ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ব্রাসেলসে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের সামনে মানববন্ধন, অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের দাবি
ইরানে বিক্ষোভে নিহতদের তালিকা প্রকাশ, চরম বিতর্ক
বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম
হঠাৎ কেন উত্তেজনার মধ্যেই বৈঠকে বসছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র?
রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিহত সেনার সংখ্যা জানাল ইউক্রেন
বাংলাদেশে প্রহসনের নির্বাচন বন্ধের দাবিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তরের সামনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মানববন্ধন – বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা
লিবিয়ায় মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে সাইফ নিহত
ইরানে মার্কিন হুমকিতে যুদ্ধের মেঘ জমছে- চীন, সার্কাস বলছে রাশিয়া
মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে নিউইয়র্কে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয় জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক। যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বানে হওয়া বৈঠকে ইরান ঘিরে ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির নিন্দা জানিয়েছে চীন ও রাশিয়া। ওয়াশিংটনের হস্তক্ষেপের চেষ্টা ও হুমকিতে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মেঘ জমছে বলে সতর্ক করেছে বেইজিং। আর মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠককে সার্কাস বলে সমালোচনা করেছে মস্কো।
বৈঠকের আলোচনা নিয়ে বৃহস্পতিবার লাইভ ব্লগ প্রকাশ করে কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আলজাজিরা। তাদের তথ্য অনুযায়ী, বৈঠকে জাতিসংঘে চীনের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি সুন লেই মন্তব্য করেন, ইরান ঘিরে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা মধ্যপ্রাচ্যকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে বলপ্রয়োগের হুমকি পরিত্যাগের আহ্বান এবং সব পক্ষকে সংযম দেখাতে বলেন।
সুন লেই বলেন, ইরানের পরিস্থিতি নিয়ে
যুক্তরাষ্ট্র ধারাবাহিকভাবে বক্তব্য দিচ্ছে। প্রকাশ্যে ইরানের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগের হুমকি দিয়েছে। এর ফল হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের ওপর যুদ্ধের মেঘ জমছে। অঞ্চলটিতে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। সামরিক পদক্ষেপের বিরোধিতা নিয়ে বেইজিংয়ের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে সুন লেই বলেন, বলপ্রয়োগ কখনোই সমস্যার সমাধান করতে পারে না। এটি কেবল সমস্যাকে আরও জটিল ও অমীমাংসিত করে তুলবে। যেকোনো সামরিক দুঃসাহসিকতা অঞ্চলটিকে অনিশ্চিত ও নিয়ন্ত্রণহীন অতল গহ্বরের দিকে ঠেলে দেবে। ‘সস্তা সার্কাস’ চলছে একইদিন পরিষদের বৈঠকে বক্তব্য দেন রাশিয়ার প্রতিনিধি ভাসিলি নেবেনজিয়া। যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন, তারা ইরান ঘিরে উত্তেজনা বাড়াতে চেষ্টা করছে। আবার তারাই নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক আহ্বান করেছে। এটি ‘সস্তা সার্কাসে’ পরিণত হয়েছে। নেবেনজিয়া বলেন, ‘আজকের (বৃহস্পতিবার) বৈঠকটি, একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের
অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নির্লজ্জ আগ্রাসন ও হস্তক্ষেপকে বৈধতা দেওয়ার প্রচেষ্টা ছাড়া কিছুই নয়।’ রুশ প্রতিনিধি বলেন, মস্কো ইরানের জনগণের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করছে। সব নিরপরাধ ভুক্তভোগীর জন্য শোক জানাচ্ছে। মস্কোর প্রতিনিধি আরও বলেন, বিদেশি শক্তিগুলো বর্তমান পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে একটি সরকার উৎখাত করতে চাইছে। তারা ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে ধ্বংস করতে চায়। যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞার হুমকি পরিষদের বৈঠকে যুক্তরাজ্যের প্রতিনিধি আর্চি ইয়ং ইরান সরকারের ‘দমনপীড়নের’ নিন্দা জানান। শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ইরানের বিক্ষোভকারীদের প্রতি। আর্চি ইয়ং বলেন, ইরানে সম্ভবত হাজার হাজার মানুষ নিহত এবং আরও বহু মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এমন খবরে যুক্তরাজ্য মর্মাহত। এটি বিগত দশকগুলোর মধ্যে জনবিক্ষোভের ওপর সবচেয়ে নৃশংস দমন কাণ্ড। ইরানি কর্তৃপক্ষের উচিত তাদের জনগণকে
