ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
টিসিবির ট্রাকের পিছে ছুটছে বাংলাদেশ
ক্ষমতার দাপটে মানবিকতাও আজ বন্দি – মনে রেখো বাংলাদেশ, মিথ্যা মামলাই এই সরকারের রাজনীতি
জামাত-বিএনপির দ্বন্দ্বে মসজিদে তালা, বাইরেই নামজ পড়লো মুসল্লিরা
ক্সবাজারের রামু মায়ের পর এবার বাবাকেও হারালেন কারাবন্দী সেই দুই ভাই
৫ আগস্টের সহিংস অভ্যুত্থানে ‘ক্যাপ্টাগন’ ব্যবহারের অভিযোগ: তদন্তের দাবি জোরালো
টানা ১৮ মাস ধরে তালাবদ্ধ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অবিচল ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন কার্যালয়
ফরিদপুরে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন
এনসিপি নেতা আশরাফ মাহদীর বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) অন্যতম শীর্ষ নেতা ও যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ মাহদীর বিরুদ্ধে রাজধানীর একটি মাদরাসার শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। চাঞ্চল্যকর এই অভিযোগ সামনে আসার পর প্রশ্ন উঠেছে অতীতে তাকে মাদরাসা থেকে চাকরিচ্যুত করার প্রকৃত কারণ নিয়ে। অভিযোগ উঠেছে, নিজের অপকর্ম ঢাকতে সে সময় কৌশলে এনসিপির ওপর ‘নাস্তিকতার অপবাদ’ চাপিয়ে ভুক্তভোগী সাজার চেষ্টা করেছিলেন এই নেতা।
অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও আশরাফ মাহদীকে একটি মাদরাসা থেকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছিল। সে সময় জোরালো প্রচার চালানো হয়েছিল যে, তিনি জাতীয় নাগরিক কমিটি বা এনসিপির রাজনীতির সাথে যুক্ত থাকায় এবং মাদরাসা কর্তৃপক্ষ এনসিপিকে ‘নাস্তিকদের সংগঠন’ মনে করায় তাকে বের করে দিয়েছে। রাজনৈতিক মতাদর্শের
কারণে চাকরি হারানোয় তখন এনসিপি নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের সহানুভূতিও আদায় করেছিলেন তিনি। কিন্তু সাম্প্রতিক বলাৎকারের অভিযোগটি সামনে আসার পর থলের বিড়াল বেরিয়ে এসেছে। মাদরাসা সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র ও ভুক্তভোগীর দাবি, আশরাফ মাহদীকে এনসিপি করার কারণে বা রাজনৈতিক মতাদর্শের জন্য বের করা হয়নি। বরং তখনও তার বিরুদ্ধে বলাৎকারের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছিল। নিজের নৈতিক স্খলন ও বলাৎকারের ঘটনা ধামাচাপা দিতেই তিনি চতুরতার সাথে বিষয়টিকে ‘এনসিপি বনাম মাদরাসা কর্তৃপক্ষ’ বা ‘আস্তিক-নাস্তিক’ দ্বন্দ্বে রূপ দিয়েছিলেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, একটি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধকে আড়াল করতে দলের নাম ভাঙানো এবং রাজনৈতিক সেন্টিমেন্ট ব্যবহার করা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এনসিপির মতো একটি প্ল্যাটফর্মের শীর্ষ পর্যায়ের নেতার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ এবং তা ঢাকতে
দলের নাম ব্যবহারের বিষয়টি সংগঠনটির ভাবমূর্তিকে চরম সংকটে ফেলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনসিপির এক কর্মী বলেন, "আমরা জানতাম তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। কিন্তু এখন যদি শোনা যায়, বলাৎকারের মতো ঘৃণ্য অপরাধ ঢাকতে তিনি দলের নাম ব্যবহার করেছেন এবং নাস্তিক্যবাদের ধুয়া তুলে সহানুভূতি নিয়েছেন, তবে তা দলের জন্য লজ্জাজনক। এ বিষয়ে নেতৃত্বের দ্রুত অবস্থান পরিষ্কার করা উচিত।" এ বিষয়ে আশরাফ মাহদী বা এনসিপির পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
কারণে চাকরি হারানোয় তখন এনসিপি নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের সহানুভূতিও আদায় করেছিলেন তিনি। কিন্তু সাম্প্রতিক বলাৎকারের অভিযোগটি সামনে আসার পর থলের বিড়াল বেরিয়ে এসেছে। মাদরাসা সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র ও ভুক্তভোগীর দাবি, আশরাফ মাহদীকে এনসিপি করার কারণে বা রাজনৈতিক মতাদর্শের জন্য বের করা হয়নি। বরং তখনও তার বিরুদ্ধে বলাৎকারের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছিল। নিজের নৈতিক স্খলন ও বলাৎকারের ঘটনা ধামাচাপা দিতেই তিনি চতুরতার সাথে বিষয়টিকে ‘এনসিপি বনাম মাদরাসা কর্তৃপক্ষ’ বা ‘আস্তিক-নাস্তিক’ দ্বন্দ্বে রূপ দিয়েছিলেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, একটি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধকে আড়াল করতে দলের নাম ভাঙানো এবং রাজনৈতিক সেন্টিমেন্ট ব্যবহার করা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এনসিপির মতো একটি প্ল্যাটফর্মের শীর্ষ পর্যায়ের নেতার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ এবং তা ঢাকতে
দলের নাম ব্যবহারের বিষয়টি সংগঠনটির ভাবমূর্তিকে চরম সংকটে ফেলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনসিপির এক কর্মী বলেন, "আমরা জানতাম তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। কিন্তু এখন যদি শোনা যায়, বলাৎকারের মতো ঘৃণ্য অপরাধ ঢাকতে তিনি দলের নাম ব্যবহার করেছেন এবং নাস্তিক্যবাদের ধুয়া তুলে সহানুভূতি নিয়েছেন, তবে তা দলের জন্য লজ্জাজনক। এ বিষয়ে নেতৃত্বের দ্রুত অবস্থান পরিষ্কার করা উচিত।" এ বিষয়ে আশরাফ মাহদী বা এনসিপির পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।



