ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জেলায় জেলায় বাড়ছে আ.লীগের কর্মসূচি, নেতাদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা
শব্দ ও বয়ানের রাজনীতি: বয়েলিং ফ্রগ সিনড্রোম
৩৪.১% শুল্ক থেকে কি মিলবে স্বস্তি? অনিশ্চয়তায় অর্ডার সংকট ও রপ্তানি খাত
আগের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি ব্যয় মেট্রোরেলের নতুন দুই রুটে, প্রশ্নবিদ্ধ দরপত্র প্রক্রিয়া
সারা দেশে শহীদ দিবসে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে উজ্জীবিত আওয়ামী লীগ
বিএনপি ক্ষমতা নেওয়ার পর ভারতে জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা, বাংলাদেশিসহ গ্রেপ্তার ৮
ড. খলিলুর রহমান: পর্দার আড়ালের এক ভয়ঙ্কর ‘কিংমেকার’
কার্টনে পানি, ইতিহাসে তেল : ক্ষমতায় এসেই বিএনপির পুরনো অভ্যাস নতুন মোড়কে
পঞ্চগড়ের বোদায় টিসিবির কার্টন খুলে পানির বোতল বের হয়েছে। খবরটা পড়ে অনেকে হয়তো অবাক হয়েছেন। কিন্তু যারা বিএনপির ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের শাসনামাল দেখেছেন, তারা সম্ভবত খুব একটা চমকাননি। কারণ এই দলের সাথে সরকারি সম্পদ লুটের সম্পর্কটা নতুন না, বহু পুরনো।
একটু পেছনে যাওয়া দরকার। তারেক রহমান যখন হাওয়া ভবন থেকে দেশ চালাতেন, তখন সরকারি প্রকল্প, টেন্ডার, সরবরাহ চুক্তি, সবকিছুতে একটাই নিয়ম ছিল। কমিশন দাও, কাজ নাও। সেই সময়ের দুর্নীতির বিবরণ তদন্ত কমিশনের রিপোর্টে, আদালতের নথিতে, এমনকি যুক্তরাজ্যের আদালতেও উঠে এসেছে। ২০১৬ সালে বাংলাদেশের আদালত তারেক রহমানকে দুর্নীতির মামলায় সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় দশ বছর। এগুলো রাজনৈতিক
প্রতিহিংসার গল্প বলে এড়িয়ে যাওয়া যায়, কিন্তু বারবার একই ধরনের অভিযোগ, একই ধরনের প্রমাণ, একই ধরনের প্যাটার্ন মিলে গেলে সেটাকে আর কাকতাল বলা যায় না। এবার ২০২৬ সালে ফিরে আসি। বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে, আর রমজানের আগে টিসিবির তেলের কার্টনে পানি। এটা কি শুধু একজন অসাধু গুদামকর্মী বা ট্রান্সপোর্টারের কাজ? হয়তো। কিন্তু এই ধরনের চুরি একা একা হয় না। সরবরাহ শৃঙ্খলের প্রতিটা স্তরে যখন জবাবদিহিতা থাকে না, উপরের মহল থেকে যখন সংকেত আসে যে ধরা পড়লেও কিছু হবে না, তখনই নিচের স্তরের লোকজন এই সাহস পায়। সেই সংস্কৃতি বিএনপির শাসনামলে কীভাবে তৈরি হয়েছিল সেটা দেশ দেখেছে। টিসিবি মানে সরকারি নিরাপত্তা জাল, যেটা দিয়ে
দেশের সবচেয়ে প্রান্তিক মানুষগুলো টিকে থাকে। সেখানে হাত দেওয়া মানে ওই মানুষগুলোর মুখের গ্রাস কেড়ে নেওয়া। রমজানে সেটা করা মানে আরও নির্লজ্জ। কিন্তু নির্লজ্জতা বিএনপির জন্য নতুন কিছু না। ২০০৪ সালে বাগেরহাটে রিলিফের চাল আত্মসাতের অভিযোগ, বন্যার ত্রাণ নিয়ে দলীয় নেতাদের ভাগবাটোয়ারার অভিযোগ, সেগুলোও তখন এভাবেই শুরু হয়েছিল। সবচেয়ে তিক্ত বিষয়টা হলো, বোদার ঘটনায় ধরা পড়েছে কারণ একজন শ্রমিক ওজন মেপে সন্দেহ করেছিল। সিস্টেম ধরেনি, একজন সাধারণ মানুষ ধরেছে। এই একটা তথ্যই বলে দেয় প্রাতিষ্ঠানিক নজরদারি কোথায় আছে। আর যে কার্টনটা ধরা পড়েছে, সেটা একটা ট্রাকের একটা কার্টন। বাকি ট্রাকগুলোতে কী ছিল, সেটা কে পরীক্ষা করেছে? ইতিহাস শুধু পুনরাবৃত্তি হচ্ছে না, এবার
হয়তো আরও দ্রুত হচ্ছে।
প্রতিহিংসার গল্প বলে এড়িয়ে যাওয়া যায়, কিন্তু বারবার একই ধরনের অভিযোগ, একই ধরনের প্রমাণ, একই ধরনের প্যাটার্ন মিলে গেলে সেটাকে আর কাকতাল বলা যায় না। এবার ২০২৬ সালে ফিরে আসি। বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে, আর রমজানের আগে টিসিবির তেলের কার্টনে পানি। এটা কি শুধু একজন অসাধু গুদামকর্মী বা ট্রান্সপোর্টারের কাজ? হয়তো। কিন্তু এই ধরনের চুরি একা একা হয় না। সরবরাহ শৃঙ্খলের প্রতিটা স্তরে যখন জবাবদিহিতা থাকে না, উপরের মহল থেকে যখন সংকেত আসে যে ধরা পড়লেও কিছু হবে না, তখনই নিচের স্তরের লোকজন এই সাহস পায়। সেই সংস্কৃতি বিএনপির শাসনামলে কীভাবে তৈরি হয়েছিল সেটা দেশ দেখেছে। টিসিবি মানে সরকারি নিরাপত্তা জাল, যেটা দিয়ে
দেশের সবচেয়ে প্রান্তিক মানুষগুলো টিকে থাকে। সেখানে হাত দেওয়া মানে ওই মানুষগুলোর মুখের গ্রাস কেড়ে নেওয়া। রমজানে সেটা করা মানে আরও নির্লজ্জ। কিন্তু নির্লজ্জতা বিএনপির জন্য নতুন কিছু না। ২০০৪ সালে বাগেরহাটে রিলিফের চাল আত্মসাতের অভিযোগ, বন্যার ত্রাণ নিয়ে দলীয় নেতাদের ভাগবাটোয়ারার অভিযোগ, সেগুলোও তখন এভাবেই শুরু হয়েছিল। সবচেয়ে তিক্ত বিষয়টা হলো, বোদার ঘটনায় ধরা পড়েছে কারণ একজন শ্রমিক ওজন মেপে সন্দেহ করেছিল। সিস্টেম ধরেনি, একজন সাধারণ মানুষ ধরেছে। এই একটা তথ্যই বলে দেয় প্রাতিষ্ঠানিক নজরদারি কোথায় আছে। আর যে কার্টনটা ধরা পড়েছে, সেটা একটা ট্রাকের একটা কার্টন। বাকি ট্রাকগুলোতে কী ছিল, সেটা কে পরীক্ষা করেছে? ইতিহাস শুধু পুনরাবৃত্তি হচ্ছে না, এবার
হয়তো আরও দ্রুত হচ্ছে।



