ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শেখ মুজিবঃ ছাত্রনেতা থেকে জননেতা
শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এ বায়ান্নর বীর সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই
২১শে ফেব্রুয়ারি আমরা উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা নিয়ে দিন কাটালাম – শেখ মুজিবের
শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার বাণী
অমর একুশে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
‘জামায়াতের হাত থেকে বাঁচতে নাকে রুমাল দিয়ে বিএনপিকে ভোট দিয়েছে মানুষ’: সাংবাদিক নুরুল কবির
হলফনামায় সম্পদ ২ কোটি, হাজার কোটি টাকার ‘নগদ’ কিনতে চান ব্যারিস্টার আরমান
ইউনুসের অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের বলি যেভাবে হলো বাংলাদেশের আপামর তরুণ প্রজন্ম
ইউনুসের অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের বলি যেভাবে হলো বাংলাদেশের আপামর তরুণ প্রজন্ম : একটি বিশ্লেষণ
বাংলাদেশের পাসপোর্ট হাতে নিয়ে যখন কোনো তরুণ ভিসা অফিসের সামনে দাঁড়ায়, তখন তার চোখে থাকে স্বপ্ন। হয়তো লন্ডনে পড়াশোনা, হয়তো টরন্টোতে চাকরি, হয়তো সিডনিতে নতুন জীবন। কিন্তু গত ছয় মাসে সেই স্বপ্নগুলো একের পর এক ভেঙে চুরমার হয়ে যাচ্ছে। ইউরোপের দেশগুলো বাংলাদেশিদের ভিসা দেওয়া প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে। যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া আগে থেকেই কড়াকড়ি শুরু করেছিল, এখন শোনা যাচ্ছে আফ্রিকার কিছু দেশও একই পথে হাঁটবে। প্রশ্ন হলো, হঠাৎ করে এই পরিবর্তন কেন?
উত্তরটা লুকিয়ে আছে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ঘটনায়। সেদিন একটা নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করা হলো।
রাস্তায় রক্ত ঝরল, সম্পত্তি পুড়ল, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়ল। তারপর ক্ষমতায় বসলেন মুহাম্মদ ইউনুস, একজন মানুষ যিনি কখনো কোনো নির্বাচনে দাঁড়াননি, যার কোনো রাজনৈতিক দলও ছিল না। নোবেল পুরস্কার পাওয়া একজন অর্থনীতিবিদ হঠাৎ করে দেশ চালানোর দায়িত্ব নিলেন। কিন্তু সেই দায়িত্ব তিনি পেলেন রাস্তার সহিংসতা আর পরিকল্পিত অস্থিরতার মধ্য দিয়ে। ৫ আগস্টের পর থেকে দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপট পুরোপুরি বদলে গেছে। জামায়াতে ইসলামী, যে সংগঠনটির নেতারা ১৯৭১ সালে এই দেশের মানুষ হত্যায় সরাসরি জড়িত ছিল, তারা এখন ক্ষমতার অংশীদার। বিএনপি, যাদের শাসনামলে বাংলাদেশ পরপর পাঁচবার বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় প্রথম হয়েছিল, তারাও এখন প্রভাবশালী অবস্থানে। এনসিপি নামে নতুন একটা সংগঠনও তৈরি
হয়েছে, যার জন্ম হয়েছে ক্ষমতার করিডোরে, জনগণের সমর্থনে নয়। বিদেশি দেশগুলো ভিসা দেওয়ার আগে নিরাপত্তা যাচাই করে। তারা দেখে আবেদনকারী কোন দেশ থেকে আসছে, সেই দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন, সেখানে কারা ক্ষমতায় আছে। যখন তারা দেখে যে বাংলাদেশে এখন এমন লোকেরা প্রভাবশালী হয়েছে যাদের অতীত প্রশ্নবিদ্ধ, যখন তারা দেখে দেশটা একটা অবৈধ ক্যুর মাধ্যমে ক্ষমতা পরিবর্তনের ঘটনা দেখেছে, তখন স্বাভাবিকভাবেই তারা সতর্ক হয়ে যায়। ইউরোপের দেশগুলোর এই সিদ্ধান্ত তাদের নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে নেওয়া একটা বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ। কিন্তু এর খেসারত দিচ্ছে কারা? সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে তরুণরা। যে ছেলেটা তিন বছর ধরে আইইএলটিএস পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে, টাকা জমিয়েছে, সে এখন জানতে পারছে
