ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের পর শেয়ারে বড় পতন
জনগণের ওপর বাড়তি ঋণ ও করভার চাপিয়ে বড় হচ্ছে বাজেটের আকার
১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি: চাপে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবার, মিলছে না আয়-ব্যয়ের খেরোখাতা
২০২৬-২৭ বাজেট: বাড়তে পারে যেসব পণ্যের দাম
‘সৎ লোকের শাসন’ দলের ইসলামী ব্যাংকে আর্থিক এবং পরিচালনায় দুর্নীতি-জালিয়াতির আশ্রয়
বৈদেশিক বাণিজ্যে বড় ধস: ১০ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ২২ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল
সংসদে ইসলামী ব্যাংক দখল সংক্রান্ত আলোচনায় মনক্ষুণ্ন ইআবা নেতা গাজী আতাউর
একটানে জালে উঠল ২০০ মণ ইলিশ
বঙ্গোপসাগরে এক টানে ২০০ মণ ইলিশ উঠেছে এফবি রাইসা নামের একটি ট্রলারে। এসব মাছ বরগুনার পাথরঘাটার বিএফডিসি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে ২৬ হাজার টাকা মণ হিসেবে ৫২ লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়।
বুধবার (১৯ নভেম্বর) সকালে বিএফডিসি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে সাইফ ফিশ নামের আড়তে এসব মাছ বিক্রি করা হয়। গত সোমবার (১৭ নভেম্বর) কুয়াকাটা থেকে ৭০ কিলোমিটার গভীর সমুদ্রে মাছগুলো ধরা পড়ে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এফবি রাইসা নামের মাছ ধরার ট্রলারটি গত ১৪ নভেম্বর পাথরঘাটা থেকে ১৭ জন জেলে নিয়ে সমুদ্রে যায়। ১৭ নভেম্বর বিকেলে মাছগুলো ধরা পড়ে। এসব মাছের ওজন ৩০০/৪০০ গ্রাম।
ট্রলারের মাঝি মাসুদ বলেন, গত ১৪ নভেম্বর আমরা মাছ ধরার
জন্য সাগরে যাই। তিন-চারদিনে মাত্র ৪০০ পিস মাছ পাই। ১৭ নভেম্বর বিকেলে জাল ফেলে কিছু সময় অপেক্ষা করার পর জাল টান দিতে গিয়ে দেখি ইলিশ আর ইলিশ। ওই এক টানেই আনুমানিক প্রায় ১৮ হাজার ইলিশ ধরা পড়ে। দীর্ঘদিন মাছ না পেয়ে অনেক কষ্টে জীবনযাপন চলছিল আমাদের। হঠাৎ এত বেশি মাছ পাওয়ায় আমরা অনেক খুশি। ট্রলারের মালিক রুবেল বলেন, অনেক দিন ধরে সাগরে খুব কম মাছ ধরা পড়ছে। আমাদের লোকসান গুনতে হচ্ছিল। এ মাছ বিক্রি করে আগের লোকসান কিছুটা কাটিয়ে উঠতে পারব। আড়তদার মোস্তফা আলম বলেন, আমার আড়তে মাছগুলো বিক্রি হয়েছে। কিছুদিন আগে প্রায় ১৫০ মণ মাছ বিক্রি করি অন্য একটি ট্রলারে। জেলেরা
মাছ পাচ্ছে শুনে খুব খুশি লাগছে। বরগুনা জেলা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কাঙ্ক্ষিত ইলিশের দেখা মিলেনি আমাদের বিএফডিসিতে। হঠাৎ এক ট্রলারে ২০০ মণ ইলিশ পাওয়ায় আমরাও খুশি।
জন্য সাগরে যাই। তিন-চারদিনে মাত্র ৪০০ পিস মাছ পাই। ১৭ নভেম্বর বিকেলে জাল ফেলে কিছু সময় অপেক্ষা করার পর জাল টান দিতে গিয়ে দেখি ইলিশ আর ইলিশ। ওই এক টানেই আনুমানিক প্রায় ১৮ হাজার ইলিশ ধরা পড়ে। দীর্ঘদিন মাছ না পেয়ে অনেক কষ্টে জীবনযাপন চলছিল আমাদের। হঠাৎ এত বেশি মাছ পাওয়ায় আমরা অনেক খুশি। ট্রলারের মালিক রুবেল বলেন, অনেক দিন ধরে সাগরে খুব কম মাছ ধরা পড়ছে। আমাদের লোকসান গুনতে হচ্ছিল। এ মাছ বিক্রি করে আগের লোকসান কিছুটা কাটিয়ে উঠতে পারব। আড়তদার মোস্তফা আলম বলেন, আমার আড়তে মাছগুলো বিক্রি হয়েছে। কিছুদিন আগে প্রায় ১৫০ মণ মাছ বিক্রি করি অন্য একটি ট্রলারে। জেলেরা
মাছ পাচ্ছে শুনে খুব খুশি লাগছে। বরগুনা জেলা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কাঙ্ক্ষিত ইলিশের দেখা মিলেনি আমাদের বিএফডিসিতে। হঠাৎ এক ট্রলারে ২০০ মণ ইলিশ পাওয়ায় আমরাও খুশি।



