ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতি: লেবাননে যুদ্ধবিরতি দীর্ঘায়িত, তেহরানের জন্য কমল সময়
বাংলাদেশে তালেবান নেটওয়ার্কের বিস্তার: কূটনীতির নামে উগ্রবাদী তৎপরতা, উদ্বেগ ও বিবিধ প্রশ্ন
মিত্রদের জন্য হরমুজে ফি মওকুফ করল ইরান, কারা আছেন তালিকায়
ইরানে পারমাণবিক হামলা করবেন কি না, জানালেন ট্রাম্প
আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করল তেহরান
যুদ্ধবিরতির মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাল আরেকটি মার্কিন রণতরি
হামলা হলে ‘কঠোর জবাব’ দেবে ইরান, প্রস্তুত ইসরায়েল
ইজতেমা থেকে ফেরার পথে নিজ দেশে হেনস্থার শিকার ভারতীয় ছাত্র
বাংলাদেশের টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমায় যোগ দিয়ে ফেরার পথে নিজ দেশ ভারতে হেনস্থার শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেছেন এক মুসলমান ছাত্র। বুধবার ওই ঘটনা জানিয়ে কলকাতায় পুলিশের কাছে এফআইআর দায়ের করেছেন তিনি।
পশ্চিমবঙ্গের হুগলী জেলার বাসিন্দা, এম টেক-এর ছাত্র রেজাউল ইসলাম বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, দর্শনায় সীমান্ত পেরিয়ে তিনি আরও তিন বন্ধুর সঙ্গে নদীয়ার গেদে থেকে ট্রেন ধরেন। তাদের গন্তব্য ছিল কলকাতার শিয়ালদহ স্টেশন। যাত্রাপথেই কিছু যাত্রী রেজাউলের ধর্ম নিয়ে এবং বাংলাদেশি বলে কটূক্তি করেন। তাকে শারীরিক নিগ্রহ করা হয় বলেও পুলিশের কাছে দায়ের করা অভিযোগে জানিয়েছেন তিনি।
তার অভিযোগ নদীয়ার রাণাঘাট স্টেশন থেকে ট্রেনে ওঠা একদল যাত্রী প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে তার
ওপরে এই হেনস্থা চালান। কী হয়েছিল ট্রেনে? বুধবার শিয়ালদহ রেল পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করার পরে কলকাতার আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ছাত্র বলেন, ‘ইজতেমায় গিয়েছিলাম আমরা চার বন্ধু। মঙ্গলবার সকালে গেদে স্টেশন থেকে আমরা ট্রেনে চাপি। ফাঁকা ট্রেন ছিল, তবে রাণাঘাট স্টেশনে খুব ভিড় হয়ে যায়। আমার একটা ট্রলি ব্যাগ সিটের ওপরে বাঙ্কে রেখেছিলাম। সেটা নামিয়ে সিটের নিচে রাখতে বলেন এক যাত্রী। আমি ব্যাগটা নামানোর সময়ে অন্য এক যাত্রী আমাকে ধাক্কা দেন। তারপরেই কটূক্তি করতে থাকেন তিনি। আমি তাকে বলি যে এরকমভাবে কথা বলছেন কেন?’ তিনি বলেন, এরপরেই ওই ব্যক্তির কয়েকজন সহযাত্রী আমার ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করতে থাকে। তারা বলেন, আমি নাকি বাংলাদেশি,
আমাদের মতো মানুষই নাকি কলকাতা দখল করে ফেলছে। আমাদের তাড়িয়ে দেওয়া উচিত ইত্যাদি। আমি তাদের স্পষ্টভাবে বলি যে আমিও ভারতীয়, আপনিও ভারতীয়। দুজনের একই অধিকার রয়েছে এদেশে থাকার। এভাবে কথা বলতে পারেন না আমার সঙ্গে। এই ‘অধিকার’ ইত্যাদি প্রসঙ্গ তোলার পরেই শুরু হয় শারীরিক নিগ্রহ। তিনি বলেন, একজন আমার টুপি মাটিতে ফেলে দেয়, আমার চুল, দাড়ি ছিঁড়ে দিয়েছে। কয়েকজন আমাকে তো চলন্ত ট্রেন থেকে ফেলে দেওয়ার হুমকি দেয়। তবে ওই যে ভদ্রলোক প্রথমে আমাকে ট্রলি ব্যাগ নামাতে বলেছিলেন, তিনি আমাকে আগলিয়ে রেখেছিলেন। ঘটনার সময় রেজাউলের অন্য বন্ধুরা একই কামরার অন্যান্য দিকে বসেছিল, তারাও জানতে পারেনি যে ঠিক কী ঘটছে তার সঙ্গে।
ওপরে এই হেনস্থা চালান। কী হয়েছিল ট্রেনে? বুধবার শিয়ালদহ রেল পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করার পরে কলকাতার আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ছাত্র বলেন, ‘ইজতেমায় গিয়েছিলাম আমরা চার বন্ধু। মঙ্গলবার সকালে গেদে স্টেশন থেকে আমরা ট্রেনে চাপি। ফাঁকা ট্রেন ছিল, তবে রাণাঘাট স্টেশনে খুব ভিড় হয়ে যায়। আমার একটা ট্রলি ব্যাগ সিটের ওপরে বাঙ্কে রেখেছিলাম। সেটা নামিয়ে সিটের নিচে রাখতে বলেন এক যাত্রী। আমি ব্যাগটা নামানোর সময়ে অন্য এক যাত্রী আমাকে ধাক্কা দেন। তারপরেই কটূক্তি করতে থাকেন তিনি। আমি তাকে বলি যে এরকমভাবে কথা বলছেন কেন?’ তিনি বলেন, এরপরেই ওই ব্যক্তির কয়েকজন সহযাত্রী আমার ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করতে থাকে। তারা বলেন, আমি নাকি বাংলাদেশি,
আমাদের মতো মানুষই নাকি কলকাতা দখল করে ফেলছে। আমাদের তাড়িয়ে দেওয়া উচিত ইত্যাদি। আমি তাদের স্পষ্টভাবে বলি যে আমিও ভারতীয়, আপনিও ভারতীয়। দুজনের একই অধিকার রয়েছে এদেশে থাকার। এভাবে কথা বলতে পারেন না আমার সঙ্গে। এই ‘অধিকার’ ইত্যাদি প্রসঙ্গ তোলার পরেই শুরু হয় শারীরিক নিগ্রহ। তিনি বলেন, একজন আমার টুপি মাটিতে ফেলে দেয়, আমার চুল, দাড়ি ছিঁড়ে দিয়েছে। কয়েকজন আমাকে তো চলন্ত ট্রেন থেকে ফেলে দেওয়ার হুমকি দেয়। তবে ওই যে ভদ্রলোক প্রথমে আমাকে ট্রলি ব্যাগ নামাতে বলেছিলেন, তিনি আমাকে আগলিয়ে রেখেছিলেন। ঘটনার সময় রেজাউলের অন্য বন্ধুরা একই কামরার অন্যান্য দিকে বসেছিল, তারাও জানতে পারেনি যে ঠিক কী ঘটছে তার সঙ্গে।



