ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যে দেশে মাইক্রোক্রেডিট ব্যবসায়ী প্রধান উপদেষ্টা, সেখানে মানুষ ঋণের দায়ে মরবেই
শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই ক্ষমতায় ফিরবে আওয়ামী লীগ: হাসান মাহমুদ OHCHR প্রতিবেদনকে পক্ষপাতদুষ্ট’ আখ্যা
মাটিরাঙ্গায় বিএনপির অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষ, পেছনে নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব ও পুরনো অভিযোগ
দুর্নীতির পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন সময়ের নায়ক তারেক রহমান, এখন রাষ্ট্রনায়ক বানানোর অপচেষ্টা
৪০ বছরের রেকর্ড, রাজস্ব আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি, দেশ দেউলিয়া হওয়ার পথে
ইউনুস সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় জাতিসংঘকে ব্যবহার করে সত্য আড়াল: ওএইচসিএইচআর রিপোর্টকে ‘মনগড়া ও ইউনুসপ্রীতি আইসিআরএফ
আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন নয়, নামসর্বস্ব প্রহসন : আন্তর্জাতিক সতর্কতা
ইউনূস ম্যাজিকে এখন বিশ্বের সপ্তম দুর্বল পাসপোর্ট বাংলাদেশের
বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ও দুর্বল পাসপোর্ট নিয়ে প্রকাশিত ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসের ‘হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্স’-এ বাংলাদেশের পাসপোর্টের ব্যাপক অবনমন ঘটেছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের পাসপোর্ট এখন বিশ্বের সপ্তম দুর্বলতম অবস্থানে। তালিকায় মোট ১০১টি অবস্থানের মধ্যে বাংলাদেশের স্থান ৯৫তম। বর্তমানে বাংলাদেশের পাসপোর্ট ব্যবহার করে বিশ্বের মাত্র ৩৭টি দেশে ভিসা ছাড়া ভ্রমণ করা সম্ভব। এর আগে ২০২৫ সালের জানুয়ারি সংস্করণে বাংলাদেশ ১০০তম অবস্থানে থাকলেও এবার সূচকের কাঠামো অনুযায়ী সাতটি দেশের উপরে থাকলেও সক্ষমতার বিচারে এটি ইতিহাসের অন্যতম নিম্নমুখী অবস্থান।
বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শাসন আমলে বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের গ্রহণযোগ্যতা চরম সংকটে
পড়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বাংলাদেশের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এবং সরকারের সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের বিদেশ যাত্রা এবং ভিসার ওপর। বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশিদের জন্য বিদেশের দুয়ার কার্যত বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশিদের ভিসার জন্য ১৫ হাজার ডলারের জামানত দাবি করছে, যা মূলত একটি রাজনৈতিক সতর্কবার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইউরোপের দেশগুলোসহ কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া স্টুডেন্ট ভিসা দিতে ব্যাপক গড়িমসি করছে। আগে যেখানে যুক্তরাষ্ট্র বছরে ৫-৬ লাখ ভিসা ইস্যু করত, বর্তমানে তা ২ লাখের নিচে নেমে এসেছে। প্রতিবেশী দেশ ভারত ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে পর্যটন ভিসা বন্ধ করে রেখেছে, যা সাধারণ নাগরিকদের চিকিৎসাসহ জরুরি ভ্রমণে স্থবিরতা সৃষ্টি
করেছে। বিদেশের শ্রমবাজারেও নেমে এসেছে অন্ধকার। সৌদি আরব ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সব দেশই বাংলাদেশি শ্রমিক নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, অবৈধ সরকার ও অস্থিতিশীল শাসন ব্যবস্থার কারণে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো বাংলাদেশের ব্যাকগ্রাউন্ড ভেরিফিকেশন ও নথিপত্রের ওপর আস্থা হারিয়েছে। এর ফলে দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি রেমিট্যান্স প্রবাহ অদূর ভবিষ্যতে শুকিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অভ্যন্তরীণভাবেও দেশ চরম অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের ওপর লাঞ্ছনা এবং বিদেশি বিনিয়োগ শূন্যের কোঠায় নেমে আসায় বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদের মতো বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনো সরকারের সাংবিধানিক বৈধতা না থাকলে সেই দেশের নাগরিকদের কাগজপত্রের গ্রহণযোগ্যতাও প্রশ্নবিদ্ধ হয়। ড. ইউনূসের সরকার
