ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব গেলেন, প্রশ্নগুলো রয়ে গেল – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব গেলেন, প্রশ্নগুলো রয়ে গেল

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ |
নেদারল্যান্ডসের নাগরিক একজন মানুষ বাংলাদেশের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। কোন যোগ্যতায়, কার সুপারিশে, কী বিবেচনায়, সেটা কখনো পরিষ্কার করা হয়নি। দেশের লক্ষ লক্ষ মেধাবী আইটি পেশাদার থাকতে একজন বিদেশি নাগরিককে কেন এই পদে আনতে হলো, এই প্রশ্নের উত্তর প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস কোনোদিন দেননি। দেওয়ার প্রয়োজনও বোধ করেননি। সেই ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এখন দেশে নেই। দুর্নীতি দমন কমিশন যখন তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে, ঠিক তখনই ১৪ ফেব্রুয়ারি এমিরেটসের ফ্লাইটে জার্মানির উদ্দেশে রওনা দিলেন তিনি। সরকারি কোনো অনুমতি ছিল না। বিমানবন্দরে প্রথমে আটকানোও হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ছেড়ে দেওয়া হলো। কে ছাড়ালেন? একাধিক সূত্র বলছে, স্বয়ং বিদায়ি প্রধান উপদেষ্টা। এখানেই

আসল প্রশ্নটা। দুদক যদি কাউকে তদন্ত করে, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে থাকা একজন মানুষ কি তাঁকে দেশ থেকে বের করে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারেন? আইনত পারেন না। নৈতিকভাবে তো প্রশ্নই আসে না। কিন্তু এই ঘটনায় যা ঘটেছে বলে জানা যাচ্ছে, তা যদি সত্য হয়, তাহলে এটা আর স্রেফ দুর্নীতির গল্প না, এটা ক্ষমতার প্রকাশ্য অপব্যবহার। তৈয়্যবের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো ছোট না। মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস নগদ থেকে দেড়শো কোটি টাকা সরানোর অভিযোগ, বিটিসিএলের অপটিক্যাল ফাইবার প্রকল্পে ১৬৫ কোটির কাজকে ৩২৬ কোটিতে ফুলিয়ে ফাঁপানোর অভিযোগ, টেলিকম লাইসেন্স নিয়ে শত কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ, মোট হিসাব সাড়ে পাঁচশো কোটির কাছাকাছি। বুয়েটের সুপারিশ, দুদকের আপত্তি, কিছুই

মানা হয়নি বলে অভিযোগ। উল্টো দুদককেই চিঠি লিখে থামানোর চেষ্টা হয়েছে। এখন সবচেয়ে বড় যে প্রশ্নটা সামনে আসছে সেটা হলো স্বার্থের দ্বন্দ্ব নিয়ে। গ্রামীণফোনের ৩৯ শতাংশ শেয়ার গ্রামীণ টেলিকমের, যেটা ইউনূসের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান। তৈয়্যব যদি গ্রামীণফোনকে নিয়মের বাইরে সুবিধা দিয়ে থাকেন, তাহলে সেই সুবিধার একটা অংশ সরাসরি ইউনূসের প্রতিষ্ঠানে গেছে। এই সংযোগটা কাকতালীয় কিনা সেটা তদন্তেরই বিষয়, কিন্তু প্রশ্নটা তোলা দরকার। তৈয়্যব নিজে বলেছেন এক টাকাও দুর্নীতি করেননি। সেটা হয়তো সত্যি হতে পারে। কিন্তু যদি সত্যিই নির্দোষ হন, তাহলে তদন্তের মুখোমুখি না হয়ে দেশ ছেড়ে যাওয়ার কী দরকার ছিল? নির্দোষ মানুষ পালায় না, বরং প্রমাণ করার সুযোগ নেয়। যাঁরা এই সরকারকে জবাবদিহিতার কথা

বলেছেন, প্রশ্ন তুলেছেন, তাঁদের কথা তখন কানে তোলা হয়নি। অর্থনীতিবিদ আনু মুহাম্মদ বলেছিলেন, দায়ীদের যেন দেশ ছাড়তে না দেওয়া হয়। সেই কথাও শোনা হয়নি। এখন তৈয়্যব বিদেশে, প্রশ্নগুলো দেশে। রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বচ্ছতা মানে শুধু ভালো কথা বলা না। মানে হলো নিজেদের লোকজনকেও জবাবদিহির আওতায় রাখা। সেটা এই সরকার পারেনি, বা পারতে চায়নি, এটাই আপাতত সবচেয়ে বড় ব্যর্থতার জায়গা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
‘ছিন্ন বিশ্বে’ একতার গান মালয়েশিয়ায় ৫ মাসে ৩০ হাজারের বেশি অভিবাসী আটক হোয়াইট হাউসকে আরিয়ানার হুঁশিয়ারি, ‘বর্বর কাজে’ আমার গান ব্যবহার করবেন না ক্যালিফোর্নিয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই চিকিৎসাসামগ্রীর গুদাম শিক্ষা বাজেট বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেই: শিক্ষা অধিকার সংসদ আদ্‌-দ্বীনের লাইসেন্স বাতিল, হাসপাতাল ছাড়ছেন রোগীরা সিপিবির প্রতিক্রিয়া: বাজেটে নেই ব্যয় কমানোর আশাবাদ, বাড়বে বৈষম্য খুলনায় বাড়ির সামনে গুলি করে বিএনপি নেতা ঢাকাইয়া রফিককে হত্যা কার্যালয়ে চোরের হানা, নাশকতা চেষ্টার দাবি অ্যাটর্নি জেনারেল কুদ্দুসের ‘একই আকাশ, একই বাতাস’: বাংলাদেশ-ভারতের অভিন্ন স্বপ্নের কথা বললেন নতুন ভারতীয় দূত দীনেশ ত্রিবেদী শিশু ফাহিমা ধর্ষণ-হত্যা: ৩৩ দিন পর আদালতে চার্জশিট আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে পতন প্রতিবেশীর শয়নকক্ষে মিলল শিশু ‘রাকার’ বস্তাবন্দি লাশ বিজয়ের ৫২তম জন্মদিনে ভক্তদের জন্য থাকছে বিশেষ উপহার ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ফাইনাল দেখতে চান বাংলাদেশের ক্রীড়ামন্ত্রী দুর্বৃত্তের গুলিতে আহত ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ পলাশ বিশ্বকাপের মাঝেই চলে গেলেন ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী তারকা ব্রিতো মেক্সিকো সিটিতে বিশ্বকাপের জমকালো উদ্বোধন ৩ লাল কার্ডের নাটকীয় উদ্বোধনী ম্যাচে দ. আফ্রিকাকে হারাল মেক্সিকো পিছিয়ে পড়ে ঘুরে দাঁড়িয়ে চেক প্রজাতন্ত্রকে হারালো দক্ষিণ কোরিয়া