‘কসম’ সংগ্রহে হুড়োহুড়ি – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৪ মার্চ, ২০২৫
     ৩:৪৮ অপরাহ্ণ

আরও খবর

হাওয়া ভবনের চাঁদাবাজির টাকা ফেরত চায়, চাঁদাবাজকে এসএসএফ প্রটোকল কেন? প্রশ্নের মুখে তারেক রহমান

জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে কামরুল হাসান রিপন: ‘মব’ হামলায় রক্তাক্ত পরিবারের সামনেই পৈশাচিক নির্যাতন চালিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ

স্বাধীনতার শত্রুদের প্রতি এক বাঙালি নারীর বজ্রকণ্ঠী হুঙ্কার: ‘চোখ উপড়ে পাকিস্তানে পাঠাবো!’

জুলাই ষড়যন্ত্রের অভিশাপ: ধসে পড়ছে দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড গার্মেন্টস শিল্প

গণতন্ত্র নয়, নির্বাচনের নাটক: বাংলাদেশকে কোন পথে ঠেলে দিচ্ছে এই ভোট?

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ম পদাতিক ডিভিশনের রামু সদরদপ্তরে মার্কিন অটিজম বিশেষজ্ঞদের ‘রহস্যজনক’ সফর

মা আন্দোলনকারীদের হত্যা করতে চাইলে এখনও ক্ষমতায় থাকতেন: সজীব ওয়াজেদ জয়

‘কসম’ সংগ্রহে হুড়োহুড়ি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৪ মার্চ, ২০২৫ | ৩:৪৮ 131 ভিউ
নান্দাইল উপজেলার নরসুন্দা নদী খনন কাজে পাওয়া যায় এক ধরনের কালো মাটি। স্থানীয়দের কাছে যা ‘কসম’ নামে পরিচিত। রান্নাবান্নায় বিকল্প জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা যায় বলে নদীতীরের বাসিন্দাদের কসম সংগ্রহে হুড়োহুড়ি চলছে। ‘কসম’ এক ধরনের কালো মাটি, যা প্রাচীন কোনো জলাশয়, নদীর তীর বা তলদেশে পাওয়া যায়। সাধারণ মাটি থেকে কসম একটু কালো এবং ওজনে হালকা। এ মাটি রোদে শুকিয়ে সারাবছর রান্নাবান্নার কাজে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা যায়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নান্দাইলের নরসুন্দা নদীর পানি প্রবাহ বৃদ্ধি এবং সারাবছর নৌ চলাচল সুবিধা রক্ষায় নদীটির ২৩ কিলোমিটার খননের উদ্যোগ নেয় পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। ২০ দিন আগে ১৩টি খননযন্ত্র (ভেকু) দিয়ে উপজেলার

পূর্ব সীমানা চংভাদেড়া গ্রামে নদী খনন শুরু হয়। খননকাজ এগিয়ে কালিগঞ্জ বাজার পার হয়ে শুভখিলা রেল সেতু পর্যন্ত এসেছে। খনন করতে গিয়ে নদীর কাদামাটির নিচে বা পাশে এক ধরনের হালকা কালো মাটি পাওয়া যাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা সে মাটি সংগ্রহের জন্য হুড়োহুড়ি শুরু করে দিয়েছে। কে কার আগে বেশি সংগ্রহ করবে তা নিয়ে প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চলছে প্রতিযোগিতা। গত মঙ্গলবার কালিগঞ্জ বাজারের কাছে এবং শুভখিলা গ্রামে রেল সেতুর নিচে গিয়ে দেখা যায় খনন কাজ চলছে। খনন যন্ত্রের আশপাশে দুই পারের বিভিন্ন বয়সের লোক কোদাল, শাবল নিয়ে যে যেভাবে পারছে কসম সংগ্রহ করছে। তাদের কারও হাতে বস্তা বা কারও হাতে বড়

গামলা বা খাদি। সেসব ভরে ভরে মাটি পারে নিয়ে জমা করছে। কেউ কেউ আবার নদীর মাটির নিচে পাওয়া অর্ধপচা প্রকাণ্ড গাছের গুঁড়ি কেটে কেটে লাকড়ি সংগ্রহের কাজে ব্যস্ত। কসম সংগ্রহে আসা কয়েকজন জানান, বেশ কয়েক বছর আগে এখানে নদীর তীরে কালো মাটি পাওয়া গিয়েছিল। কৌতূহলবশত সে মাটি শুকিয়ে দেখা যায় ভালো জ্বলে। মাঝখানে আর সে মাটি পাওয়া যায়নি বলে ব্যবহারও করা যায়নি। নদী খনন করতে গিয়ে এখন সে মাটির সন্ধান পাওয়া গেছে। বাহাদুরপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাক এবং শুভখিলা গ্রামের শামছুল হক জানান, বাপ-দাদার কাছে শুনেছেন, বড় বড় গাছপালা নদীর মাটির নিচে চাপা পড়ে এ ধরনের কালো মাটিতে পরিণত হয়েছে। শুদ্ধ ভাষায়