নির্বাচন বা ক্ষমতা হস্তান্তরের কোনো সুনির্দিষ্ট রূপরেখা না দেওয়ায় এই অনিশ্চয়তা আরও ঘনীভূত হচ্ছে। ভিসা ও পাসপোর্টের এই সংকট কেবল প্রশাসনিক সমস্যা নয়, বরং এটি একটি গভীর জাতীয় সংকট। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কার্যত বর্তমান শাসনব্যবস্থাকে প্রত্যাখ্যান করছে, যার মূল্য দিতে হচ্ছে সাধারণ শিক্ষার্থী, শ্রমিক এবং ব্যবসায়ীদের। দ্রুত একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক ও বৈধ সরকার প্রতিষ্ঠিত না হলে বিশ্বদরবারে বাংলাদেশিদের এই ‘অচ্ছুত’ অবস্থা আরও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
পড়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বাংলাদেশের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এবং সরকারের সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের বিদেশ যাত্রা এবং ভিসার ওপর। বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশিদের জন্য বিদেশের দুয়ার কার্যত বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশিদের ভিসার জন্য ১৫ হাজার ডলারের জামানত দাবি করছে, যা মূলত একটি রাজনৈতিক সতর্কবার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইউরোপের দেশগুলোসহ কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া স্টুডেন্ট ভিসা দিতে ব্যাপক গড়িমসি করছে। আগে যেখানে যুক্তরাষ্ট্র বছরে ৫-৬ লাখ ভিসা ইস্যু করত, বর্তমানে তা ২ লাখের নিচে নেমে এসেছে। প্রতিবেশী দেশ ভারত ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে পর্যটন ভিসা বন্ধ করে রেখেছে, যা সাধারণ নাগরিকদের চিকিৎসাসহ জরুরি ভ্রমণে স্থবিরতা সৃষ্টি
করেছে। বিদেশের শ্রমবাজারেও নেমে এসেছে অন্ধকার। সৌদি আরব ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সব দেশই বাংলাদেশি শ্রমিক নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, অবৈধ সরকার ও অস্থিতিশীল শাসন ব্যবস্থার কারণে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো বাংলাদেশের ব্যাকগ্রাউন্ড ভেরিফিকেশন ও নথিপত্রের ওপর আস্থা হারিয়েছে। এর ফলে দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি রেমিট্যান্স প্রবাহ অদূর ভবিষ্যতে শুকিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অভ্যন্তরীণভাবেও দেশ চরম অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের ওপর লাঞ্ছনা এবং বিদেশি বিনিয়োগ শূন্যের কোঠায় নেমে আসায় বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদের মতো বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনো সরকারের সাংবিধানিক বৈধতা না থাকলে সেই দেশের নাগরিকদের কাগজপত্রের গ্রহণযোগ্যতাও প্রশ্নবিদ্ধ হয়। ড. ইউনূসের সরকার
নির্বাচন বা ক্ষমতা হস্তান্তরের কোনো সুনির্দিষ্ট রূপরেখা না দেওয়ায় এই অনিশ্চয়তা আরও ঘনীভূত হচ্ছে। ভিসা ও পাসপোর্টের এই সংকট কেবল প্রশাসনিক সমস্যা নয়, বরং এটি একটি গভীর জাতীয় সংকট। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কার্যত বর্তমান শাসনব্যবস্থাকে প্রত্যাখ্যান করছে, যার মূল্য দিতে হচ্ছে সাধারণ শিক্ষার্থী, শ্রমিক এবং ব্যবসায়ীদের। দ্রুত একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক ও বৈধ সরকার প্রতিষ্ঠিত না হলে বিশ্বদরবারে বাংলাদেশিদের এই ‘অচ্ছুত’ অবস্থা আরও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।



