‘আমার বাড়িটা আর নেই’, ঘরে ফেরা ফিলিস্তিনির আর্তনাদ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৯ জানুয়ারি, ২০২৫

‘আমার বাড়িটা আর নেই’, ঘরে ফেরা ফিলিস্তিনির আর্তনাদ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৯ জানুয়ারি, ২০২৫ |
বিধ্বস্ত গাজার উত্তরে ফিরতে শুরু করেছেন বাসিন্দারা। তবে সেখানে আর ঘর নেই। আছে শুধু ধ্বংসের স্তূপ। তবুও যুদ্ধ বন্ধের পরপরই নিজ ভূমিতে ছুটে এসেছেন বাস্তচ্যুত ফিলিস্তিনিরা। ফিরেই নিজের মিশ্র অনুভূতি প্রকাশ করেছেন ৪৪ বছর বয়সি সাবরাইন জানুন। বিবিসিকে বলেছেন, আমরা আবার আমাদের পরিবার ও স্বজনদের দেখতে পেয়ে খুশি। তবে সেই সঙ্গে কান্নাও আসছে। কারণ আমার বাড়িটা আর নেই। সোমবার উত্তর গাজায় নিজেদের ভিটেতে ফেরা লাখো ফিলিস্তিনিরই একজন সাবরাইন। সম্প্রতি ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর গাজার বিভিন্ন অংশে আশ্রয় নেওয়া মানুষরা নিজ এলাকায় ফিরতে শুরু করেন। ১৫ মাস ধরে যুদ্ধ চলার পর অবশেষে গাজা উপত্যকায়

এ যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর গাজার অন্যান্য বাসিন্দাদের মতো সাবরাইনও কয়েকবার বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। তিনি সর্বশেষ মধ্য গাজার দেইর আল–বালাহ এলাকা থেকে বাস্তুচ্যুত হন। যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার পর সোমবার সকালে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের উত্তর গাজায় ফিরতে উপত্যকার উপকূলীয় সড়ক ‘আল–রশিদ স্ট্রিট’ খুলে দেয় ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ। এ সময় বাড়িমুখী মানুষের ঢলে শামিল হন সাবরাইন। গাজার একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, দুই ঘণ্টায় দুই লাখের বেশি ফিলিস্তিনি এ সড়ক ধরে উত্তরাঞ্চলে ফিরেছেন। ওই এক দিনেই তিন লাখ ফিলিস্তিনি ধ্বংস হওয়া ফিরেছেন বলে জানা গেছে। যুদ্ধবিরতি হলেও চরম সংকটে আছেন বাসিন্দারা। বিশেষ করে গর্ভবতী নারী ও শিশুরা। মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস

ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) জানিয়েছে, ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় যুদ্ধ এবং কঠোর নিষেধাজ্ঞার কারণে সেখানকার গর্ভবতী নারী ও নবজাতকদের জীবন চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় চলমান ইসরাইলি বাহিনীর হামলা এবং এর সঙ্গে যুক্ত অবরোধের কারণে স্বাস্থ্যসেবা, খাদ্য ও পানীয় জলের মারাত্মক সংকট দেখা দিয়েছে। গর্ভবতী নারীরা হাসপাতাল থেকে দ্রুত বেরিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। আর নবজাতকরা প্রয়োজনীয় যত্ন পাচ্ছে না। নবজাতক শিশুদের জন্য ইনকিউবেটর এতটাই কম যে এক ইনকিউবেটরে চার থেকে পাঁচটি শিশু রাখতে হচ্ছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এই শিশুগুলোর বেশিরভাগই পর্যাপ্ত চিকিৎসার অভাবে মারা যাচ্ছে। শীতের তীব্র ঠাণ্ডায় আশ্রয়ের অভাবে অনেক নবজাতকের মৃত্যু হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে, হিউম্যান রাইটস

ওয়াচ বলছে, ইসরাইল আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও মানবিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন করছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
গোল্ডেন বুট দৌড়ে এখন পর্যন্ত কে এগিয়ে রাউন্ড অব ৩২ নিশ্চিত করল জার্মানি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ২০ জনকে পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত করল বিজিবি-জনতা ‎ নতুন বেতন কাঠামোতে আরও যেসব সুবিধা পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা আল্লাহ মানুষের সঙ্গে যে ৫ ওয়াদা করেছেন পুলিশের বিশেষ অভিযানে নারীসহ গ্রেফতার ১৭ কয়লা খনির ময়লা পানিতে জীবনের রঙিন স্বপ্ন জনতার ক্ষোভের মুখে আ.লীগ নেতাকে নিতে পারল না পুলিশ বরিশালে কিশোর গ্যাংয়ের সশস্ত্র শোডাউন অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন ইউনূস সরকার! পাকিস্তানে আফগানিস্তানের পাল্টা বিমান হামলা, সীমান্তে তীব্র সংঘর্ষ তুমুল সমালোচিত প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমকে নিয়ে সংবাদ করায় সাংবাদিকের মামলায় সম্পাদক কারাগারে বরগুনায় ১৯ দিনে ২২ মরদেহ উদ্ধার তীব্র সমালোচনার মুখে ‘কাকতালীয়ভাবে’ পরিবর্তিত ইউনিয়নের নাম পুনর্বহালের নির্দেশনা পাঁচতারকা বারে মদ্যপান শেষে এনসিপির পদপ্রত্যাশী নারী নেত্রীকে কেন্দ্রীয় নেতার যৌন হয়রানি ৫ বছর আগেই ‘জাস্টিস ফর হাদি’ গ্রুপ: হাদি কিলিং মিশিন কি পুরনো ‘মেটিক্যুলাস ডিজাইন’? যেমন খুশি তেমন সাজো প্রতিযোগিতা? আবারও বদলে গেল পুলিশের পোশাক অনিয়ম-অব্যবস্থাপনায় অতিষ্ঠ নগরবাসী: আওয়ামী লীগের মিছিল ক্রমশ দীর্ঘতর: বদলাচ্ছে রাজনৈতিক সমীকরণ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে সতর্ক পুলিশ, নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ ইউনিয়নের পর এবার স্কুলও! নাম পরিবর্তন কাণ্ডে মীর শাহে আলমকে ঘিরে নতুন বিতর্ক