ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মার্কিন গ্রিন কার্ড বাতিল করে কাসেম সোলেইমানির স্বজনদের গ্রেপ্তার
ইসরায়েলের দিকে ধেয়ে যাচ্ছে ইরানি মিসাইলের ঢেউ
হুথিদের হামলার চোটে সব কর্মীকে বিমানবন্দর থেকে সরিয়ে নিলো ইসরায়েল
যেসব জাহাজ হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করতে পারবে, জানাল ইরান
ভারতে আসার কথা থাকলেও গতিপথ পরিবর্তন করল ইরানি তেলবাহী জাহাজ
সোমবারের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে না দিলে ইরানের ওপর নরক নেমে আসবে: ট্রাম্প
বাণিজ্যের আড়ালে ইরানে ‘যুদ্ধের জ্বালানি’ পাঠাচ্ছে চীন
আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিতে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলি হামলা
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক হামলা আন্তর্জাতিক আইনব্যবস্থার জন্য এক গভীর সংকেত বহন করছে। আন্তর্জাতিক আইনের আলোকে এই হামলাকে আত্মরক্ষামূলক বা তাৎক্ষণিক প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত করার সুযোগ অত্যন্ত সীমিত; বরং এটি বলপ্রয়োগ নিষেধের মৌলিক নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে বিশ্লেষকদের অভিমত।
হামলাটি শুরু হয় এমন সময়, যখন ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কূটনৈতিক আলোচনা চলছিল। জেনেভায় সাম্প্রতিক বৈঠকের পর উভয় পক্ষ আলোচনা অব্যাহত রাখার ইঙ্গিত দিয়েছিল।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আলোচনাকে আরও সময় দেওয়ার কথা বললেও অল্প সময়ের মধ্যেই সামরিক অভিযান শুরু হয়।
আন্তর্জাতিক আইনে প্রতিরোধমূলক যুদ্ধের স্বীকৃতি নেই। জাতিসংঘ সনদের ২(৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো রাষ্ট্রের ভৌগোলিক অখণ্ডতা বা
রাজনৈতিক স্বাধীনতার বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগ নিষিদ্ধ।সরকারি নীতি আত্মরক্ষার ব্যতিক্রম প্রযোজ্য হতে হলে হুমকিটি হতে হবে তাৎক্ষণিক, অনিবার্য ও ব্যাপক—যে শর্ত পূরণের স্পষ্ট প্রমাণ প্রকাশ্যে উপস্থাপিত হয়নি। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদনও ছিল না। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি থেকে সরে দাঁড়ানোর পর পরিস্থিতি জটিল হয়। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন মূল্যায়নে বলা হয়, ইরান সক্রিয়ভাবে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথে নেই। তবু সামরিক হামলাকে “অস্তিত্বগত হুমকি” মোকাবিলার যুক্তিতে ন্যায্যতা দেওয়া হয়েছে। হামলার পর ট্রাম্প প্রকাশ্যে ইরানে শাসন পরিবর্তনের আহ্বান জানান। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেন্জামিন নেতানিয়াহু বলেন, ইরানের শাসনব্যবস্থাই মূল হুমকি। কিন্তু বলপ্রয়োগের মাধ্যমে শাসন পরিবর্তনের প্রচেষ্টা রাষ্ট্রসার্বভৌমত্ব ও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতির
পরিপন্থী। হামলায় ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব ও সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু হওয়ায় পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর খবর ক্ষমতার শূন্যতা ও অস্থিতিশীলতার আশঙ্কা বাড়িয়েছে। একইসঙ্গে বিকল্প শাসনব্যবস্থা নিয়ে সুস্পষ্ট পরিকল্পনার অভাব ভবিষ্যৎকে অনিশ্চিত করে তুলেছে। অতীতের অভিজ্ঞতা বলছে, পরিকল্পনাহীন শাসন পরিবর্তন দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত, গৃহযুদ্ধ ও উগ্রপন্থার উত্থান ডেকে আনতে পারে। খবর অনুযায়ী, মিনাব অঞ্চলে একটি বিদ্যালয়ে বিমান হামলায় বহু শিশু নিহত হয়েছে। এ ঘটনা সামরিক অভিযানের মানবিক মূল্যকে সামনে নিয়ে এসেছে এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন লঙ্ঘনের প্রশ্ন তুলেছে।ব্রেকিং নিউজ কূটনৈতিক আলোচনার মধ্যেই হামলা চালানো সদিচ্ছা ও আস্থাভিত্তিক কূটনীতির পরিপন্থী। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিযোগ করেছে, আলোচনার আড়ালে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া
হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক আস্থার পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়ায় বিভাজন স্পষ্ট। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী এ্যান্থনি এলবানিজি হামলাকে ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা রোধের পদক্ষেপ হিসেবে সমর্থন জানিয়েছেন। ইউরোপীয় কয়েকটি দেশ সংযমের আহ্বান জানালেও হামলার বৈধতা নিয়ে সরাসরি অবস্থান স্পষ্ট করেনি। অন্যদিকে রাশিয়া ও চীন সামরিক অভিযান বন্ধ করে আলোচনায় ফেরার আহ্বান জানিয়েছে। সমষ্টিগতভাবে এই ঘটনা আন্তর্জাতিক আইন ও নিয়মভিত্তিক বিশ্বব্যবস্থার ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে। শক্তিধর রাষ্ট্রগুলো যদি প্রতিরোধ বা নিরাপত্তার যুক্তিতে একতরফা সামরিক পদক্ষেপ নেয় এবং কূটনীতিকে কৌশলগত আড়াল হিসেবে ব্যবহার করে, তবে আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিই দুর্বল হয়ে পড়বে। ইরানে সাম্প্রতিক হামলা সেই আশঙ্কাকে আরও তীব্র করেছে।
রাজনৈতিক স্বাধীনতার বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগ নিষিদ্ধ।সরকারি নীতি আত্মরক্ষার ব্যতিক্রম প্রযোজ্য হতে হলে হুমকিটি হতে হবে তাৎক্ষণিক, অনিবার্য ও ব্যাপক—যে শর্ত পূরণের স্পষ্ট প্রমাণ প্রকাশ্যে উপস্থাপিত হয়নি। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদনও ছিল না। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি থেকে সরে দাঁড়ানোর পর পরিস্থিতি জটিল হয়। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন মূল্যায়নে বলা হয়, ইরান সক্রিয়ভাবে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথে নেই। তবু সামরিক হামলাকে “অস্তিত্বগত হুমকি” মোকাবিলার যুক্তিতে ন্যায্যতা দেওয়া হয়েছে। হামলার পর ট্রাম্প প্রকাশ্যে ইরানে শাসন পরিবর্তনের আহ্বান জানান। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেন্জামিন নেতানিয়াহু বলেন, ইরানের শাসনব্যবস্থাই মূল হুমকি। কিন্তু বলপ্রয়োগের মাধ্যমে শাসন পরিবর্তনের প্রচেষ্টা রাষ্ট্রসার্বভৌমত্ব ও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতির
পরিপন্থী। হামলায় ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব ও সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু হওয়ায় পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর খবর ক্ষমতার শূন্যতা ও অস্থিতিশীলতার আশঙ্কা বাড়িয়েছে। একইসঙ্গে বিকল্প শাসনব্যবস্থা নিয়ে সুস্পষ্ট পরিকল্পনার অভাব ভবিষ্যৎকে অনিশ্চিত করে তুলেছে। অতীতের অভিজ্ঞতা বলছে, পরিকল্পনাহীন শাসন পরিবর্তন দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত, গৃহযুদ্ধ ও উগ্রপন্থার উত্থান ডেকে আনতে পারে। খবর অনুযায়ী, মিনাব অঞ্চলে একটি বিদ্যালয়ে বিমান হামলায় বহু শিশু নিহত হয়েছে। এ ঘটনা সামরিক অভিযানের মানবিক মূল্যকে সামনে নিয়ে এসেছে এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন লঙ্ঘনের প্রশ্ন তুলেছে।ব্রেকিং নিউজ কূটনৈতিক আলোচনার মধ্যেই হামলা চালানো সদিচ্ছা ও আস্থাভিত্তিক কূটনীতির পরিপন্থী। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিযোগ করেছে, আলোচনার আড়ালে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া
হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক আস্থার পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়ায় বিভাজন স্পষ্ট। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী এ্যান্থনি এলবানিজি হামলাকে ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা রোধের পদক্ষেপ হিসেবে সমর্থন জানিয়েছেন। ইউরোপীয় কয়েকটি দেশ সংযমের আহ্বান জানালেও হামলার বৈধতা নিয়ে সরাসরি অবস্থান স্পষ্ট করেনি। অন্যদিকে রাশিয়া ও চীন সামরিক অভিযান বন্ধ করে আলোচনায় ফেরার আহ্বান জানিয়েছে। সমষ্টিগতভাবে এই ঘটনা আন্তর্জাতিক আইন ও নিয়মভিত্তিক বিশ্বব্যবস্থার ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে। শক্তিধর রাষ্ট্রগুলো যদি প্রতিরোধ বা নিরাপত্তার যুক্তিতে একতরফা সামরিক পদক্ষেপ নেয় এবং কূটনীতিকে কৌশলগত আড়াল হিসেবে ব্যবহার করে, তবে আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিই দুর্বল হয়ে পড়বে। ইরানে সাম্প্রতিক হামলা সেই আশঙ্কাকে আরও তীব্র করেছে।



