একটি ছবিতে তাদের মধ্যপ্রাচ্যের ঐতিহ্যবাহী পোশাকে হাস্যোজ্জ্বল অবস্থায় দেখা গেছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, ফাঁস হওয়া নথিগুলোর মধ্যে এপস্টাইন একটি ইমেইলে সুলতান আহমেদকে উদ্দেশ্য করে লিখেছিলেন, "You are as wild as I am" (তুমি আমার মতোই বন্য)। এই বাক্যটি দুজনের ব্যক্তিগত সম্পর্কের গভীরতা এবং গোপন জীবনাচরণের ইঙ্গিত দেয় বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। এপস্টাইনের মতো একজন দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীর সঙ্গে এমন ঘনিষ্ঠতা ডিপি ওয়ার্ল্ডের প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। কে এই সুলতান আহমেদ? সুলতান আহমেদ বিন সুলাইয়েম দীর্ঘ ৪২ বছর ধরে ডিপি ওয়ার্ল্ডের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
ফোর্বস মিডল ইস্ট-এর ২০২৩ সালের তথ্য অনুযায়ী, তার আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ প্রায় সাড়ে ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আবাসন খাত এবং বৈশ্বিক অবকাঠামো নির্মাণে তার বিশাল বিনিয়োগ রয়েছে। তার নেতৃত্বেই ডিপি ওয়ার্ল্ড বিশ্বের অন্যতম লজিস্টিক জায়ান্টে পরিণত হয়েছে। তবে এপস্টাইন কেলেঙ্কারিতে তার নাম জড়িয়ে পড়ায় তার ব্যবসায়িক সাম্রাজ্যের নৈতিক ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। চট্টগ্রাম বন্দর ও গোপন চুক্তির অভিযোগ বাংলাদেশের অর্থনীতির লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম বন্দরের একটি বড় অংশের নিয়ন্ত্রণ ডিপি ওয়ার্ল্ডের হাতে তুলে দেওয়া নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই গুঞ্জন চলছে। অভিযোগ উঠেছে, কোনো ধরনের স্বচ্ছ টেন্ডার প্রক্রিয়া ছাড়াই ‘নন-ডিসপোজাল’ বা গোপন চুক্তির মাধ্যমে বন্দরের পরিচালনার দায়িত্ব ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়া হয়েছে বা হচ্ছে। এপস্টাইন
কেলেঙ্কারিতে ডিপি ওয়ার্ল্ড প্রধানের নাম আসার পর এই চুক্তি নিয়ে শঙ্কা আরও ঘনীভূত হয়েছে। দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এমন একজন ব্যক্তির প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়া কতটা যৌক্তিক, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অর্থনীতিবিদ ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। এপস্টাইন ফাইলে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নাম থাকা এবং একই ফাইলে ডিপি ওয়ার্ল্ডের চেয়ারম্যানের নাম উঠে আসা—পুরো বিষয়টিকে একই সুতোয় গাঁথছেন অনেকে। সমালোচকদের মতে, আন্তর্জাতিক লবি এবং প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে সখ্যের জের ধরেই তড়িঘড়ি করে চট্টগ্রাম বন্দরের মতো স্পর্শকাতর স্থাপনা বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বন্দরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, বিদেশি বিনিয়োগ স্বাগত, তবে জাতীয় নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা বিসর্জন দিয়ে কোনো