রক্ষা করা, নিষ্ঠুরতা চালানো নয়। তেহরানের সরকার যদি এই পন্থ থেকে সরে না আসে তাহলে যুক্তরাজ্য অতিরিক্ত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে। এদিন জাতিসংঘে ইরানের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি গোলাম হোসেইন দর্জি দাবি করেন, ‘ইরানে কিছু নিরীহ নাগরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে সহিংসতা চালিয়েছে আইএসআইএস।’ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে দর্জি বলেন, অপরাধ সংঘটিত করার জন্য তারা ভাড়াটে লোক পাঠিয়েছে। এর আগে জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব মার্থা পোবী নিরাপত্তা পরিষদকে বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামরিক পদক্ষেপের হুমকি উদ্বেগজনক। পরিস্থিতির অবনতি ঠেকাতে সব ধরনের চেষ্টা চালানো আবশ্যক। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইক ওয়াল্টজ বলেছেন, ইরানের সরকার নিজের জনগণের ওপর যে মাত্রার সহিংসতা চালিয়েছে, সেটির প্রভাব আন্তর্জাতিক
শান্তি ও নিরাপত্তার ওপর পড়ছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সাহসী জনগণের পাশে আছে।
যুক্তরাষ্ট্র ধারাবাহিকভাবে বক্তব্য দিচ্ছে। প্রকাশ্যে ইরানের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগের হুমকি দিয়েছে। এর ফল হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের ওপর যুদ্ধের মেঘ জমছে। অঞ্চলটিতে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। সামরিক পদক্ষেপের বিরোধিতা নিয়ে বেইজিংয়ের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে সুন লেই বলেন, বলপ্রয়োগ কখনোই সমস্যার সমাধান করতে পারে না। এটি কেবল সমস্যাকে আরও জটিল ও অমীমাংসিত করে তুলবে। যেকোনো সামরিক দুঃসাহসিকতা অঞ্চলটিকে অনিশ্চিত ও নিয়ন্ত্রণহীন অতল গহ্বরের দিকে ঠেলে দেবে। ‘সস্তা সার্কাস’ চলছে একইদিন পরিষদের বৈঠকে বক্তব্য দেন রাশিয়ার প্রতিনিধি ভাসিলি নেবেনজিয়া। যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন, তারা ইরান ঘিরে উত্তেজনা বাড়াতে চেষ্টা করছে। আবার তারাই নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক আহ্বান করেছে। এটি ‘সস্তা সার্কাসে’ পরিণত হয়েছে। নেবেনজিয়া বলেন, ‘আজকের (বৃহস্পতিবার) বৈঠকটি, একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের
অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নির্লজ্জ আগ্রাসন ও হস্তক্ষেপকে বৈধতা দেওয়ার প্রচেষ্টা ছাড়া কিছুই নয়।’ রুশ প্রতিনিধি বলেন, মস্কো ইরানের জনগণের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করছে। সব নিরপরাধ ভুক্তভোগীর জন্য শোক জানাচ্ছে। মস্কোর প্রতিনিধি আরও বলেন, বিদেশি শক্তিগুলো বর্তমান পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে একটি সরকার উৎখাত করতে চাইছে। তারা ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে ধ্বংস করতে চায়। যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞার হুমকি পরিষদের বৈঠকে যুক্তরাজ্যের প্রতিনিধি আর্চি ইয়ং ইরান সরকারের ‘দমনপীড়নের’ নিন্দা জানান। শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ইরানের বিক্ষোভকারীদের প্রতি। আর্চি ইয়ং বলেন, ইরানে সম্ভবত হাজার হাজার মানুষ নিহত এবং আরও বহু মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এমন খবরে যুক্তরাজ্য মর্মাহত। এটি বিগত দশকগুলোর মধ্যে জনবিক্ষোভের ওপর সবচেয়ে নৃশংস দমন কাণ্ড। ইরানি কর্তৃপক্ষের উচিত তাদের জনগণকে
রক্ষা করা, নিষ্ঠুরতা চালানো নয়। তেহরানের সরকার যদি এই পন্থ থেকে সরে না আসে তাহলে যুক্তরাজ্য অতিরিক্ত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে। এদিন জাতিসংঘে ইরানের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি গোলাম হোসেইন দর্জি দাবি করেন, ‘ইরানে কিছু নিরীহ নাগরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে সহিংসতা চালিয়েছে আইএসআইএস।’ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে দর্জি বলেন, অপরাধ সংঘটিত করার জন্য তারা ভাড়াটে লোক পাঠিয়েছে। এর আগে জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব মার্থা পোবী নিরাপত্তা পরিষদকে বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামরিক পদক্ষেপের হুমকি উদ্বেগজনক। পরিস্থিতির অবনতি ঠেকাতে সব ধরনের চেষ্টা চালানো আবশ্যক। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইক ওয়াল্টজ বলেছেন, ইরানের সরকার নিজের জনগণের ওপর যে মাত্রার সহিংসতা চালিয়েছে, সেটির প্রভাব আন্তর্জাতিক
শান্তি ও নিরাপত্তার ওপর পড়ছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সাহসী জনগণের পাশে আছে।



