ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ৩০ বছরের দম্ভ চুরমার করে দিল ইরান
কেন ইরান যুদ্ধের চরম মূল্য দিচ্ছে ইউরোপ ও এশিয়ার মার্কিন মিত্ররা?
খাদ্য ও ওষুধ সংকটে পড়তে পারে কোটি মানুষ
হরমুজ প্রণালি সচল করতে ইরান-ওমান বৈঠক শুরু
মার্কিন গ্রিন কার্ড বাতিল করে কাসেম সোলেইমানির স্বজনদের গ্রেপ্তার
ইসরায়েলের দিকে ধেয়ে যাচ্ছে ইরানি মিসাইলের ঢেউ
হুথিদের হামলার চোটে সব কর্মীকে বিমানবন্দর থেকে সরিয়ে নিলো ইসরায়েল
ইরান যুদ্ধ: ‘অহমিকা’ ও ‘অবিশ্বাস’-এর মাঝেও কূটনীতি চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি আনতে ঘাম ছুটে যাচ্ছে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর। এই মধ্যস্থতার অন্যতম মূল দেশ পাকিস্তানের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই দুই পক্ষের মধ্যে, বিশেষ করে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দূরত্ব দূর করার বিষয়টি অনেকটা স্কুলপড়ুয়া বালকদের মারামারি থামানোর মতো, যাদের উভয়েরই অহংবোধ প্রবল।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার সাংবাদিক ওসামা বিন জাভাইড পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি জানিয়েছে, পাকিস্তানের কর্মকর্তারা আমাকে জানিয়েছেন, ইসলামাবাদ বর্তমানে এই দুই দেশের ভাষায় ‘হতাশাগ্রস্ত তৎপর কূটনীতি’ চালাচ্ছে। তাঁরা বলছেন, সংবাদপত্র বা শিরোনামের মাধ্যমে তারা কূটনীতি করতে চান না। বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর।
এক কর্মকর্তা বলেছেন, তারা মূলত এমন এক পরিস্থিতির মুখোমুখি, যা অনেকটা স্কুলপড়ুয়া বালকদের মারামারির মতো।
এখানে সামলাতে হচ্ছে ‘অহংকার’, আর একই সঙ্গে রয়েছে ‘গভীর অবিশ্বাসের এক বিশাল সাগর’, যার ওপর তাদের সেতু গড়ে তুলতে হচ্ছে। এদিকে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাঈল বাঘাই উল্লেখ করেছেন, তারা একাধিকবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার শিকার হয়েছে। তো, এই অবস্থায় এখন প্রশ্ন হচ্ছে—যদি কোনো ধরনের সমঝোতা হয়, যদি কোনো চুক্তি হয়, তাহলে কী নিশ্চয়তা আছে যে তাদের নেতাদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না? আলোচনার টেবিলে বসতে গেলে তাদের নিরাপত্তা কে নিশ্চিত করবে? পাকিস্তানিরা ইরানের ক্ষমতার কাঠামোর বিভিন্ন স্তরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। এক পাকিস্তানি সূত্র জানিয়েছে, তারা ইরানের ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে কথা বলছে, কূটনীতিকদের সঙ্গে কথা বলছে এবং সামরিক কমান্ডারদের সঙ্গেও যোগাযোগ করছে—যার মধ্যে
ইঙ্গিত রয়েছে আইআরজিসিও রয়েছে।
এখানে সামলাতে হচ্ছে ‘অহংকার’, আর একই সঙ্গে রয়েছে ‘গভীর অবিশ্বাসের এক বিশাল সাগর’, যার ওপর তাদের সেতু গড়ে তুলতে হচ্ছে। এদিকে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাঈল বাঘাই উল্লেখ করেছেন, তারা একাধিকবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার শিকার হয়েছে। তো, এই অবস্থায় এখন প্রশ্ন হচ্ছে—যদি কোনো ধরনের সমঝোতা হয়, যদি কোনো চুক্তি হয়, তাহলে কী নিশ্চয়তা আছে যে তাদের নেতাদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না? আলোচনার টেবিলে বসতে গেলে তাদের নিরাপত্তা কে নিশ্চিত করবে? পাকিস্তানিরা ইরানের ক্ষমতার কাঠামোর বিভিন্ন স্তরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। এক পাকিস্তানি সূত্র জানিয়েছে, তারা ইরানের ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে কথা বলছে, কূটনীতিকদের সঙ্গে কথা বলছে এবং সামরিক কমান্ডারদের সঙ্গেও যোগাযোগ করছে—যার মধ্যে
ইঙ্গিত রয়েছে আইআরজিসিও রয়েছে।



