ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইরানের নাতানজ পারমাণবিক কেন্দ্রে আবারও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলা
যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণকারীদের জন্য দূতাবাসের বিশেষ পরামর্শ
ইরানের তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ট্রাম্পের, যা বলছে ইরান
দুর্দিনে পাশে দাঁড়িয়ে ইরানকে যে বার্তা দিলেন পুতিন
ইসরাইলি অস্ত্র কারখানায় অগ্নিসংযোগ
তেলের দাম নিয়ে রাজনীতি বন্ধের আহ্বান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর
ঐক্যের ডাক মোজতবা খামেনির, প্রস্তাব দিলেন পাকিস্তান-আফগানিস্তান যুদ্ধে মধ্যস্থতারও
ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রকে ৬০০ ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার হুমকি দিল ইরান
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ মে) ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কমান্ডার মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি এক টেলিভিশন ভাষণে বলেছেন, ইরান প্রয়োজনে একসাথে ৬০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলোর দিকে ছুড়তে পারে।
তিনি বলেন,
আমরা যদি একসঙ্গে ৬০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ি, শত্রুরা তা সহ্য করতে পারবে কি?
সালামির ভাষ্য অনুযায়ী, ইরান এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী ও দৃঢ় অবস্থানে আছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের শত্রুরা তাদের হুমকির পরিণতি বুঝতে পারছে না। এমনকি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু পর্যন্ত আজারবাইজানে যেতে ভয় পাচ্ছেন।’
তিনি আরও বলেন, যুদ্ধ এখন আর শুধু সামরিক যুদ্ধ নয়—এটি মিডিয়া, সংস্কৃতি ও মতাদর্শের লড়াইয়েও রূপ নিয়েছে। গাজার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন,
‘দৃঢ় সংকল্প থাকলে সামরিক শক্তিকেও প্রতিরোধ করা যায়।’ ইয়েমেন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরীগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে সরাসরি সংঘাতে জড়াচ্ছে না, বরং একতরফা যুদ্ধবিরতির পথ বেছে নিচ্ছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত পিছু হটার ইঙ্গিত বলে মনে করেন তিনি। শেষে সালামি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর ভেতরে চাপ বেড়েছে, বিশেষ করে তাদের বিমানবাহিনীর সক্ষমতা কমছে এবং বিমান দুর্ঘটনার হার বেড়েছে—যা তাদের সামরিক দুর্বলতার প্রতিফলন। সূত্র: ইয়ানি শাফাক
‘দৃঢ় সংকল্প থাকলে সামরিক শক্তিকেও প্রতিরোধ করা যায়।’ ইয়েমেন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরীগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে সরাসরি সংঘাতে জড়াচ্ছে না, বরং একতরফা যুদ্ধবিরতির পথ বেছে নিচ্ছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত পিছু হটার ইঙ্গিত বলে মনে করেন তিনি। শেষে সালামি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর ভেতরে চাপ বেড়েছে, বিশেষ করে তাদের বিমানবাহিনীর সক্ষমতা কমছে এবং বিমান দুর্ঘটনার হার বেড়েছে—যা তাদের সামরিক দুর্বলতার প্রতিফলন। সূত্র: ইয়ানি শাফাক