তার স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ থাকলেও ভিসা পাওয়া প্রায় অসম্ভব। এই তরুণদের কী দোষ? তারা তো কোনো রাজনীতি করেনি, কোনো সহিংসতায় অংশ নেয়নি। কিন্তু তাদের ভবিষ্যৎ এখন ঝুলে আছে এমন কিছু লোকের সিদ্ধান্তের ওপর যারা নিজেদের ক্ষমতার স্বার্থে দেশের সুনাম বিক্রি করে দিতে দ্বিধা করেনি। ইউনুসের পেছনে আছে বিদেশি প্রভাব। পশ্চিমা কিছু দেশ তাকে সমর্থন করছে, কারণ তারা মনে করে তিনি তাদের স্বার্থ রক্ষা করবেন। স্থানীয় পর্যায়ে তাকে সমর্থন করছে জামায়াত আর বিএনপি। এই দুই দলের ইতিহাস দেখলেই বোঝা যায় তারা কোন পথে হাঁটে। মাইক্রোক্রেডিটের মাধ্যমে ইউনুস বিখ্যাত হয়েছিলেন গরিবদের ক্ষুদ্র ঋণ দেওয়ার কাজে, কিন্তু সেই ঋণের সুদের হার নিয়ে
বিতর্ক সবসময়ই ছিল। বাংলাদেশের পাসপোর্টের মর্যাদা এখন তলানিতে। বিশ্বের সবচেয়ে দুর্বল পাসপোর্টগুলোর তালিকায় এটা আছে। আর ৫ আগস্টের পর থেকে পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে। এটা শুধু ভিসার সমস্যা নয়, এটা জাতীয় মর্যাদার প্রশ্ন। বিদেশি বিনিয়োগও কমে যাচ্ছে। কোনো বিনিয়োগকারী এমন দেশে টাকা লগ্নি করতে চায় না যেখানে রাজনৈতিক অস্থিরতা আছে। বিনিয়োগ কমলে চাকরির সুযোগও কমে। তরুণরা কাজ পায় না। অর্থনীতি মন্দায় পড়ে। বাংলাদেশ একটা সম্ভাবনাময় দেশ। তরুণ জনগোষ্ঠী, পরিশ্রমী মানুষ, কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান। কিন্তু রাজনৈতিক অস্থিরতা সব সম্ভাবনা নষ্ট করে দিচ্ছে। গত কয়েক দশকে দেশ যতটুকু এগিয়েছিল, সেটাও এখন হুমকির মুখে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি থমকে গেছে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমছে, মূল্যস্ফীতি বাড়ছে। ইউনুসের নেতৃত্বাধীন
এই অন্তর্বর্তী সরকার নিজেদের সংস্কারক বলে দাবি করে। কিন্তু সংস্কার করতে হলে বৈধতা লাগে। জনগণের ম্যান্ডেট লাগে। একটা অবৈধ সরকার কীভাবে বৈধ সংস্কার করবে? আর সবচেয়ে খারাপ ব্যাপার হলো, যুদ্ধাপরাধীরা এখন প্রকাশ্যে রাজনীতি করছে। তাদের নেতারা টেলিভিশনে আসছে, সাক্ষাৎকার দিচ্ছে, নীতিনির্ধারণী বৈঠকে যোগ দিচ্ছে। এটা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথে চরম বেইমানি। দেশের তরুণদের বুঝতে হবে কে তাদের আসল শত্রু। কারা তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে খেলছে। ভিসা বন্ধ হওয়া একটা উপসর্গ মাত্র। আসল রোগ হলো দেশের অস্থিতিশীলতা, অবৈধ ক্ষমতা দখল, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ভাঙন। ইতিহাস বলে, জনবিচ্ছিন্ন শাসকরা কখনো দীর্ঘস্থায়ী হয় না। বিদেশি প্রভুদের সাহায্যে যারা ক্ষমতায় আসে, তারা শেষ পর্যন্ত পতনের মুখে পড়ে। কারণ
জনগণের সমর্থন ছাড়া কোনো শাসন ব্যবস্থা টিকে থাকতে পারে না।
রাস্তায় রক্ত ঝরল, সম্পত্তি পুড়ল, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়ল। তারপর ক্ষমতায় বসলেন মুহাম্মদ ইউনুস, একজন মানুষ যিনি কখনো কোনো নির্বাচনে দাঁড়াননি, যার কোনো রাজনৈতিক দলও ছিল না। নোবেল পুরস্কার পাওয়া একজন অর্থনীতিবিদ হঠাৎ করে দেশ চালানোর দায়িত্ব নিলেন। কিন্তু সেই দায়িত্ব তিনি পেলেন রাস্তার সহিংসতা আর পরিকল্পিত অস্থিরতার মধ্য দিয়ে। ৫ আগস্টের পর থেকে দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপট পুরোপুরি বদলে গেছে। জামায়াতে ইসলামী, যে সংগঠনটির নেতারা ১৯৭১ সালে এই দেশের মানুষ হত্যায় সরাসরি জড়িত ছিল, তারা এখন ক্ষমতার অংশীদার। বিএনপি, যাদের শাসনামলে বাংলাদেশ পরপর পাঁচবার বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় প্রথম হয়েছিল, তারাও এখন প্রভাবশালী অবস্থানে। এনসিপি নামে নতুন একটা সংগঠনও তৈরি
