ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিশ্বের সঙ্গে একইদিনে বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহে ‘ডিসক্লোজার ডে’
নতুন প্রেমে পড়েছেন প্রভা?
মানহানি মামলার মাঝেই সতর্কবার্তা দিলেন মিমি
ফেসবুকে একগুচ্ছ ছবি পোস্ট করে যে বার্তা দিলেন অপু
সমালোচনার মুখে পানির বোতল প্রসঙ্গে সিদ্ধান্ত বদলালো ফিফা
প্রতিভার ঝলক দেখাও মার্কস অলরাউন্ডারে, ঢাকায় চলছে আঞ্চলিক পর্ব
৩৬ বছর বয়সেই দুই বিলিয়ন সম্পদের মালিক টেইলর সুইফট
আজ পর্যন্ত আমি কুমারী : মেঘনা আলম
আমাকে চরিত্রহীন বা লম্পট প্রমাণের যে কোন অপচেষ্টা বন্ধ হোক- এমনটাই আহবান জানিয়েছেন মডেল মেঘনা আলম। সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে এমন আহবান করেছেন তিনি।
একইসঙ্গে ওই পোস্টে নিজেকে কুমারী দাবি করেছেন ২০২০ সালের মিস আর্থ বাংলাদেশ।
রোববার এক ফেসবুক পোস্টে মেঘনা আলম বলেন, আল-কোরআন আল্লাহর সর্বশেষ বাণী।
আজ আদালতে আমি শপথ করেছি সেই কোরআন হাতে নিয়ে যেটি আমাকে উপহার দিয়েছিল ঈসা, আরেকটি যেটি সৌদি বাদশাহ কর্তৃক মুদ্রিত ও সৌদি দূতাবাসের সরকারি অনুষ্ঠানে বিতরণকৃত।
আমি আল-কোরআনের উপর হাত রেখে ঘোষণা করেছি, আমার জীবনে আমি কখনো কারো সাথে যৌন সম্পর্ক করিনি, এমনকি ঈসার সাথেও নয়। আমাকে চরিত্রহীন বা লম্পট প্রমাণের যে কোন অপচেষ্টা বন্ধ হোক।
তিনি
বলেন, আমাদের সমাজে মানুষ প্রায়ই ভুল করে, দাড়ি-জুব্বা-বোরখা দেখলেই মনে করে সেটিই পবিত্রতার প্রতীক, আর কোনো নারী খোলামেলা পোশাক পরলেই ধরে নেয় সে সহজলভ্য। কিন্তু বাহ্যিক চেহারা দিয়ে অন্তর বোঝা যায় না… আমি কোরআনের কসম খেয়ে বলছি, আমি কখনো সচেতন অবস্থায় কারো সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করিনি। আজ পর্যন্ত আমি কুমারী। মেঘনা আলম বলেন, শুধুমাত্র ক্ষমতাধর কারো সঙ্গে বিয়ে ভেঙে দেওয়ার কারণে আমাকে মিথ্যা মামলার মাধ্যমে হয়রানি করা বন্ধ হোক। ইতিহাসে বারবার নারীকেই অগ্নিপরীক্ষা দিতে হয়, অথচ পুরুষ থেকে যায় প্রশ্নহীন, নিরাপদ ও অব্যাহতি-প্রাপ্ত।
বলেন, আমাদের সমাজে মানুষ প্রায়ই ভুল করে, দাড়ি-জুব্বা-বোরখা দেখলেই মনে করে সেটিই পবিত্রতার প্রতীক, আর কোনো নারী খোলামেলা পোশাক পরলেই ধরে নেয় সে সহজলভ্য। কিন্তু বাহ্যিক চেহারা দিয়ে অন্তর বোঝা যায় না… আমি কোরআনের কসম খেয়ে বলছি, আমি কখনো সচেতন অবস্থায় কারো সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করিনি। আজ পর্যন্ত আমি কুমারী। মেঘনা আলম বলেন, শুধুমাত্র ক্ষমতাধর কারো সঙ্গে বিয়ে ভেঙে দেওয়ার কারণে আমাকে মিথ্যা মামলার মাধ্যমে হয়রানি করা বন্ধ হোক। ইতিহাসে বারবার নারীকেই অগ্নিপরীক্ষা দিতে হয়, অথচ পুরুষ থেকে যায় প্রশ্নহীন, নিরাপদ ও অব্যাহতি-প্রাপ্ত।



