ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা
আগ বাড়িয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ, সরকারি কর্মকর্তার হাস্যকর আচরণে তুমুল সমালোচনা
গত ২৫শে মে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। সেখানে বিভিন্ন ওয়ার্ডের পরিবেশ, পরিচ্ছন্নতা ও চিকিৎসাসেবা পর্যবেক্ষণ করেন তিনি। রান্নাঘরে রোগীদের জন্য প্রস্তুত করা খাবারও নিজে খেয়ে মান যাচাই করেন।
গরম তরকারি চামচে নিয়ে মন্ত্রী যখন ফুঁ দিয়ে ঠান্ডা করার চেষ্টা করছিলেন, ঠিক তখন পাশে থাকা এক ব্যক্তি আগ বাড়িয়ে ওই চামচে ফুঁ দিয়ে ঠান্ডা করার চেষ্টা করেন। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। যা নিয়ে তুমুল সমালোচনা শুরু হয়ে যায়। ‘চামচামি’ করা হচ্ছে, অতি ‘দালালি’, মন্ত্রীর ‘চামচা’ ইত্যাদি নানা অভিধায় নেটিজেনরা ওই ব্যক্তিকে ধুয়ে দেন।
পরে জানা যায়, চামচে ফুঁ দেওয়া সেই ব্যক্তির নাম ডা.
জি আর এম জিহাদুল ইসলাম রিয়াজ। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জুনিয়র কনসালট্যান্ট হিসেবে দায়িত্বরত। তার বাড়ি কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার খয়রাবাদ এলাকায়। তার বড় ভাই এক যুগ্ম সচিব। ছাত্রজীবনে ডা. রিয়াজ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। ৩২তম বিশেষ বিসিএসে নিয়োগ পেয়ে প্রথমে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) এবং পরে দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জুনিয়র কনসালট্যান্ট হিসেবে কাজ করেন। দেবীদ্বারে যোগদানের কিছুদিনের মধ্যেই ওএসডি হয়ে মহাখালীর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে দায়িত্ব পালন করেন। পরে পুনরায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জুনিয়র কনসালট্যান্ট পদে যোগ দিয়ে তিনি বিএনপিপন্থি চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) রাজনীতিতে সক্রিয় হন। ড্যাব কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। যদিও বর্তমানে ওই কমিটি স্থগিত রয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পরিদর্শনের ওই ভিডিও প্রসঙ্গে ডা. রিয়াজ বলেন, ‘আমি তো ওনার (মন্ত্রী) পাশে ছিলাম, উনি যেটা টেস্ট করতে নিয়েছিলেন অনেক গরম ছিল, ঠান্ডা করে দেয়ার জন্য ফুঁ দিয়েছিলাম। পরে দেখি সেটা নিয়ে অনেক সমালোচনা, অনেক পেজ থেকে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়া হয়েছে। আসলে মানুষ তো আমকে চেনে না, জানে না। না জেনে মন্তব্য করছে।’ মন্ত্রীর চামচামি করার বাসনা থেকে ফুঁ দেননি বলে দাবি বিএনপিপন্থি চিকিসক নেতা ডা. রিয়াজের। বলেন, ‘বিভিন্ন মানুষ যা কমেন্ট করছে (চামচামি প্রসঙ্গে), এমন কোনো ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষা ছিল না। আমি জাস্ট পাশে ছিলাম, তাই ফুঁ দিয়েছি,
ঠান্ডা করার জন্য। অন্য কোনো উদ্দেশ্যে ছিল না।’ কিন্তু এই বিষয়টি নিয়ে এত সমালোচনা হবে তা বুঝতে পারেননি এই সাবেক ছাত্রদল নেতা। তিনি বলেন, পাশাপাশি থাকলে আমরা অনেক কিছু করি, যা এতো চিন্তা করে করা হয় না। এটা নিয়ে এতো সমালোচনার কী আছে? তবে এখন থেকে এসব বিষয়ে আরও সচেতন থাকব।
জি আর এম জিহাদুল ইসলাম রিয়াজ। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জুনিয়র কনসালট্যান্ট হিসেবে দায়িত্বরত। তার বাড়ি কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার খয়রাবাদ এলাকায়। তার বড় ভাই এক যুগ্ম সচিব। ছাত্রজীবনে ডা. রিয়াজ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। ৩২তম বিশেষ বিসিএসে নিয়োগ পেয়ে প্রথমে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) এবং পরে দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জুনিয়র কনসালট্যান্ট হিসেবে কাজ করেন। দেবীদ্বারে যোগদানের কিছুদিনের মধ্যেই ওএসডি হয়ে মহাখালীর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে দায়িত্ব পালন করেন। পরে পুনরায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জুনিয়র কনসালট্যান্ট পদে যোগ দিয়ে তিনি বিএনপিপন্থি চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) রাজনীতিতে সক্রিয় হন। ড্যাব কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। যদিও বর্তমানে ওই কমিটি স্থগিত রয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পরিদর্শনের ওই ভিডিও প্রসঙ্গে ডা. রিয়াজ বলেন, ‘আমি তো ওনার (মন্ত্রী) পাশে ছিলাম, উনি যেটা টেস্ট করতে নিয়েছিলেন অনেক গরম ছিল, ঠান্ডা করে দেয়ার জন্য ফুঁ দিয়েছিলাম। পরে দেখি সেটা নিয়ে অনেক সমালোচনা, অনেক পেজ থেকে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়া হয়েছে। আসলে মানুষ তো আমকে চেনে না, জানে না। না জেনে মন্তব্য করছে।’ মন্ত্রীর চামচামি করার বাসনা থেকে ফুঁ দেননি বলে দাবি বিএনপিপন্থি চিকিসক নেতা ডা. রিয়াজের। বলেন, ‘বিভিন্ন মানুষ যা কমেন্ট করছে (চামচামি প্রসঙ্গে), এমন কোনো ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষা ছিল না। আমি জাস্ট পাশে ছিলাম, তাই ফুঁ দিয়েছি,
ঠান্ডা করার জন্য। অন্য কোনো উদ্দেশ্যে ছিল না।’ কিন্তু এই বিষয়টি নিয়ে এত সমালোচনা হবে তা বুঝতে পারেননি এই সাবেক ছাত্রদল নেতা। তিনি বলেন, পাশাপাশি থাকলে আমরা অনেক কিছু করি, যা এতো চিন্তা করে করা হয় না। এটা নিয়ে এতো সমালোচনার কী আছে? তবে এখন থেকে এসব বিষয়ে আরও সচেতন থাকব।



