ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জুলাইয়ের পর রান্নাঘরেও বিপ্লব, গ্যাস সংকটের আড়ালে সিন্ডিকেটের স্বর্গরাজ্য : আমদানি কমলো দেড় লাখ টন, চুলা নিভলো কোটি ঘরে
ডেভিল হান্টের নামে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক মব সন্ত্রাস চালানো হচ্ছে
বিদ্যুৎ খাতের নীরব সংকট, বকেয়া বিল ও বৈষম্যমূলক আচরণ বিনিয়োগ আস্থা ও সরবরাহ স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকিতে ফেলছে
ভোটাধিকার হরণ ও ‘হ্যাঁ-না’ ভোটের নাটক: গণতন্ত্রের নামে এক নির্মম রাষ্ট্রীয় প্রহসন
জঙ্গিদের নতুন বৈশ্বিক হাব বাংলাদেশ: রাষ্ট্রীয় ও সামরিক পৃষ্ঠপোষকতায় চরম ঝুঁকির মুখে আঞ্চলিক নিরাপত্তা!
জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে সাংবিধানিক সংকট, হাইকোর্টে জনস্বার্থে রিট
হাওয়া ভবনের চাঁদাবাজির টাকা ফেরত চায়, চাঁদাবাজকে এসএসএফ প্রটোকল কেন? প্রশ্নের মুখে তারেক রহমান
কাঁপছে ঢাকার মসনদ, কী বার্তা আসছে দিল্লি থেকে? দিল্লির প্রেস ক্লাবে বিশ্ব মিডিয়ার মুখোমুখি শেখ হাসিনা
নয়াদিল্লি/ঢাকা: দীর্ঘ ১৫ মাসের নীরবতা ভেঙে অবশেষে প্রকাশ্যে আসছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী ২৩ তারিখ ভারতের দিল্লিতে প্রথমবারের মতো বিদেশি মিডিয়ার সামনে তিনি মুখ খুলতে যাচ্ছেন। তবে এটি কোনো সাধারণ সংবাদ সম্মেলন হচ্ছে না; বরং একে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসের একগুঁয়েমির বিরুদ্ধে একটি ‘কূটনৈতিক সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ হিসেবেই দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
জানা গেছে, দিল্লি প্রেস ক্লাবে শেখ হাসিনার একটি লিখিত ভাষণ ডিসপ্লেতে প্রদর্শন করা হবে এবং এরপর ভার্চুয়ালি তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেবেন। এতদিন ইমেইলে বিবৃতি দিলেও এবার তিনি সরাসরি তোপ দাগতে যাচ্ছেন।
ভারত, ইউরোপ এবং আমেরিকা দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশে সব দলের অংশগ্রহণে একটি ‘ইনক্লুসিভ’ বা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের তাগিদ
দিয়ে আসছে। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ড. ইউনূস সেই প্রস্তাব বারবার নাকচ করে চলেছেন। কূটনৈতিক মহলের মতে, বাংলাদেশে ইনক্লুসিভ নির্বাচন ছাড়া কোনো সরকারই দীর্ঘস্থায়ী হতে পারবে না। জোর করে নির্বাচন চাপিয়ে দিলে তার কোনো বিশ্বাসযোগ্যতা থাকবে না, যা আখেরে দেশকেই অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দেবে। দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোও পশ্চিমাদের এই প্রস্তাবকে সরাসরি নাকচ করেনি, যা ইউনূস সরকারের জন্য অশনিসংকেত। ভারতের ধৈর্য ও কঠোর বার্তা গত ১৫ মাসে অন্তর্বর্তী সরকার ভারতের সঙ্গে যে বৈরী আচরণ করেছে, তার জবাবে ভারত কোনো প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেয়নি। ভারত চাইলে যেকোনো মুহূর্তে বাংলাদেশকে চাপে ফেলতে পারত, কিন্তু তারা গণতান্ত্রিক উপায়ে সমস্যার সমাধান চেয়েছে। তবে এই ১৫ মাসে
দেশের মানুষ, বিএনপি, জামায়াতসহ সব রাজনৈতিক পক্ষ হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে—ভারতকে পাশ কাটিয়ে বাংলাদেশ চলতে পারে না। ভারত আওয়ামী লীগের পক্ষে অন্যায্য কোনো প্রভাব বিস্তার করছে না, বরং তারা চায় একটি সুসংবদ্ধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন। বিপুল জনসমর্থনপুষ্ট একটি দলকে নির্বাচনের বাইরে রাখা যে আন্তর্জাতিক মহল মেনে নেবে না, সেটিই এখন স্পষ্ট। দিল্লিতে গোপন বৈঠক ও সমন্বিত পরিকল্পনা ২৩ তারিখের এই সংবাদ সম্মেলন ড. ইউনূসের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত দিল্লিতে অবস্থান করছেন। ধারণা করা হচ্ছে, পশ্চিমা বিশ্বের প্রতিনিধিদের সাথে নিয়ে একটি সমন্বিত পরিকল্পনার ছক কষা হচ্ছে, যা ইউনূস সরকারের একপেশে নির্বাচন আয়োজনের স্বপ্নকে ধূলিসাৎ করে দিতে পারে। দূতাবাসের
