ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
১৮-এর নির্বাচনে অনিয়ম আমরা চাইনি, প্রশাসনের অতিউৎসাহীরা করেছে: সজীব ওয়াজেদ জয়
ঘুষ-সিন্ডিকেটে প্রশাসন অতিরিক্ত সচিব পদোন্নতি, ১০০ কোটি টাকার ঘুষ লেনদেন
গ্যাস সংকটের নেপথ্যে ড: ইউনূস ও পিটার হাসের কোম্পানির ষড়যন্ত্র
সতের মাসে ৬ হাজার নিখোঁজ, রাষ্ট্র নীরব, প্রশ্নের মুখে ড. ইউনুসের শাসন
“সয়াবিন সকাল বেলা ১৫০ টাকা, বিকালে ২০০ টাকা; পেয়াজের কেজি সকালে ৪০ বিকালে ৭০; বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারতেছে না” –জনতার দুর্ভোগ
ড. ইউনুসের অবৈধ শাসন অর্জন ধ্বংসের রাজনীতি – ১৭ মাসে বাংলাদেশকে অনিশ্চয়তার খাদে ঠেলে দেওয়া হয়েছে
এই দেশটি যদি অনিরাপদ হয়ে যায় তাহলে বিদেশি নাগরিকদের কিছু হবে না, সমস্ত ক্ষতি আমাদেরই হবে” –জনতার কন্ঠ
উপকৃত ১ কোটি পরিবার
তারেক রহমানের ভাবনার ৩ বছর আগেই শেখ হাসিনার ‘স্মার্ট কার্ড’ বিপ্লব
এক নজরে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য,
বিএনপির প্রতিশ্রুতি: তারেক রহমানের ৩১ দফার ঘোষণায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে দেশের ৪ কোটি পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার অঙ্গীকার।
আওয়ামী লীগের বাস্তবায়ন: ২০২২ সালের ২০ মার্চ শেখ হাসিনার নির্দেশে টিসিবির মাধ্যমে ১ কোটি নিম্ন আয়ের পরিবারের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেওয়া হয়েছিল।
স্মার্ট কার্ডে রূপান্তর: অনিয়ম রোধে এনালগ কার্ড বাতিল করে জাতীয় পরিচয়পত্র ও কিউআর কোড সম্বলিত ‘স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা হয় ২০২৩ সালে।
রাজনৈতিক সমীকরণ: বিএনপির নতুন ইশতেহারে মূলত বিগত সরকারের প্রতিষ্ঠিত ‘স্মার্ট কার্ড’ মডেলটিরই সম্প্রসারিত রূপ উঠে এসেছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সম্প্রতি রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের
৩১ দফায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও সামাজিক নিরাপত্তার অংশ হিসেবে দেশের ৪ কোটি পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তবে গুগল সার্চ ও সরকারি নথিপত্রের তথ্যানুসন্ধানে দেখা যায়, এই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ধারণাটি বাংলাদেশে নতুন নয়। বরং ২০২২ সালেই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ১ কোটি পরিবারের জন্য এই কার্ড ব্যবস্থা বাস্তবে রূপ দিয়েছিল, যা পরবর্তীতে আধুনিক ‘স্মার্ট কার্ডে’ উন্নীত করা হয়। তারেক রহমানের ঘোষণা ও বর্তমান প্রেক্ষাপট সাম্প্রতিক বিভিন্ন সমাবেশে এবং দলের নীতিনির্ধারণী ঘোষণায় তারেক রহমান জানিয়েছেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে নিত্যপণ্যের দাম সাধারণের নাগালের মধ্যে রাখতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা হবে। এর মাধ্যমে প্রান্তিক ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো ন্যায্যমূল্যে পণ্য এবং প্রয়োজনে নগদ সহায়তা
পাবে। দলের পক্ষ থেকে একে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। অনুসন্ধানে উঠে আসা ২০২২ সালের চিত্র ইন্টারনেট আর্কাইভ ও গণমাধ্যমের প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ২০২২ সালের ২০ মার্চ শেখ হাসিনার সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে টিসিবি (ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ) ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম উদ্বোধন করে। করোনা পরবর্তী অর্থনৈতিক ধাক্কা সামলাতে তখন ১ কোটি নিম্ন আয়ের মানুষকে এই কার্ডের আওতায় আনা হয়। তখন এই কার্ডধারীরা ভর্তুকি মূল্যে তেল, চিনি, ডাল ও ছোলার মতো পণ্য পেয়েছিলেন। যেভাবে ‘স্মার্ট কার্ডে’ রূপ নিয়েছিল শেখ হাসিনার উদ্যোগ তারেক রহমানের বর্তমান ঘোষণার অনেক আগেই কার্ড ব্যবস্থাকে ডিজিটাল ও স্মার্ট করার কাজ সম্পন্ন করেছিল বিগত সরকার। ১. ডিজিটালাইজেশন: হাতে লেখা কার্ডে বিতরণে
