কপালে আঘাতের দগদগে চিহ্ন দিচ্ছে খুনের সাক্ষ্য: আশিকুরের মৃত্যু ‘স্বাভাবিক’ নয়, ‘রাষ্ট্রীয় হত্যাকাণ্ড’ এক নজরে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫

কপালে আঘাতের দগদগে চিহ্ন দিচ্ছে খুনের সাক্ষ্য: আশিকুরের মৃত্যু ‘স্বাভাবিক’ নয়, ‘রাষ্ট্রীয় হত্যাকাণ্ড’ এক নজরে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ |
নির্যাতনের অকাট্য প্রমাণ: মৃতদেহের কপালে স্পষ্ট গভীর ক্ষতচিহ্ন; পরিবারের দাবি, রিমান্ডে ও জেলে অমানবিক পিটুনিতেই মৃত্যু। ধারাবাহিক হত্যাযজ্ঞ: ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলে কারাগারে নিরাপত্তা নেই, একের পর এক প্রাণ হারাচ্ছেন আওয়ামী লীগ নেতারা। লাশ নিয়ে লুকোচুরি: মৃত্যুর পর ছবি তুলতে বাধা এবং নিজ এলাকায় জানাজা নিষিদ্ধ করে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা প্রশাসনের। মানবাধিকার লঙ্ঘন: বিনা বিচারে হেফাজতে মৃত্যু এবং ধর্মীয় অধিকার হরণ—প্রশ্নবিদ্ধ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ‘ন্যায়বিচার’। নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: কারাগারের চার দেয়ালের ভেতর আবারও ঝরল রক্ত। বাড্ডা থানার ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এবং ৩৮ নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ নেতা আশিকুর রহমান বাবুর কারাবন্দী অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। তবে লাশের শরীরে, বিশেষ করে কপালে দৃশ্যমান আঘাতের চিহ্ন দেখে

পরিবার ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা একে ‘স্বাভাবিক মৃত্যু’ মানতে নারাজ। তাদের দাবি, এটি বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও নির্যাতনের ফসল—একটি পরিকল্পিত ‘রাষ্ট্রীয় হত্যাকাণ্ড’। নির্যাতনের নীরব সাক্ষী ‘কপালের ক্ষত’ কারা কর্তৃপক্ষ আশিকুরের মৃত্যুকে অসুস্থতাজনিত বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলেও, প্রকাশ্যে আসা মৃতদেহের একটি ছবি সেই দাবিকে মিথ্যা প্রমাণ করেছে। অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে তোলা ওই ছবিতে দেখা যায়, আশিকুরের কপালে কালচে রঙের গভীর আঘাতের চিহ্ন। অভিযোগ উঠেছে, রিমান্ডে এবং জেলহাজতে থাকাকালীন তার ওপর পৈশাচিক নির্যাতন চালানো হয়েছে। একটি সভ্য দেশের বিচার ব্যবস্থায় আসামির শরীরে এমন আঘাতের চিহ্ন থাকার পরও একে স্বাভাবিক মৃত্যু বলাটা ড. ইউনূসের সরকারের চরম মিথ্যাচার বলে মনে করছেন ভুক্তভোগীরা। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের

দাবি, আশিকুর রহমান বাবুর মৃত্যু কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে বিরোধী মত দমনে ‘নিধন অভিযান’ চালাচ্ছে। গ্রেফতারের নামে নেতাকর্মীদের জেলে ভরা হচ্ছে এবং সেখানে তাদের ওপর মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন চালানো হচ্ছে। আশিকুরের মৃত্যু এই ধারাবাহিক হত্যাযজ্ঞেরই সর্বশেষ উদাহরণ। মানবাধিকারের বুলি আউড়ানো এই সরকারের হাতে এখন বিরোধীদের রক্তের দাগ। সরকারের ভীতসন্ত্রস্ত আচরণ প্রকাশ পেয়েছে আশিকুরের মৃত্যুর পরবর্তী পদক্ষেপে। হাসপাতালে বা মর্গে কাউকে তার মৃতদেহের ছবি তুলতে দেওয়া হয়নি। এমনকি বাড্ডায়, যেখানে তিনি দীর্ঘকাল নেতৃত্ব দিয়েছেন, সেখানে তার জানাজা পর্যন্ত করতে দেয়নি প্রশাসন। কড়া পুলিশি পাহারায় তড়িঘড়ি করে দাফন সম্পন্ন করার মাধ্যমে সরকার প্রমাণ করেছে

