ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার সেই শিবির নেতা ২ দিনের রিমান্ডে
নতুন বেতন কাঠামোতে আরও যেসব সুবিধা পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা
কয়লা খনির ময়লা পানিতে জীবনের রঙিন স্বপ্ন
৫ বছর আগেই ‘জাস্টিস ফর হাদি’ গ্রুপ: হাদি কিলিং মিশিন কি পুরনো ‘মেটিক্যুলাস ডিজাইন’?
যেমন খুশি তেমন সাজো প্রতিযোগিতা? আবারও বদলে গেল পুলিশের পোশাক
অনিয়ম-অব্যবস্থাপনায় অতিষ্ঠ নগরবাসী: আওয়ামী লীগের মিছিল ক্রমশ দীর্ঘতর: বদলাচ্ছে রাজনৈতিক সমীকরণ
গাঢ় নীল-জলপাই রঙের শার্টে ফিরছে পুলিশ, প্যান্ট হবে খাকি
আশুগঞ্জ-আখাউড়া মহাসড়ক নির্মাণে ফিরছেন ভারতীয়রা
৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে নিজ দেশে চলে গিয়েছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ-আখাউড়া চার লেন জাতীয় মহাসড়কের ভারতীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ফলে বন্ধ হয়ে যায় মহাসড়ক নির্মাণ কাজ।
তিন মাস পর প্রকল্পটির ভারতীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এফকন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ফিরতে শুরু করেছেন। ফলে আবার শুরু হয়েছে এই মহাসড়কের কাজ।
চলতি নভেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে মহাসড়কের বেহাল অংশের সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে গুরুত্বপূর্ণ এই প্রকল্প নিয়ে।
আশুগঞ্জ নৌবন্দর থেকে আখাউড়া স্থলবন্দর পর্যন্ত প্রায় ৫১ কিলোমিটার মহাসড়ক চারলেন উন্নীতকরণে ২০১৭ সালে একনেকে একটি প্রকল্প অনুমোদন দেয় সরকার। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় হচ্ছে ৫
হাজার ৭৯১ কোটি টাকা। তবে করোনা মহামারিসহ বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার কারণে বিলম্বিত হয় প্রকল্পের কাজ। এখন পর্যন্ত প্রকল্পের অগ্রগতি ৫৫ শতাংশ। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, নিরাপত্তাজনিত কারণে গত ৫ আগস্টের পর কয়েক ধাপে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩০০ কর্মকর্তা-কর্মচারী ভারতে চলে যান। এতে নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে যায়। এ ছাড়া দীর্ঘদিন প্রকল্পের অধীনে থাকায় মহাসড়কটিতে নিয়মিত সংস্কার কাজ করতে না পারায় অন্তত ৪ কিলোমিটার অংশে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন মহাসড়ক ব্যবহারকারীরা। দীর্ঘ আলোচনার পর গত অক্টোরের শেষ সপ্তাহ থেকে প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ভারত থেকে ফিরতে শুরু করায় বেহাল অংশের সংস্কার কাজ শুরু হয়। চার লেন মহাসড়ক প্রকল্পের ব্যবস্থাপক শামীম আহমেদ জানান, ফিরতে শুরু
করেছেন ভারতীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন। ইতোমধ্যে প্রায় ৩০ জন ভারতীয় কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রকল্প এলাকায় ফিরেছেন। আপাতত সংস্কার কাজ চলছে। এটি শেষ করে পাথরসহ অন্যান্য উপকরণ আমদানির পর মহাসড়কের অবশিষ্ট অংশের নির্মাণ কাজ পুরোদমে শুরু হবে। তবে প্রকল্পের মেয়াদ আরও বাড়ানো হতে পারে।
হাজার ৭৯১ কোটি টাকা। তবে করোনা মহামারিসহ বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার কারণে বিলম্বিত হয় প্রকল্পের কাজ। এখন পর্যন্ত প্রকল্পের অগ্রগতি ৫৫ শতাংশ। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, নিরাপত্তাজনিত কারণে গত ৫ আগস্টের পর কয়েক ধাপে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩০০ কর্মকর্তা-কর্মচারী ভারতে চলে যান। এতে নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে যায়। এ ছাড়া দীর্ঘদিন প্রকল্পের অধীনে থাকায় মহাসড়কটিতে নিয়মিত সংস্কার কাজ করতে না পারায় অন্তত ৪ কিলোমিটার অংশে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন মহাসড়ক ব্যবহারকারীরা। দীর্ঘ আলোচনার পর গত অক্টোরের শেষ সপ্তাহ থেকে প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ভারত থেকে ফিরতে শুরু করায় বেহাল অংশের সংস্কার কাজ শুরু হয়। চার লেন মহাসড়ক প্রকল্পের ব্যবস্থাপক শামীম আহমেদ জানান, ফিরতে শুরু
করেছেন ভারতীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন। ইতোমধ্যে প্রায় ৩০ জন ভারতীয় কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রকল্প এলাকায় ফিরেছেন। আপাতত সংস্কার কাজ চলছে। এটি শেষ করে পাথরসহ অন্যান্য উপকরণ আমদানির পর মহাসড়কের অবশিষ্ট অংশের নির্মাণ কাজ পুরোদমে শুরু হবে। তবে প্রকল্পের মেয়াদ আরও বাড়ানো হতে পারে।



