ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নতুন ভিসি পেল ১১ বিশ্ববিদ্যালয়
প্রজ্ঞাপনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বেরোবি উপাচার্যের নিয়োগ বাতিল
পবিপ্রবি শিক্ষকদের ওপর হামলায় বিএনপির ২৬ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেফতার ১
২০২৭ সালের এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা
আগামী বছর এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার সম্ভাব্য সময় জানালো মন্ত্রণালয়
স্কুলে যাওয়ার কথা বলে একসঙ্গে ৪ ছাত্রী নিখোঁজ
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ঈদ বোনাস নিয়ে যা জানা গেল
এসএসসি পরীক্ষায় বসছে ১৮ লাখ পরীক্ষার্থী
সারাদেশে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা আগামীকাল মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) থেকে শুরু হচ্ছে। এবারের পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে।
বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে পরীক্ষার সূচনা হবে। লিখিত পরীক্ষা চলবে আগামী ২০ মে পর্যন্ত এবং প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ৭ জুন থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়া হবে।
এবার ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী রয়েছে ১৪ লাখ ১৮ হাজারের বেশি। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষার্থী ৩ লাখের বেশি এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অংশ নিচ্ছে ১ লাখ ৩৪ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। সারা দেশে মোট ৩ হাজার
৮৮৫টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন। গত বছরের তুলনায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে প্রায় ৭১ হাজার ৬২৬ জন। পরীক্ষার কাঠামো অনুযায়ী, প্রতিটি বিষয়ে প্রথমে বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) এবং পরে সৃজনশীল বা রচনামূলক অংশের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যতীত)। দুই অংশের মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না। বহুনির্বাচনী অংশের জন্য সময় ৩০ মিনিট এবং সৃজনশীল অংশের জন্য সময় ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট নির্ধারণ করা হয়েছে। শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী, পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। প্রবেশপত্র সঙ্গে আনতে
হবে এবং তা সংরক্ষণে রাখতে হবে। পরীক্ষা চলাকালে কোনো অবস্থাতেই মোবাইল ফোন সঙ্গে রাখা যাবে না। উত্তরপত্র ভাঁজ করা নিষেধ এবং ওএমআর ফরমে রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও বিষয় কোড সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। এছাড়া পরীক্ষায় শুধু সাধারণ নন-প্রোগ্রামেবল সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে। পরীক্ষার্থীরা নিবন্ধনপত্রে উল্লেখিত বিষয় ছাড়া অন্য কোনো বিষয়ে অংশ নিতে পারবে না। প্রতিটি শিক্ষার্থীকে বহুনির্বাচনী, সৃজনশীল এবং ব্যবহারিক—এই তিন অংশে পৃথকভাবে পাস করতে হবে। কোনো একটি অংশে অকৃতকার্য হলে পুরো বিষয়ে অকৃতকার্য হিসেবে গণ্য করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
৮৮৫টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন। গত বছরের তুলনায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে প্রায় ৭১ হাজার ৬২৬ জন। পরীক্ষার কাঠামো অনুযায়ী, প্রতিটি বিষয়ে প্রথমে বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) এবং পরে সৃজনশীল বা রচনামূলক অংশের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যতীত)। দুই অংশের মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না। বহুনির্বাচনী অংশের জন্য সময় ৩০ মিনিট এবং সৃজনশীল অংশের জন্য সময় ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট নির্ধারণ করা হয়েছে। শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী, পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। প্রবেশপত্র সঙ্গে আনতে
হবে এবং তা সংরক্ষণে রাখতে হবে। পরীক্ষা চলাকালে কোনো অবস্থাতেই মোবাইল ফোন সঙ্গে রাখা যাবে না। উত্তরপত্র ভাঁজ করা নিষেধ এবং ওএমআর ফরমে রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও বিষয় কোড সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। এছাড়া পরীক্ষায় শুধু সাধারণ নন-প্রোগ্রামেবল সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে। পরীক্ষার্থীরা নিবন্ধনপত্রে উল্লেখিত বিষয় ছাড়া অন্য কোনো বিষয়ে অংশ নিতে পারবে না। প্রতিটি শিক্ষার্থীকে বহুনির্বাচনী, সৃজনশীল এবং ব্যবহারিক—এই তিন অংশে পৃথকভাবে পাস করতে হবে। কোনো একটি অংশে অকৃতকার্য হলে পুরো বিষয়ে অকৃতকার্য হিসেবে গণ্য করা হবে বলে জানানো হয়েছে।