পরিবার প্রত্যাহার: চূড়ান্ত সতর্কবার্তা পরিস্থিতি যে কতটা ভয়াবহ হতে যাচ্ছে, তার ইঙ্গিত মিলেছে ভারতের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তে। নিরাপত্তা জনিত কারণ দেখিয়ে ভারত ইতিমধ্যে বাংলাদেশে তাদের ৫টি দূতাবাসের কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের দেশে ফেরার নির্দেশ দিয়েছে। কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি কেবল নিরাপত্তার ইস্যু নয়, বরং ইনক্লুসিভ নির্বাচনের প্রশ্নে ভারতের ‘অনমনীয়’ অবস্থানের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ। ড. ইউনূস যদি এখনো একগুঁয়েমি পরিহার না করেন এবং সব দলকে নিয়ে নির্বাচনের পথে না হাঁটেন, তবে বাংলাদেশের পরিস্থিতি কোন অতল গহ্বরে গিয়ে ঠেকবে—ভারতীয় কূটনীতিকদের পরিবার ফিরিয়ে নেওয়ার ঘটনাই তার আগাম বার্তা দিচ্ছে। ২৩ তারিখের পর দৃশ্যপট কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।
দিয়ে আসছে। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ড. ইউনূস সেই প্রস্তাব বারবার নাকচ করে চলেছেন। কূটনৈতিক মহলের মতে, বাংলাদেশে ইনক্লুসিভ নির্বাচন ছাড়া কোনো সরকারই দীর্ঘস্থায়ী হতে পারবে না। জোর করে নির্বাচন চাপিয়ে দিলে তার কোনো বিশ্বাসযোগ্যতা থাকবে না, যা আখেরে দেশকেই অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দেবে। দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোও পশ্চিমাদের এই প্রস্তাবকে সরাসরি নাকচ করেনি, যা ইউনূস সরকারের জন্য অশনিসংকেত। ভারতের ধৈর্য ও কঠোর বার্তা গত ১৫ মাসে অন্তর্বর্তী সরকার ভারতের সঙ্গে যে বৈরী আচরণ করেছে, তার জবাবে ভারত কোনো প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেয়নি। ভারত চাইলে যেকোনো মুহূর্তে বাংলাদেশকে চাপে ফেলতে পারত, কিন্তু তারা গণতান্ত্রিক উপায়ে সমস্যার সমাধান চেয়েছে। তবে এই ১৫ মাসে
দেশের মানুষ, বিএনপি, জামায়াতসহ সব রাজনৈতিক পক্ষ হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে—ভারতকে পাশ কাটিয়ে বাংলাদেশ চলতে পারে না। ভারত আওয়ামী লীগের পক্ষে অন্যায্য কোনো প্রভাব বিস্তার করছে না, বরং তারা চায় একটি সুসংবদ্ধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন। বিপুল জনসমর্থনপুষ্ট একটি দলকে নির্বাচনের বাইরে রাখা যে আন্তর্জাতিক মহল মেনে নেবে না, সেটিই এখন স্পষ্ট। দিল্লিতে গোপন বৈঠক ও সমন্বিত পরিকল্পনা ২৩ তারিখের এই সংবাদ সম্মেলন ড. ইউনূসের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত দিল্লিতে অবস্থান করছেন। ধারণা করা হচ্ছে, পশ্চিমা বিশ্বের প্রতিনিধিদের সাথে নিয়ে একটি সমন্বিত পরিকল্পনার ছক কষা হচ্ছে, যা ইউনূস সরকারের একপেশে নির্বাচন আয়োজনের স্বপ্নকে ধূলিসাৎ করে দিতে পারে। দূতাবাসের
পরিবার প্রত্যাহার: চূড়ান্ত সতর্কবার্তা পরিস্থিতি যে কতটা ভয়াবহ হতে যাচ্ছে, তার ইঙ্গিত মিলেছে ভারতের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তে। নিরাপত্তা জনিত কারণ দেখিয়ে ভারত ইতিমধ্যে বাংলাদেশে তাদের ৫টি দূতাবাসের কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের দেশে ফেরার নির্দেশ দিয়েছে। কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি কেবল নিরাপত্তার ইস্যু নয়, বরং ইনক্লুসিভ নির্বাচনের প্রশ্নে ভারতের ‘অনমনীয়’ অবস্থানের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ। ড. ইউনূস যদি এখনো একগুঁয়েমি পরিহার না করেন এবং সব দলকে নিয়ে নির্বাচনের পথে না হাঁটেন, তবে বাংলাদেশের পরিস্থিতি কোন অতল গহ্বরে গিয়ে ঠেকবে—ভারতীয় কূটনীতিকদের পরিবার ফিরিয়ে নেওয়ার ঘটনাই তার আগাম বার্তা দিচ্ছে। ২৩ তারিখের পর দৃশ্যপট কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।