তারা সত্য লুকাতে চায়। স্থানীয়দের ক্ষোভ, “একজন মুসলমানের জানাজার অধিকার কেড়ে নেওয়া কোন ধরনের সংস্কার?” এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন আশিকুরের স্বজন ও অনুসারীরা। তারা বলছেন, “কারাগারকে টর্চার সেলে পরিণত করেছেন ড. ইউনূস। বিনা বিচারে এভাবে মানুষ হত্যার দায় সরকার এড়াতে পারে না। কপালে আঘাতের ওই চিহ্নই বলে দিচ্ছে, আশিকুর মরেনি, তাকে রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে হত্যা করা হয়েছে।”

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ঝরল ৩২টি প্রাণ: পাহাড়ধস ও ভাঙা বেড়িবাঁধে বাঁশখালীর এক লাখ মানুষের নির্ঘুম রাত ভাষা শহিদদের স্মরণে নির্মিত শহিদ মিনারের চারপাশ ঘিরে শৌচাগার নির্মাণ ২৯৭ জনের প্রকল্পে কাজ করেন ৫০ জন, বাকিরা ভুয়া! সরকারি প্রকল্পে ব্যাপক হরিলুট মব-মামলা-নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কা না করে চট্টগ্রামের পানিবন্দী মানুষের মাঝে ছাত্রলীগের খাবার বিতরণ দুর্নীতি ও ব্যর্থতায় জর্জরিত পাকিস্তানি সিটি প্রকল্পকে অনুসরণের পরিকল্পনা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ইসরায়েলি অস্ত্র কোম্পানির স্বার্থ রক্ষায় ফিলিস্তিনপন্থি শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা কিংস-অক্সফোর্ড কর্তৃপক্ষের নিজেদের বিতর্কিত সিদ্ধান্তের পক্ষে সাফাই গাইলেন ফিফার রেফারিং প্রধান ফ্রান্সের শৈল্পিকতা বনাম মরক্কোর দৃঢ়তা তীব্র জ্বালানি সংকটে আরও কয়েকশ কারখানা বন্ধের পথে ৭ বছর আগে কেনা জমিতে বাড়ি নির্মাণে বাধা, তদন্তে সরকারি জমি দখলের প্রমাণ মেলেনি চাঁদার দাবিতে জমির মালিককে হত্যার হুমকি দিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করলেন জামায়াত নেতা ২১ মাস পর জামিন, জেলগেট থেকে আবার গ্রেপ্তার: বাবার জানাজায় যেতে দেওয়া হয়নি ছাত্রলীগ নেতা সজিবকে অর্থনীতিতে এশিয়ার ইমার্জিং টাইগার বাংলাদেশ এখন উগান্ডা-ঘানারও পেছনে, বৈদেশিক বিনিয়োগে চরম খরা অর্থনৈতিক বিপর্যয়: এনপিএল খাতে বৈশ্বিক তালিকার শীর্ষে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেন, দ্বিতীয় বাংলাদেশ জুলাইযোদ্ধার নতুন আবেদনের ২০০টি ভুয়া, ৬০০টির তথ্য বিকৃতিসহ মিলেছে অনিয়ম-অসংগতি ‘ইসলামিক রিপাবলিক অভ জাপান আমাদের ওপর ১১১টি মিসাইল ছুড়েছে’, বললেন ট্রাম্প ১৫ রোগীকে হত্যার দায়ে জার্মান চিকিৎসকের যাবজ্জীবন, আরও হত্যাকাণ্ডের সন্দেহ ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে হামলা, দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের শঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ন্যাটো সম্মেলনের আগেই যুক্তরাষ্ট্রকে পাশ কাটিয়ে ৯০ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র চুক্তি কানাডা-ইউরোপের কুষ্টিয়ায় হাসপাতালের ওটি থেকে রোগীর এক পা গায়েব!