হয়েছে, যার জন্ম হয়েছে ক্ষমতার করিডোরে, জনগণের সমর্থনে নয়। বিদেশি দেশগুলো ভিসা দেওয়ার আগে নিরাপত্তা যাচাই করে। তারা দেখে আবেদনকারী কোন দেশ থেকে আসছে, সেই দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন, সেখানে কারা ক্ষমতায় আছে। যখন তারা দেখে যে বাংলাদেশে এখন এমন লোকেরা প্রভাবশালী হয়েছে যাদের অতীত প্রশ্নবিদ্ধ, যখন তারা দেখে দেশটা একটা অবৈধ ক্যুর মাধ্যমে ক্ষমতা পরিবর্তনের ঘটনা দেখেছে, তখন স্বাভাবিকভাবেই তারা সতর্ক হয়ে যায়। ইউরোপের দেশগুলোর এই সিদ্ধান্ত তাদের নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে নেওয়া একটা বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ। কিন্তু এর খেসারত দিচ্ছে কারা? সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে তরুণরা। যে ছেলেটা তিন বছর ধরে আইইএলটিএস পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে, টাকা জমিয়েছে, সে এখন জানতে পারছে
তার স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ থাকলেও ভিসা পাওয়া প্রায় অসম্ভব। এই তরুণদের কী দোষ? তারা তো কোনো রাজনীতি করেনি, কোনো সহিংসতায় অংশ নেয়নি। কিন্তু তাদের ভবিষ্যৎ এখন ঝুলে আছে এমন কিছু লোকের সিদ্ধান্তের ওপর যারা নিজেদের ক্ষমতার স্বার্থে দেশের সুনাম বিক্রি করে দিতে দ্বিধা করেনি। ইউনুসের পেছনে আছে বিদেশি প্রভাব। পশ্চিমা কিছু দেশ তাকে সমর্থন করছে, কারণ তারা মনে করে তিনি তাদের স্বার্থ রক্ষা করবেন। স্থানীয় পর্যায়ে তাকে সমর্থন করছে জামায়াত আর বিএনপি। এই দুই দলের ইতিহাস দেখলেই বোঝা যায় তারা কোন পথে হাঁটে। মাইক্রোক্রেডিটের মাধ্যমে ইউনুস বিখ্যাত হয়েছিলেন গরিবদের ক্ষুদ্র ঋণ দেওয়ার কাজে, কিন্তু সেই ঋণের সুদের হার নিয়ে
বিতর্ক সবসময়ই ছিল। বাংলাদেশের পাসপোর্টের মর্যাদা এখন তলানিতে। বিশ্বের সবচেয়ে দুর্বল পাসপোর্টগুলোর তালিকায় এটা আছে। আর ৫ আগস্টের পর থেকে পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে। এটা শুধু ভিসার সমস্যা নয়, এটা জাতীয় মর্যাদার প্রশ্ন। বিদেশি বিনিয়োগও কমে যাচ্ছে। কোনো বিনিয়োগকারী এমন দেশে টাকা লগ্নি করতে চায় না যেখানে রাজনৈতিক অস্থিরতা আছে। বিনিয়োগ কমলে চাকরির সুযোগও কমে। তরুণরা কাজ পায় না। অর্থনীতি মন্দায় পড়ে। বাংলাদেশ একটা সম্ভাবনাময় দেশ। তরুণ জনগোষ্ঠী, পরিশ্রমী মানুষ, কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান। কিন্তু রাজনৈতিক অস্থিরতা সব সম্ভাবনা নষ্ট করে দিচ্ছে। গত কয়েক দশকে দেশ যতটুকু এগিয়েছিল, সেটাও এখন হুমকির মুখে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি থমকে গেছে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমছে, মূল্যস্ফীতি বাড়ছে। ইউনুসের নেতৃত্বাধীন
এই অন্তর্বর্তী সরকার নিজেদের সংস্কারক বলে দাবি করে। কিন্তু সংস্কার করতে হলে বৈধতা লাগে। জনগণের ম্যান্ডেট লাগে। একটা অবৈধ সরকার কীভাবে বৈধ সংস্কার করবে? আর সবচেয়ে খারাপ ব্যাপার হলো, যুদ্ধাপরাধীরা এখন প্রকাশ্যে রাজনীতি করছে। তাদের নেতারা টেলিভিশনে আসছে, সাক্ষাৎকার দিচ্ছে, নীতিনির্ধারণী বৈঠকে যোগ দিচ্ছে। এটা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথে চরম বেইমানি। দেশের তরুণদের বুঝতে হবে কে তাদের আসল শত্রু। কারা তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে খেলছে। ভিসা বন্ধ হওয়া একটা উপসর্গ মাত্র। আসল রোগ হলো দেশের অস্থিতিশীলতা, অবৈধ ক্ষমতা দখল, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ভাঙন। ইতিহাস বলে, জনবিচ্ছিন্ন শাসকরা কখনো দীর্ঘস্থায়ী হয় না। বিদেশি প্রভুদের সাহায্যে যারা ক্ষমতায় আসে, তারা শেষ পর্যন্ত পতনের মুখে পড়ে। কারণ
জনগণের সমর্থন ছাড়া কোনো শাসন ব্যবস্থা টিকে থাকতে পারে না।



