ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, নওগাঁ রণক্ষেত্র
জামায়াতের আমীরের ইতিহাস বিকৃতি, বিপজ্জনক রাজনীতির পুরোনো কৌশল
জামায়েতের দুই নীতি নারী এবং মুক্তিযুদ্ধ ভীতি
জামায়াতের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ভোটার স্থানান্তরের অভিযোগ: আসনভিত্তিক তথ্য চায় বিএনপি
বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের পর এনসিপির সংঘর্ষ: ভোটের আগেই ক্ষমতার লড়াইয়ে কি সংঘাত বাড়ছে?
নারী বিদ্বেষ থেকেই কি মনীষার সাথে একই মঞ্চে বসতে আপত্তি চরমোনাই পীর ফয়জুল করিমের?
শেরপুরের ঘটনায় নির্বাচনী ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে: জামায়াতের আমির
একযোগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৫০ নেতার পদত্যাগ
সিরাজগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নতুন কমিটি অনুমোদনের ৪৮ ঘণ্টা না পেরোতেই ৫০ নেতা একযোগে পদত্যাগ করেছেন।
রোববার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে সিরাজগঞ্জ প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সদ্য ঘোষিত জেলা কমিটিকে ‘অবৈধ, অস্বচ্ছ ও একতরফা’ বলে অভিযোগ তুলে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তার।
পদত্যাগকারীরা হলেন- সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ইয়াসির আরাফাত ইশান, যুগ্ম আহ্বায়ক আসির ইন্তেসার অয়ন, টিএম মুশফিক সাদ, রাহাত তালুকদার, সাদমান জাহিন, সংগঠক যুবায়ের আল ইসলাম সেজান, সিনিয়র সহ-মুখপাত্র সাদিয়া আহমেদ সিনহা ও যুগ্ম মুখ্য সংগঠক আঞ্জারুল ইসলামসহ ৫০ জন।
সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগকারী নেতারা বলেন, পূর্বের আহ্বায়ক কমিটিকে বিলুপ্ত না করেই হঠাৎ করে একটি নতুন কমিটি ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় কমিটি। পুরো প্রক্রিয়াটি
গোপনে ও কোনো ধরনের আলোচনা ছাড়াই সম্পন্ন হয়েছে, যা সংগঠনের গণতান্ত্রিক চর্চা ও নীতির পরিপন্থি। একযো তারা আরও বলেন, নতুন কমিটিতে এমন কয়েকজনকে জায়গা দেওয়া হয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, নারী-সংক্রান্ত অনৈতিক আচরণ, মাদকসংশ্লিষ্টতা এবং প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করার অভিযোগ রয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা বলেন, স্বচ্ছতা ও অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়া ছাড়া গঠিত কোনো কমিটি তারা মেনে নেবেন না। সংগঠনের আদর্শ রক্ষার স্বার্থেই তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর আগে গত ২৮ নভেম্বর ৬ মাসের জন্য বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার কমিটি নতুন অনুমোদন দেন কেন্দ্রীয় সভাপতি রিফাত রশিদ, মুখ্য সমন্বয়ক হাসিব আল ইসলাম ও সাংগঠনিক সম্পাদক মুঈনুল ইসলাম।
গোপনে ও কোনো ধরনের আলোচনা ছাড়াই সম্পন্ন হয়েছে, যা সংগঠনের গণতান্ত্রিক চর্চা ও নীতির পরিপন্থি। একযো তারা আরও বলেন, নতুন কমিটিতে এমন কয়েকজনকে জায়গা দেওয়া হয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, নারী-সংক্রান্ত অনৈতিক আচরণ, মাদকসংশ্লিষ্টতা এবং প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করার অভিযোগ রয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা বলেন, স্বচ্ছতা ও অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়া ছাড়া গঠিত কোনো কমিটি তারা মেনে নেবেন না। সংগঠনের আদর্শ রক্ষার স্বার্থেই তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর আগে গত ২৮ নভেম্বর ৬ মাসের জন্য বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার কমিটি নতুন অনুমোদন দেন কেন্দ্রীয় সভাপতি রিফাত রশিদ, মুখ্য সমন্বয়ক হাসিব আল ইসলাম ও সাংগঠনিক সম্পাদক মুঈনুল ইসলাম।