অনিয়ম দেখা দিলে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে টিসিবি ডাটাবেজ তৈরি করে। ২. স্মার্ট ফিচার: জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) যাচাই করে উপকারভোগীদের জন্য প্লাস্টিকের তৈরি ‘স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড’ ইস্যু করা হয়। এতে যুক্ত করা হয় কিউআর কোড (QR Code), যা স্ক্যান করলেই উপকারভোগীর ছবি ও তথ্য ভেসে উঠত। ৩. বাস্তবায়ন: ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, বরিশাল ও নারায়ণগঞ্জে এই স্মার্ট কার্ডের সফল ব্যবহার শুরু হয়, যা অপচয় ও দুর্নীতি প্রায় ৭৫ শতাংশ কমিয়ে এনেছিল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানের ৪ কোটি পরিবারের কার্ড দেওয়ার প্রস্তাবটি মূলত শেখ হাসিনার ১ কোটি পরিবারের ‘স্মার্ট কার্ড’ মডেলেরই সম্প্রসারণ। বিগত সরকার যে ডিজিটাল অবকাঠামো ও স্মার্ট কার্ড বিতরণ ব্যবস্থা তৈরি করে গেছে,
তা ব্যবহার করেই নতুন সরকার বা রাজনৈতিক দলগুলো ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সাজাচ্ছে। অর্থাৎ, ফ্যামিলি কার্ডের ধারণা ও স্মার্ট প্রযুক্তির বাস্তবায়ন বাংলাদেশে আগেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
৩১ দফায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও সামাজিক নিরাপত্তার অংশ হিসেবে দেশের ৪ কোটি পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তবে গুগল সার্চ ও সরকারি নথিপত্রের তথ্যানুসন্ধানে দেখা যায়, এই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ধারণাটি বাংলাদেশে নতুন নয়। বরং ২০২২ সালেই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ১ কোটি পরিবারের জন্য এই কার্ড ব্যবস্থা বাস্তবে রূপ দিয়েছিল, যা পরবর্তীতে আধুনিক ‘স্মার্ট কার্ডে’ উন্নীত করা হয়। তারেক রহমানের ঘোষণা ও বর্তমান প্রেক্ষাপট সাম্প্রতিক বিভিন্ন সমাবেশে এবং দলের নীতিনির্ধারণী ঘোষণায় তারেক রহমান জানিয়েছেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে নিত্যপণ্যের দাম সাধারণের নাগালের মধ্যে রাখতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা হবে। এর মাধ্যমে প্রান্তিক ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো ন্যায্যমূল্যে পণ্য এবং প্রয়োজনে নগদ সহায়তা
পাবে। দলের পক্ষ থেকে একে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। অনুসন্ধানে উঠে আসা ২০২২ সালের চিত্র ইন্টারনেট আর্কাইভ ও গণমাধ্যমের প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ২০২২ সালের ২০ মার্চ শেখ হাসিনার সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে টিসিবি (ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ) ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম উদ্বোধন করে। করোনা পরবর্তী অর্থনৈতিক ধাক্কা সামলাতে তখন ১ কোটি নিম্ন আয়ের মানুষকে এই কার্ডের আওতায় আনা হয়। তখন এই কার্ডধারীরা ভর্তুকি মূল্যে তেল, চিনি, ডাল ও ছোলার মতো পণ্য পেয়েছিলেন। যেভাবে ‘স্মার্ট কার্ডে’ রূপ নিয়েছিল শেখ হাসিনার উদ্যোগ তারেক রহমানের বর্তমান ঘোষণার অনেক আগেই কার্ড ব্যবস্থাকে ডিজিটাল ও স্মার্ট করার কাজ সম্পন্ন করেছিল বিগত সরকার। ১. ডিজিটালাইজেশন: হাতে লেখা কার্ডে বিতরণে
অনিয়ম দেখা দিলে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে টিসিবি ডাটাবেজ তৈরি করে। ২. স্মার্ট ফিচার: জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) যাচাই করে উপকারভোগীদের জন্য প্লাস্টিকের তৈরি ‘স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড’ ইস্যু করা হয়। এতে যুক্ত করা হয় কিউআর কোড (QR Code), যা স্ক্যান করলেই উপকারভোগীর ছবি ও তথ্য ভেসে উঠত। ৩. বাস্তবায়ন: ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, বরিশাল ও নারায়ণগঞ্জে এই স্মার্ট কার্ডের সফল ব্যবহার শুরু হয়, যা অপচয় ও দুর্নীতি প্রায় ৭৫ শতাংশ কমিয়ে এনেছিল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানের ৪ কোটি পরিবারের কার্ড দেওয়ার প্রস্তাবটি মূলত শেখ হাসিনার ১ কোটি পরিবারের ‘স্মার্ট কার্ড’ মডেলেরই সম্প্রসারণ। বিগত সরকার যে ডিজিটাল অবকাঠামো ও স্মার্ট কার্ড বিতরণ ব্যবস্থা তৈরি করে গেছে,
তা ব্যবহার করেই নতুন সরকার বা রাজনৈতিক দলগুলো ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সাজাচ্ছে। অর্থাৎ, ফ্যামিলি কার্ডের ধারণা ও স্মার্ট প্রযুক্তির বাস্তবায়ন বাংলাদেশে আগেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।



