ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সংস্কারের মুখোশে দমন : অবৈধ ইউনূস সরকারের তেলেসমাতি
এবার জেলা পরিষদে নেতা-কর্মী বসিয়ে লুটপাটের প্ল্যান তারেকের
আবারো সংকটে জাতি, আবারো তিনিই প্রেরণা
থার্টি পার্সেন্টের সরকার!
ফেনীতে মাটিলুট ও চাঁদাবাজির জেরে যুবদল-ছাত্রদলের দুপক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১
মূল্যবান জিনিস থানায় জমা রেখে ঈদযাত্রার অভিনব পরামর্শ ডিএমপির
মিসাইল আতঙ্ক, কাছে গিয়েও হরমুজ পেরোতে পারেনি বাংলাদেশি জাহাজ
আওয়ামী লীগ ফিরবেই, তবে পুরনো নাকি নতুন নেতৃত্বে— এটিই এখন মিলিয়ন ডলার প্রশ্ন”: মাসুদ কামাল
রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের ফেরা সম্পূর্ণ অবধারিত বলে মনে করেন সিনিয়র সাংবাদিক মাসুদ কামাল।
গায়ের জোরে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থগিত ও দমন নীতি দলটির প্রতি সাধারণ মানুষের সহানুভূতি বাড়িয়েছে।
সিটি কর্পোরেশন ও জেলা পরিষদগুলোতে দলীয় প্রশাসক নিয়োগের চেষ্টা ভবিষ্যতে 'বুমেরাং' হবে।
বিভিন্ন জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিতদের জয় দলটির ঘুরে দাঁড়ানোর স্পষ্ট ইঙ্গিত।
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বর্তমানে সবচেয়ে চর্চিত বিষয় হলো— আওয়ামী লীগ কি আবারও রাজনীতিতে ফিরে আসছে? এ বিষয়ে নিজের সুনির্দিষ্ট পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ তুলে ধরেছেন বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সিনিয়র সাংবাদিক মাসুদ কামাল। তার মতে, রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের মতো একটি বিশাল ও পুরনো দলের ফিরে আসাটা সম্পূর্ণ অবধারিত। দলটি ফিরবেই, তবে
তারা পুরনো নেতৃত্ব নিয়ে ফিরবে নাকি নতুন কোনো নেতৃত্বের হাত ধরে আসবে— সেটিই এখন রাজনীতির "মিলিয়ন ডলার প্রশ্ন"। সম্প্রতি এক ভিডিও বার্তায় দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নানা পদক্ষেপ এবং ভবিষ্যৎ রাজনীতির রূপরেখা নিয়ে কথা বলেন তিনি। মাসুদ কামাল বলেন, "আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবসময়ই প্রাসঙ্গিক। শেখ হাসিনা ও শীর্ষ নেতৃবৃন্দের অপকর্মের কারণে দলটির বড় ক্ষতি হলেও, এত বড় একটি দল রাতারাতি নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে না। এটা ক্ষয়ে যেতেও কয়েক দশক সময় লাগবে।" তিনি মনে করেন, ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার, শিক্ষার্থী ও জামায়াত গায়ের জোরে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থগিত করে এবং তাদের ওপর হামলা চালিয়ে মূলত স্থূল বুদ্ধির পরিচয় দিয়েছে।
কারণ, এসব কর্মকাণ্ডের ফলে সাধারণ মানুষের মাঝে দলটির প্রতি উল্টো সহানুভূতি তৈরি হয়েছে। মাসুদ কামালের মতে, "এ দেশের মানুষের সাধারণ মনস্তত্ত্ব হলো, তারা সবসময় অত্যাচারিতের পক্ষে থাকে। যে মার খায়, মানুষের সহানুভূতি সবসময় তার প্রতিই থাকে।" স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় বর্তমান সরকারের রদবদল নিয়ে কড়া সমালোচনা করেন এই সিনিয়র সাংবাদিক। তিনি জানান, সরকার দেশের ১২টি সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে ১১টিতে এবং ৪২টি জেলা পরিষদে ঢালাওভাবে বিএনপিপন্থী লোকজন ও নেতাদের প্রশাসক হিসেবে বসিয়েছে। এই দলীয়করণের পদক্ষেপ অচিরেই তাদের জন্য ‘বুমেরাং’ হবে বলে তিনি সতর্ক করেন। তার পূর্বাভাস হলো, আগামীতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নির্দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হলে, কাউন্সিলর বা মেম্বার পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা বিপুল
