ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘ইংলিশ পরীক্ষার’ আগে পানামা ক্যাম্পে হাতাহাতি
বিশ্বকাপের একক আয়োজক হতে চায় যুক্তরাষ্ট্র
নকআউটে কেপ ভার্দেকে পেল আর্জেন্টিনা, কবে-কখন সেই ম্যাচ?
জর্ডান ম্যাচে মেসিকে নিয়ে বিশেষ পরিকল্পনা, জানালেন স্কালোনি
মেসির গোলের উদাহরণ টেনে ফিফার কাছে ব্রাজিলের নালিশ
আর্জেন্টিনাকেই সেরা মানেন জাপান কোচ
বিশ্বকাপে রাউন্ড অব ৩২ নিশ্চিত করেছে যারা
ইতিহাসও তাকিয়ে ছিল দেম্বেলের দিকে
শেষ বাঁশির পরও কিছু মুহূর্ত রয়ে যায় অমলিন। নরওয়ের বিপক্ষে উসমান দেম্বেলের রাতটা ছিল তেমনই। যাকে ঘিরে প্রত্যাশা ছিল আকাশছোঁয়া, আবার হতাশাও ছিল গভীর। সেই দেম্বেলই এবার বিশ্বকাপের আলোয় দাঁড়িয়ে লিখলেন নিজের নতুন পরিচয়।
ম্যাচের শুরু থেকেই ফ্রান্সের ফুটবলে ছিল আগ্রাসন। আক্রমণের প্রতিটি পথ যেন গিয়ে মিলছিল দেম্বেলের কাছে। দ্রুতগতির দৌড়, সুযোগকে মুহূর্তে গোলে বদলে দেওয়ার ক্ষমতায় প্রথমার্ধেই ম্যাচটাকে নিজের করে নেন তিনি।
ইতিহাসের বইয়ে জায়গা করে নেন মাত্র ৩২ মিনিট। এই সময়ের মধ্যেই পূর্ণ হয়ে যায় তার হ্যাটট্রিক। এই কীর্তি গড়তে গিয়ে দেম্বেলে পেছনে ফেলেন প্রায় চার দশক ধরে আলোচিত গ্যারি লিনেকারের বিশ্বকাপ রেকর্ডকে। পুরুষ বিশ্বকাপ ইতিহাসের দ্বিতীয় দ্রুততম হ্যাটট্রিকদাতা
হিসেবে নিজের নাম তুলে দেন নতুন উচ্চতায়। এটাই ছিল বিশ্বকাপে দেম্বেলের প্রথম গোল। গোলের দরজা খুলেই তিনি করে ফেললেন হ্যাটট্রিক। ফরাসি ফুটবলের ইতিহাসেও তিনি জায়গা করে নিলেন জাস্ট ফঁতেন ও কিলিয়ান এমবাপ্পের সাথে। ১৯৯৭ সালের ১৫ মে ফ্রান্সের ভারন শহরে জন্ম নেওয়া উসমান দেম্বেলের শৈশব ছিল সাধারণ। বড় কোনো তারকাখ্যাতি নয়, ছিল শুধু ফুটবলের প্রতি একরাশ টান।ছোটবেলায় মাঠ মানেই ছিল স্বাধীনতা। বল পায়ে দৌড়ানো মানেই ছিল নিজের পৃথিবী বানিয়ে নেওয়া। তার মা ফাতিমাতা ডেম্বেলের শিকড় মৌরিতানিয়া ও সেনেগালে, বাবা মালিয়ান বংশোদ্ভূত। পরিবার ফ্রান্সে স্থায়ী হয়। ছোটবেলায় অনুশীলনে যাওয়া, নিয়ম মেনে চলা, জীবনযাপনে শৃঙ্খলা সবকিছুতেই ছিল মায়ের ভূমিকা। দেম্বেলের প্রতিভা যেমন জন্মগত, তেমনি চরিত্র
গঠনে পরিবারের মায়ের অবদান ছিল অসাধারণ। দেম্বেলে একবার বলেছিলেন, তার জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি পরিবার। মাঠে মানুষ যে দেম্বেলেকে দেখে, তার পেছনে মায়ের নীরব ত্যাগ লুকিয়ে আছে।’ দেম্বেলের দুই পায়ে সমান দক্ষতা। প্রতিপক্ষ বুঝতে পারত না তিনি কোন দিকে যাবেন। এটাই হয়ে ওঠে তার সবচেয়ে ভয়ংকর অস্ত্র। ফরাসি ফুটবলের বয়সভিত্তিক ধাপ পেরিয়ে সুযোগ আসে স্তাদ রেনে। এরপর জার্মানির বরুসিয়া ডর্টমুন্ড। তার গতি, ড্রিবল আর আক্রমণের ধার তৈরি করার ক্ষমতা বড় ক্লাবগুলোর দরজা খুলে দেয়। বার্সেলোনায় ঠিকানা হয়। খেলার সংগে শুরু হয় অন্য এক লড়াই।চোট। একবার নয়, বারবার। সমালোচনা। হতাশা। তিনি থামেননি। প্রতিবার ফিরে এসেছেন। প্রতিবার নিজেকে নতুন করে গড়েছেন। প্যারিস সেইন্ট জার্মেইনে গিয়ে
