ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মব সন্ত্রাসের মহোৎসবে জুলাই দাঙ্গার ফসল ঘরে তুলছে বাংলাদেশ
নির্বাচনী কারসাজির নয়া কায়দা : ইউনুসের পঞ্চান্ন হাজার ভুয়া পর্যবেক্ষক
প্রবাসীদের ভোটাধিকার নাকি জামায়াতের ভোটব্যাংক সাজানোর খেলা?
নির্বাচনে ৯৫ শতাংশ প্রবাসী সাড়া দেননি, কারাগারে ৯৩ শতাংশ
গণভোট নয়, সংবিধান ভাঙার নীলনকশা
ভোটের আগে অরক্ষিত সীমান্ত: ‘জিরো টলারেন্স’-এর বুলিতে ঢাকা পড়ছে অস্ত্রের ঝনঝনানি
“হ্যাঁ–না ভোটের ফল আগেই নির্ধারিত। এখন চলছে ভোটের নামে এক প্রহসন।” — জননেত্রী শেখ হাসিনা
ইউনূসের শাসনে বন্দী গণমাধ্যম ও জাতির বিবেক
পৃথিবীর ইতিহাসে যেসব স্বৈরাচারী শাসক ঘৃণার প্রতীক, তাদের মধ্যে আজ যুক্ত হয়েছে ড. ইউনূস। তার শাসনে বাংলাদেশ আর রাষ্ট্র নয় এটি একটি বন্দীশালা। কারাগারে বন্দী শুধু মানুষ নয় বন্দী হয়েছে সত্য, বিবেক এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা। এই বন্দীশালায় আজ ক্রন্দনরত বাংলাদেশের মুক্ত গণমাধ্যমের প্রবাদপুরুষ আনিস আলমগীর, প্রফেসর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, আবু আলম শহীদ খানসহ অসংখ্য সাংবাদিক ও লেখক।
সবচেয়ে নির্মম সত্য হলো,যে মানুষগুলো একসময় মনভরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমালোচনা করেছে, কলামে কলামে তার সরকারকে বিদ্ধ করেছে, টকশোতে তুলোধুনো করেছে, এবং দিনের শেষে বলেছে, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলে কথা বলার স্বাধীনতা নেই” আজ তাদের প্রমাণ করতে হচ্ছে স্বাধীনতা আসলে কী ছিল। তখন তারা
কথা বলেছিল, সমালোচনা করেছিল, রাষ্ট্র টিকে ছিল, গণমাধ্যম চলেছিল। আজ সেই একই কণ্ঠ, সেই একই কলম কারাগারে। এখন আর সমালোচনার পর বক্তৃতা দেওয়ার সুযোগ নেই সমালোচনার আগেই হাতকড়া। তখন অভিযোগ ছিল স্বাধীনতা সংকুচিত আজ স্বাধীনতা নিজের অস্তিত্বের প্রশ্নে। এই তফাৎ ইতিহাসে রয়ে যাবে একই ব্যক্তি, একাই, দুই বাস্তবতা। ইতিহাস ভুলে যায় না। শক্তিশালী রাষ্ট্রও ভুলে যায় না যে সময় সত্য বলার জন্য মানুষকে কারাগারে ঠেলে দেওয়া হয়, সেই সময়ই ফ্যাসিবাদের প্রকৃত রূপ প্রকাশ পায়। তাই আজ স্পষ্ট দাবি ড. ইউনূসের ফেরাউনি শাসনে বন্দী সকল গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। কারণ বিবেক বন্দী থাকলে রাষ্ট্র কখনো সত্যিকার অর্থে মুক্ত থাকতে পারে না।
কথা বলেছিল, সমালোচনা করেছিল, রাষ্ট্র টিকে ছিল, গণমাধ্যম চলেছিল। আজ সেই একই কণ্ঠ, সেই একই কলম কারাগারে। এখন আর সমালোচনার পর বক্তৃতা দেওয়ার সুযোগ নেই সমালোচনার আগেই হাতকড়া। তখন অভিযোগ ছিল স্বাধীনতা সংকুচিত আজ স্বাধীনতা নিজের অস্তিত্বের প্রশ্নে। এই তফাৎ ইতিহাসে রয়ে যাবে একই ব্যক্তি, একাই, দুই বাস্তবতা। ইতিহাস ভুলে যায় না। শক্তিশালী রাষ্ট্রও ভুলে যায় না যে সময় সত্য বলার জন্য মানুষকে কারাগারে ঠেলে দেওয়া হয়, সেই সময়ই ফ্যাসিবাদের প্রকৃত রূপ প্রকাশ পায়। তাই আজ স্পষ্ট দাবি ড. ইউনূসের ফেরাউনি শাসনে বন্দী সকল গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। কারণ বিবেক বন্দী থাকলে রাষ্ট্র কখনো সত্যিকার অর্থে মুক্ত থাকতে পারে না।



