উগ্রপন্থী ওসমান হাদির কফিনে পতাকা থাকলেও ছিল না সুদানে নিহত সেনাদের কফিনে – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫

উগ্রপন্থী ওসমান হাদির কফিনে পতাকা থাকলেও ছিল না সুদানে নিহত সেনাদের কফিনে

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ |
বাংলাদেশে আজ এক নজিরবিহীন ও বেদনাদায়ক বৈষম্যের সাক্ষী হলো পুরো জাতি। একদিকে উগ্র জাতীয়তাবাদ আর চরমপন্থার অভিযোগে অভিযুক্ত বিতর্কিত ওসমান হাদির মরদেহ যখন রাষ্ট্রীয় মর্যাদার আদলে লাল-সবুজ পতাকায় মুড়িয়ে দাফন করা হচ্ছে, ঠিক তখনই বিদেশের মাটিতে দেশের সম্মান রক্ষা করতে গিয়ে প্রাণ হারানো বাংলাদেশি সেনাদের মরদেহ ফিরেছে অযত্ন আর অবহেলায়। সেনাদের কফিনে ছিল না পতাকা, হাদির কফিনে জয়জয়কার শনিবার সুদানে শান্তিরক্ষা মিশনে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত বাংলাদেশি বীর সেনাদের মরদেহ যখন ঢাকায় পৌঁছায়, তখন এক হৃদয়বিদারক দৃশ্য দেখা যায়। দেশের জন্য জীবন দেওয়া এই সূর্যসন্তানদের কফিনে ছিল না কোনো জাতীয় পতাকা। অথচ একই দিনে আলোচিত ও বিতর্কিত সংগঠন ‘ইনকিলাব মঞ্চ’-এর মুখপাত্র ওসমান হাদির

কফিনকে জাতীয় পতাকা দিয়ে মুড়িয়ে রাখা হয়। প্রশ্ন উঠেছে, রাষ্ট্রের জন্য জীবন উৎসর্গ করা সেনাদের চেয়ে কি একজন বিতর্কিত রাজনৈতিক কর্মী বড় হয়ে গেল? কেন বিতর্কিত এই ওসমান হাদি? ওসমান হাদির কর্মকাণ্ড নিয়ে জনমনে এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মাঝে রয়েছে তীব্র ক্ষোভ। তার বিতর্কিত হওয়ার প্রধান কারণগুলো হলো: উগ্র জাতীয়তাবাদ: ভারত-বিরোধী আবেগ কাজে লাগিয়ে দুই দেশের মানুষের মাঝে বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ভৌগোলিক অস্থিরতা: কোনো বাস্তব ভিত্তি ছাড়াই ভারতের অংশ বিশেষকে নিয়ে ‘গ্রেটার বাংলাদেশ’ বা অখণ্ড বাংলাদেশের মানচিত্র প্রদর্শন করে তিনি আন্তর্জাতিক মহলে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছেন। গণমাধ্যমে হামলা: তার অনুসারীদের দ্বারা ‘প্রথম আলো’ ও ‘ডেইলি স্টার’ এর মতো শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্রের অফিসে হামলা ও

অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে, যা মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর চরম আঘাত। জনদুর্ভোগ: দাবি আদায়ের নামে সচিবালয় ঘেরাও ও রাস্তা অবরোধ করে জনজীবন অতিষ্ঠ করার অভিযোগও রয়েছে তার সংগঠনের বিরুদ্ধে। ক্ষুব্ধ জনতা ও প্রশ্নবিদ্ধ প্রশাসন দেশের জন্য জীবন দেওয়া সেনাদের প্রতি এমন অবজ্ঞা এবং একজন বিতর্কিত ব্যক্তিকে রাষ্ট্রীয় সম্মানের আদলে বিদায় জানানোয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিন্দার ঝড় উঠেছে। বর্তমান সেনাপ্রশাসন এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নিরপেক্ষতা ও দূরদর্শিতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে গভীর ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। নেটিজেনরা প্রশ্ন তুলছেন—যাঁরা পতাকার মান রক্ষায় জীবন দিলেন তাঁরা কেন পতাকা পেলেন না, আর যিনি দেশকে অস্থিতিশীল করার কারিগর হিসেবে পরিচিত, তিনি কেন পতাকা পেলেন? পুরো বিষয়টি বর্তমান প্রশাসনের জন্য একটি বড় ‘লজ্জা’

হিসেবে দেখা দিচ্ছে, যা জাতীয় সংহতির ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ঝরল ৩২টি প্রাণ: পাহাড়ধস ও ভাঙা বেড়িবাঁধে বাঁশখালীর এক লাখ মানুষের নির্ঘুম রাত ভাষা শহিদদের স্মরণে নির্মিত শহিদ মিনারের চারপাশ ঘিরে শৌচাগার নির্মাণ ২৯৭ জনের প্রকল্পে কাজ করেন ৫০ জন, বাকিরা ভুয়া! সরকারি প্রকল্পে ব্যাপক হরিলুট মব-মামলা-নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কা না করে চট্টগ্রামের পানিবন্দী মানুষের মাঝে ছাত্রলীগের খাবার বিতরণ দুর্নীতি ও ব্যর্থতায় জর্জরিত পাকিস্তানি সিটি প্রকল্পকে অনুসরণের পরিকল্পনা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ইসরায়েলি অস্ত্র কোম্পানির স্বার্থ রক্ষায় ফিলিস্তিনপন্থি শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা কিংস-অক্সফোর্ড কর্তৃপক্ষের নিজেদের বিতর্কিত সিদ্ধান্তের পক্ষে সাফাই গাইলেন ফিফার রেফারিং প্রধান ফ্রান্সের শৈল্পিকতা বনাম মরক্কোর দৃঢ়তা তীব্র জ্বালানি সংকটে আরও কয়েকশ কারখানা বন্ধের পথে ৭ বছর আগে কেনা জমিতে বাড়ি নির্মাণে বাধা, তদন্তে সরকারি জমি দখলের প্রমাণ মেলেনি চাঁদার দাবিতে জমির মালিককে হত্যার হুমকি দিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করলেন জামায়াত নেতা ২১ মাস পর জামিন, জেলগেট থেকে আবার গ্রেপ্তার: বাবার জানাজায় যেতে দেওয়া হয়নি ছাত্রলীগ নেতা সজিবকে অর্থনীতিতে এশিয়ার ইমার্জিং টাইগার বাংলাদেশ এখন উগান্ডা-ঘানারও পেছনে, বৈদেশিক বিনিয়োগে চরম খরা অর্থনৈতিক বিপর্যয়: এনপিএল খাতে বৈশ্বিক তালিকার শীর্ষে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেন, দ্বিতীয় বাংলাদেশ জুলাইযোদ্ধার নতুন আবেদনের ২০০টি ভুয়া, ৬০০টির তথ্য বিকৃতিসহ মিলেছে অনিয়ম-অসংগতি ‘ইসলামিক রিপাবলিক অভ জাপান আমাদের ওপর ১১১টি মিসাইল ছুড়েছে’, বললেন ট্রাম্প ১৫ রোগীকে হত্যার দায়ে জার্মান চিকিৎসকের যাবজ্জীবন, আরও হত্যাকাণ্ডের সন্দেহ ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে হামলা, দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের শঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ন্যাটো সম্মেলনের আগেই যুক্তরাষ্ট্রকে পাশ কাটিয়ে ৯০ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র চুক্তি কানাডা-ইউরোপের কুষ্টিয়ায় হাসপাতালের ওটি থেকে রোগীর এক পা গায়েব!