যেন আরও পরিণত হন। ২০২৫ মৌসুমে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স তাকে আবারও বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়দের আলোচনায় নিয়ে আসে। জাতীয় দলের পথও কম দীর্ঘ নয়। ২০১৬ সালে ফ্রান্সের জার্সিতে যাত্রা শুরু। ২০১৮ বিশ্বকাপে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলের সদস্য হলেও গোল পাননি। ২০২২ বিশ্বকাপে ফ্রান্স ফাইনালে উঠলেও আলোটা পুরোপুরি তার দিকে ছিল না। এবার সেনেগালের বিপক্ষে খুব উজ্জ্বল ছিলেন না। ইরাকের বিপক্ষে করেন বিশ্বকাপে নিজের প্রথম গোল। তৃতীয় ম্যাচে নরওয়ের বিপক্ষে ইতিহাস। দেম্বেলেকে দেখে বোঝা যায় না,এই হাসির পেছনে কতবার ফিরে আসার গল্প লুকিয়ে আছে। উসমান দেম্বেলে হোঁচট খেয়ে বহুবার পড়ে গেছেন। প্রতিবার উঠে দাঁড়িয়েছেন। কখনও কখনও জয় ট্রফি জয়ের জন্য নয়, নিজেকে ফিরিয়ে আনতে।
হিসেবে নিজের নাম তুলে দেন নতুন উচ্চতায়। এটাই ছিল বিশ্বকাপে দেম্বেলের প্রথম গোল। গোলের দরজা খুলেই তিনি করে ফেললেন হ্যাটট্রিক। ফরাসি ফুটবলের ইতিহাসেও তিনি জায়গা করে নিলেন জাস্ট ফঁতেন ও কিলিয়ান এমবাপ্পের সাথে। ১৯৯৭ সালের ১৫ মে ফ্রান্সের ভারন শহরে জন্ম নেওয়া উসমান দেম্বেলের শৈশব ছিল সাধারণ। বড় কোনো তারকাখ্যাতি নয়, ছিল শুধু ফুটবলের প্রতি একরাশ টান।ছোটবেলায় মাঠ মানেই ছিল স্বাধীনতা। বল পায়ে দৌড়ানো মানেই ছিল নিজের পৃথিবী বানিয়ে নেওয়া। তার মা ফাতিমাতা ডেম্বেলের শিকড় মৌরিতানিয়া ও সেনেগালে, বাবা মালিয়ান বংশোদ্ভূত। পরিবার ফ্রান্সে স্থায়ী হয়। ছোটবেলায় অনুশীলনে যাওয়া, নিয়ম মেনে চলা, জীবনযাপনে শৃঙ্খলা সবকিছুতেই ছিল মায়ের ভূমিকা। দেম্বেলের প্রতিভা যেমন জন্মগত, তেমনি চরিত্র
গঠনে পরিবারের মায়ের অবদান ছিল অসাধারণ। দেম্বেলে একবার বলেছিলেন, তার জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি পরিবার। মাঠে মানুষ যে দেম্বেলেকে দেখে, তার পেছনে মায়ের নীরব ত্যাগ লুকিয়ে আছে।’ দেম্বেলের দুই পায়ে সমান দক্ষতা। প্রতিপক্ষ বুঝতে পারত না তিনি কোন দিকে যাবেন। এটাই হয়ে ওঠে তার সবচেয়ে ভয়ংকর অস্ত্র। ফরাসি ফুটবলের বয়সভিত্তিক ধাপ পেরিয়ে সুযোগ আসে স্তাদ রেনে। এরপর জার্মানির বরুসিয়া ডর্টমুন্ড। তার গতি, ড্রিবল আর আক্রমণের ধার তৈরি করার ক্ষমতা বড় ক্লাবগুলোর দরজা খুলে দেয়। বার্সেলোনায় ঠিকানা হয়। খেলার সংগে শুরু হয় অন্য এক লড়াই।চোট। একবার নয়, বারবার। সমালোচনা। হতাশা। তিনি থামেননি। প্রতিবার ফিরে এসেছেন। প্রতিবার নিজেকে নতুন করে গড়েছেন। প্যারিস সেইন্ট জার্মেইনে গিয়ে
যেন আরও পরিণত হন। ২০২৫ মৌসুমে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স তাকে আবারও বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়দের আলোচনায় নিয়ে আসে। জাতীয় দলের পথও কম দীর্ঘ নয়। ২০১৬ সালে ফ্রান্সের জার্সিতে যাত্রা শুরু। ২০১৮ বিশ্বকাপে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলের সদস্য হলেও গোল পাননি। ২০২২ বিশ্বকাপে ফ্রান্স ফাইনালে উঠলেও আলোটা পুরোপুরি তার দিকে ছিল না। এবার সেনেগালের বিপক্ষে খুব উজ্জ্বল ছিলেন না। ইরাকের বিপক্ষে করেন বিশ্বকাপে নিজের প্রথম গোল। তৃতীয় ম্যাচে নরওয়ের বিপক্ষে ইতিহাস। দেম্বেলেকে দেখে বোঝা যায় না,এই হাসির পেছনে কতবার ফিরে আসার গল্প লুকিয়ে আছে। উসমান দেম্বেলে হোঁচট খেয়ে বহুবার পড়ে গেছেন। প্রতিবার উঠে দাঁড়িয়েছেন। কখনও কখনও জয় ট্রফি জয়ের জন্য নয়, নিজেকে ফিরিয়ে আনতে।