এ মাটিকে জীবাশ্ম জ্বালানি বলা হলেও স্থানীয়ভাবে নাম দিয়েছেন কসম। রান্নাবান্নায় কসম যে কোনো লাকড়ি বা গ্যাসের চেয়েও বেশি জ্বলে, রান্নাও হয় দ্রুত। দু-একটি টুকরো দিয়েই সব রান্না হয়ে যায়। নরেন্দ্রপুরের হাবিবুর রহমান বলেন, ‘কসম’ সাধারণ মাটির মতোই, তবে একটু কালো ও নরম। সংগ্রহের পর টুকরা টুকরা করে ১৫ থেকে ২০ দিন রোদে শুকাতে হয়। এরপর সারাবছর রান্নার জন্য জ্বালানি হিসেবে মজুত রাখা হয়। কালিগঞ্জ বাজারের কাছের বাসিন্দা দিগেন্দ্র জানান, নদীতীরের বেশ কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দা এ মাটি সংগ্রহ করছেন। তিনিও ঝালমুড়ি বিক্রির ব্যবসা বন্ধ রেখে কয়েক দিন ধরে কসম সংগ্রহ করছেন। যে পরিমাণ কসম সংগ্রহ করেছেন তাতে আগামী ৪ মাস তাঁর

জ্বালানি খাতে কোনো টাকা খরচ করতে হবে না। রিপা রানী নামে একজন বলেন, ‘স্বামীকে নিয়ে বেশ কয়েক দিন ধরে এ মাটি সংগ্রহ করছি। এখন আর শরীরে দিচ্ছে না, না হলে সারাবছরের জ্বালানির সমস্যা মিটে যেত।’ কথা হয় রাজগাতী ইউপি চেয়ারম্যান ইফতেখার মমতাজ খোকনের সঙ্গে। তাঁর ভাষ্য, মাটি সংগ্রহে নদীতীরের বাসিন্দাদের মধ্যে উৎসব বিরাজ করছে। বিশেষ করে অসচ্ছল পরিবারগুলোর জন্য এটি দারুণ সুযোগ। নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সারমিনা সাত্তার বলেন, ‘এ ধরনের মাটি পাওয়া গেলে খুবই ভালো একটি খবর। আমরা যত বেশি জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার করতে পারব, ততই আমাদের বনাঞ্চল সংরক্ষিত থাকবে। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব।’

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
হাওয়া ভবনের চাঁদাবাজির টাকা ফেরত চায়, চাঁদাবাজকে এসএসএফ প্রটোকল কেন? প্রশ্নের মুখে তারেক রহমান জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে কামরুল হাসান রিপন: ‘মব’ হামলায় রক্তাক্ত পরিবারের সামনেই পৈশাচিক নির্যাতন চালিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ স্বাধীনতার শত্রুদের প্রতি এক বাঙালি নারীর বজ্রকণ্ঠী হুঙ্কার: ‘চোখ উপড়ে পাকিস্তানে পাঠাবো!’ জুলাই ষড়যন্ত্রের অভিশাপ: ধসে পড়ছে দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড গার্মেন্টস শিল্প গণতন্ত্র নয়, নির্বাচনের নাটক: বাংলাদেশকে কোন পথে ঠেলে দিচ্ছে এই ভোট? বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ম পদাতিক ডিভিশনের রামু সদরদপ্তরে মার্কিন অটিজম বিশেষজ্ঞদের ‘রহস্যজনক’ সফর মা আন্দোলনকারীদের হত্যা করতে চাইলে এখনও ক্ষমতায় থাকতেন: সজীব ওয়াজেদ জয় ঢাকায় ‘আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সেনাপ্রধান: সেনাবাহিনীতে ‘ইসলামীকরণ’ ও আইন লঙ্ঘন নিয়ে বিতর্ক নয়াদিল্লিতে আ.লীগ নেতাদের সংবাদ সম্মেলন: কর্মীদের উচ্ছ্বাস, আন্তর্জাতিক প্রচার জোরদারের নির্দেশ শেখ হাসিনার হাইকোর্টের রুলকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে গ্রামীণফোনকে ৬ হাজার কোটি টাকার তরঙ্গ দেয়ার নজিরবিহীন তোড়জোড়! ড: ইউনুস রাষ্ট্রকে ভিক্ষার পণ্যে পরিণত করা এক আন্তর্জাতিক দালাল আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করে নির্বাচনের নীল নকশার প্রতিবাদে ও ইউনুস সরকারের পদত্যাগ দাবিতে ২০১ প্রকৌশলীর বিবৃতি বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ধ্বংসের দায় কার? বাংলাদেশে আসন্ন নির্বাচন কোনো স্বচ্ছ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নয়। এটি অবৈধ জামাতি ইউনুস সরকারের সাজানো নাটক। – সজীব ওয়াজেদ জয় গাইবান্ধায় লঙ্কাকাণ্ড: আসিফ নজরুলকে জুতা প্রদর্শন, ‘ভুয়া’ স্লোগানে পণ্ড সভা মৃত্যুদণ্ড দিয়েও দমানো যাবে না, জনগণ নৌকাই চায়: কড়া হুঙ্কার শেখ হাসিনার সীতাকুণ্ডে জঙ্গিদের গুলিতে র‍্যাব কর্মকর্তা নিহত, ৩ জন অপহৃত: চরম আইনশৃঙ্খলা বিপর্যয়ের শঙ্কা ক্ষমা চাইবার রাজনীতি বনাম সত্যের রাজনীতি: নওফেলের বক্তব্য কেন বিরোধীদের ঘুম হারাম করেছে খুলনায় এনসিপির পরিচয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদাবাজি: আটক ৩ অবৈধ সরকারের পালিত ‘মব সন্ত্রাসীদের’ পৈশাচিক হামলায় রক্তাক্ত জননেতা কামরুল হাসান রিপন: অবিলম্বে মুক্তির দাবি