ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকড হলে বুঝবেন কিভাবে
বিশ্বের জনপ্রিয় সামাজিক মাধ্যমগুলোর মধ্যে এক্স (সাবেক টুইটার) অন্যতম। বিশ্বের বিখ্যাত সব সেলিব্রেটি, রাজনীতিবিদ, খেলোয়াড় তাদের দৈনন্দিন জীবনের যাবতীয় মতামত, পছন্দ-অপছন্দ এক্সে প্রতিনিয়ত জানান দেন। বিশ্বের অন্যতম ধনী ইলন মাস্ক এর বর্তমান মালিক।
জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকায় এটির নিরাপত্তার ঝুঁকিও রয়েছে। ব্যবহারকারীর পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ড নম্বর বা ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিতে হ্যাকাররা সাধারণত ফিশিং পদ্ধতির সাহায্য নিয়ে থাকে। যেখানে হ্যাকাররা ইমেইল, এসএমএস বা ফোনের মাধ্যমে কোনো নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ছদ্মবেশে ব্যবহারকারীকে প্রতারিত করে থাকে। ব্যবহারকারীকে কোনো লোভনীয় লিংকে ক্লিক করতেও প্রলুব্ধ করে হ্যাকাররা। এছাড়া দুর্বল পাসওয়ার্ড, অনিরাপদ নেটওয়ার্কে ম্যান-ইন-দ্য-মিডল আক্রমণ এবং ডিভাইসে ম্যালওয়্যার ইনস্টল করে কী-লগিং সফটওয়্যার
ব্যবহার করেও লগইন তথ্য নেওয়া সম্ভব বলে উঠে এসেছে বাণিজ্য সাময়িকী ফোর্বসের এক নিবন্ধে। কিভাবে বুঝবেন অ্যাকাউন্ট হ্যাকের শিকার হ্যাকার অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ পেলে ডিরেক্ট মেসেজ, ফলোয়ার সংখ্যা পরিবর্তন বা তৃতীয় পক্ষের অ্যাপ অনুমোদন করতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে লগইনে পাসওয়ার্ড অকার্যকর হয়ে পরে, রিসেট করার নোটিফিকেশন পাওয়া যায়। হ্যাকাররা প্রায়ই ফিশিং বা স্প্যাম লিঙ্ক পোস্ট করে। অনেক সময় এটিই প্রথম ইঙ্গিত হয় যে, অ্যাকাউন্ট হ্যাকিংয়ের শিকার হয়েছে। পোস্টগুলোতে আর্থিক প্রতিফলন, বিটকয়েন স্ক্যাম, ডায়েট বা প্রতিযোগিতার প্রলোভন থাকতে পারে। এছাড়া হ্যাকাররা ব্যক্তিগত পরিচয় চুরি করতে পারে। ক্রেডিট কার্ড বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে অজানা চার্জ, ক্রিপ্টো ওয়ালেট থেকে অজানা লেনদেন বা সন্দেহজনক
ইমেইল লক্ষ্য করুন। এই সংকেতগুলো পেলে দ্রুত অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার করুন। হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি কমাতে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা গুরুত্বপূর্ণ। দুই-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালু করলে নিরাপত্তা আরও বাড়ে। ডিভাইস লক করতে ফেস আইডি বা টাচ আইটি ব্যবহার করতে পারেন। পাশাপাশি সন্দেহজনক ইমেইল বা মেসেজ এড়িয়ে চলুন। কেবল বিশ্বাসযোগ্য অ্যাপ ডাউনলোড করুন।
ব্যবহার করেও লগইন তথ্য নেওয়া সম্ভব বলে উঠে এসেছে বাণিজ্য সাময়িকী ফোর্বসের এক নিবন্ধে। কিভাবে বুঝবেন অ্যাকাউন্ট হ্যাকের শিকার হ্যাকার অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ পেলে ডিরেক্ট মেসেজ, ফলোয়ার সংখ্যা পরিবর্তন বা তৃতীয় পক্ষের অ্যাপ অনুমোদন করতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে লগইনে পাসওয়ার্ড অকার্যকর হয়ে পরে, রিসেট করার নোটিফিকেশন পাওয়া যায়। হ্যাকাররা প্রায়ই ফিশিং বা স্প্যাম লিঙ্ক পোস্ট করে। অনেক সময় এটিই প্রথম ইঙ্গিত হয় যে, অ্যাকাউন্ট হ্যাকিংয়ের শিকার হয়েছে। পোস্টগুলোতে আর্থিক প্রতিফলন, বিটকয়েন স্ক্যাম, ডায়েট বা প্রতিযোগিতার প্রলোভন থাকতে পারে। এছাড়া হ্যাকাররা ব্যক্তিগত পরিচয় চুরি করতে পারে। ক্রেডিট কার্ড বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে অজানা চার্জ, ক্রিপ্টো ওয়ালেট থেকে অজানা লেনদেন বা সন্দেহজনক
ইমেইল লক্ষ্য করুন। এই সংকেতগুলো পেলে দ্রুত অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার করুন। হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি কমাতে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা গুরুত্বপূর্ণ। দুই-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালু করলে নিরাপত্তা আরও বাড়ে। ডিভাইস লক করতে ফেস আইডি বা টাচ আইটি ব্যবহার করতে পারেন। পাশাপাশি সন্দেহজনক ইমেইল বা মেসেজ এড়িয়ে চলুন। কেবল বিশ্বাসযোগ্য অ্যাপ ডাউনলোড করুন।