গোপন চুক্তি দেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতির কারণ হতে পারে। এপস্টাইনের মতো অপরাধীর সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা থাকা ব্যক্তির প্রতিষ্ঠানের হাতে দেশের প্রধান বন্দরের চাবি তুলে দেওয়া হচ্ছে কি না, তা নিয়ে সরকারের অবিলম্বে স্বচ্ছ ব্যাখ্যা দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিন সুলাইয়েম এবং জেফরি এপস্টাইনকে অত্যন্ত ঘরোয়া পরিবেশে দেখা গেছে। একটি ছবিতে দেখা যায়, এপস্টাইনের বাসায় রান্নাঘরে তারা একসঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন। অন্য একটি ছবিতে তাদের মধ্যপ্রাচ্যের ঐতিহ্যবাহী পোশাকে হাস্যোজ্জ্বল অবস্থায় দেখা গেছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, ফাঁস হওয়া নথিগুলোর মধ্যে এপস্টাইন একটি ইমেইলে সুলতান আহমেদকে উদ্দেশ্য করে লিখেছিলেন, "You are as wild as I am" (তুমি আমার মতোই বন্য)। এই বাক্যটি দুজনের ব্যক্তিগত সম্পর্কের গভীরতা এবং গোপন জীবনাচরণের ইঙ্গিত দেয় বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। এপস্টাইনের মতো একজন দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীর সঙ্গে এমন ঘনিষ্ঠতা ডিপি ওয়ার্ল্ডের প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। কে এই সুলতান আহমেদ? সুলতান আহমেদ বিন সুলাইয়েম দীর্ঘ ৪২ বছর ধরে ডিপি ওয়ার্ল্ডের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
ফোর্বস মিডল ইস্ট-এর ২০২৩ সালের তথ্য অনুযায়ী, তার আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ প্রায় সাড়ে ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আবাসন খাত এবং বৈশ্বিক অবকাঠামো নির্মাণে তার বিশাল বিনিয়োগ রয়েছে। তার নেতৃত্বেই ডিপি ওয়ার্ল্ড বিশ্বের অন্যতম লজিস্টিক জায়ান্টে পরিণত হয়েছে। তবে এপস্টাইন কেলেঙ্কারিতে তার নাম জড়িয়ে পড়ায় তার ব্যবসায়িক সাম্রাজ্যের নৈতিক ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। চট্টগ্রাম বন্দর ও গোপন চুক্তির অভিযোগ বাংলাদেশের অর্থনীতির লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম বন্দরের একটি বড় অংশের নিয়ন্ত্রণ ডিপি ওয়ার্ল্ডের হাতে তুলে দেওয়া নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই গুঞ্জন চলছে। অভিযোগ উঠেছে, কোনো ধরনের স্বচ্ছ টেন্ডার প্রক্রিয়া ছাড়াই ‘নন-ডিসপোজাল’ বা গোপন চুক্তির মাধ্যমে বন্দরের পরিচালনার দায়িত্ব ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়া হয়েছে বা হচ্ছে। এপস্টাইন
কেলেঙ্কারিতে ডিপি ওয়ার্ল্ড প্রধানের নাম আসার পর এই চুক্তি নিয়ে শঙ্কা আরও ঘনীভূত হয়েছে। দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এমন একজন ব্যক্তির প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়া কতটা যৌক্তিক, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অর্থনীতিবিদ ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। এপস্টাইন ফাইলে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নাম থাকা এবং একই ফাইলে ডিপি ওয়ার্ল্ডের চেয়ারম্যানের নাম উঠে আসা—পুরো বিষয়টিকে একই সুতোয় গাঁথছেন অনেকে। সমালোচকদের মতে, আন্তর্জাতিক লবি এবং প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে সখ্যের জের ধরেই তড়িঘড়ি করে চট্টগ্রাম বন্দরের মতো স্পর্শকাতর স্থাপনা বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বন্দরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, বিদেশি বিনিয়োগ স্বাগত, তবে জাতীয় নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা বিসর্জন দিয়ে কোনো
গোপন চুক্তি দেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতির কারণ হতে পারে। এপস্টাইনের মতো অপরাধীর সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা থাকা ব্যক্তির প্রতিষ্ঠানের হাতে দেশের প্রধান বন্দরের চাবি তুলে দেওয়া হচ্ছে কি না, তা নিয়ে সরকারের অবিলম্বে স্বচ্ছ ব্যাখ্যা দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।