ভোটে জয়লাভ করে ফিরে আসবে। আওয়ামী লীগের ঘুরে দাঁড়ানোর বাস্তব প্রমাণ হিসেবে মাসুদ কামাল দেশের বিভিন্ন জেলা আইনজীবী সমিতির সাম্প্রতিক নির্বাচনের ফলাফল তুলে ধরেন। তিনি জানান, দেশের ৭৪টি আইনজীবী সমিতির মধ্যে এরই মাঝে অনুষ্ঠিত ১৪-১৫টি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেল অভাবনীয় সাফল্য পাচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে ১৭টি পদের মধ্যে ৭টিতে, ১৮ তারিখে নোয়াখালী জেলা আইনজীবী সমিতিতে ৯টিতে, ২৬ জানুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সভাপতিসহ ১০টি পদে, লক্ষ্মীপুরে ৮টি পদে এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৬টি পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা জয়লাভ করেছেন। আগামী মে মাসে অনুষ্ঠিতব্য সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনেও আওয়ামী সমর্থিত প্যানেল বড় প্রভাব ফেলবে বলে তিনি মন্তব্য
করেন। সবশেষে তিনি বলেন, বিগত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরাসরি না থাকলেও বিজয়ী প্রার্থীরা মূলত আওয়ামী লীগের ভোট ব্যাংক ব্যবহার করেই জয় পেয়েছেন। তাই দলটির ফেরা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।
তারা পুরনো নেতৃত্ব নিয়ে ফিরবে নাকি নতুন কোনো নেতৃত্বের হাত ধরে আসবে— সেটিই এখন রাজনীতির "মিলিয়ন ডলার প্রশ্ন"। সম্প্রতি এক ভিডিও বার্তায় দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নানা পদক্ষেপ এবং ভবিষ্যৎ রাজনীতির রূপরেখা নিয়ে কথা বলেন তিনি। মাসুদ কামাল বলেন, "আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবসময়ই প্রাসঙ্গিক। শেখ হাসিনা ও শীর্ষ নেতৃবৃন্দের অপকর্মের কারণে দলটির বড় ক্ষতি হলেও, এত বড় একটি দল রাতারাতি নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে না। এটা ক্ষয়ে যেতেও কয়েক দশক সময় লাগবে।" তিনি মনে করেন, ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার, শিক্ষার্থী ও জামায়াত গায়ের জোরে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থগিত করে এবং তাদের ওপর হামলা চালিয়ে মূলত স্থূল বুদ্ধির পরিচয় দিয়েছে।
কারণ, এসব কর্মকাণ্ডের ফলে সাধারণ মানুষের মাঝে দলটির প্রতি উল্টো সহানুভূতি তৈরি হয়েছে। মাসুদ কামালের মতে, "এ দেশের মানুষের সাধারণ মনস্তত্ত্ব হলো, তারা সবসময় অত্যাচারিতের পক্ষে থাকে। যে মার খায়, মানুষের সহানুভূতি সবসময় তার প্রতিই থাকে।" স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় বর্তমান সরকারের রদবদল নিয়ে কড়া সমালোচনা করেন এই সিনিয়র সাংবাদিক। তিনি জানান, সরকার দেশের ১২টি সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে ১১টিতে এবং ৪২টি জেলা পরিষদে ঢালাওভাবে বিএনপিপন্থী লোকজন ও নেতাদের প্রশাসক হিসেবে বসিয়েছে। এই দলীয়করণের পদক্ষেপ অচিরেই তাদের জন্য ‘বুমেরাং’ হবে বলে তিনি সতর্ক করেন। তার পূর্বাভাস হলো, আগামীতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নির্দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হলে, কাউন্সিলর বা মেম্বার পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা বিপুল
ভোটে জয়লাভ করে ফিরে আসবে। আওয়ামী লীগের ঘুরে দাঁড়ানোর বাস্তব প্রমাণ হিসেবে মাসুদ কামাল দেশের বিভিন্ন জেলা আইনজীবী সমিতির সাম্প্রতিক নির্বাচনের ফলাফল তুলে ধরেন। তিনি জানান, দেশের ৭৪টি আইনজীবী সমিতির মধ্যে এরই মাঝে অনুষ্ঠিত ১৪-১৫টি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেল অভাবনীয় সাফল্য পাচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে ১৭টি পদের মধ্যে ৭টিতে, ১৮ তারিখে নোয়াখালী জেলা আইনজীবী সমিতিতে ৯টিতে, ২৬ জানুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সভাপতিসহ ১০টি পদে, লক্ষ্মীপুরে ৮টি পদে এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৬টি পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা জয়লাভ করেছেন। আগামী মে মাসে অনুষ্ঠিতব্য সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনেও আওয়ামী সমর্থিত প্যানেল বড় প্রভাব ফেলবে বলে তিনি মন্তব্য
করেন। সবশেষে তিনি বলেন, বিগত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরাসরি না থাকলেও বিজয়ী প্রার্থীরা মূলত আওয়ামী লীগের ভোট ব্যাংক ব্যবহার করেই জয় পেয়েছেন। তাই দলটির ফেরা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।



