ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যমুনায় উঠছেন না প্রধানমন্ত্রী
সারা দেশে কখন কোথায় ঈদের জামাত
এনএসসিকে ‘হুমকি’ দিয়ে আরও বিপাকে বুলবুল
ঈদযাত্রায় দ্বিগুণ-তিনগুণ ভাড়া, দুই দশকের রেকর্ড ভাঙছে এবারের নৈরাজ্য: আদায় হবে অতিরিক্ত ১৫০ কোটি টাকা
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৩০ কিলোমিটার যানজটে চরম ভোগান্তি ঈদে বাড়ি ফেরা মানুষের
রোহিঙ্গাদের জন্য তুর্কি সংস্থার দেয়া যাকাতের অর্থে জামায়াত-শিবিরের জাঁকজমকপূর্ণ ইফতার পার্টি, তুমুল সমালোচনা
ঈদযাত্রায় বাড়তি নয়, কম ভাড়া নিচ্ছে বাস: সড়ক পরিবহনমন্ত্রী
আইন বদলে নজিরবিহীন সুবিধা: তারেক রহমানকে ভিআইপি মর্যাদা ও রাষ্ট্রীয় খরচে এসএসএফ প্রটোকল
দীর্ঘ ১৮ বছর বিদেশে অবস্থানের পর আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তবে সাধারণ নাগরিক হিসেবে নয়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিশেষ আনুকূল্যে আইন সংশোধন করে তাঁকে ‘ভেরি ইম্পর্টেন্ট পারসন’ (ভিআইপি) মর্যাদা এবং রাষ্ট্রীয় বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (এসএসএফ)-এর পূর্ণ নিরাপত্তা বলয় দেওয়া হচ্ছে। একজন দলীয় প্রধানের জন্য প্রচলিত আইন পালটে এমন নজিরবিহীন রাষ্ট্রীয় সুবিধা প্রদান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এক নজরে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য,
আইন সংশোধন: শুধুমাত্র একজন ব্যক্তির সুবিধার্থে ২০২১ সালের এসএসএফ আইন তড়িঘড়ি করে সংশোধন করা হয়েছে।
নজিরবিহীন প্রটোকল: রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের জন্য বরাদ্দকৃত ‘এসএসএফ’ নিরাপত্তা এখন দেওয়া হচ্ছে দলীয় পদে থাকা তারেক রহমানকে।
ভিআইপি মর্যাদা: সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাঁকে
‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ঘোষণা করে বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্তদের কাতারে আনা হয়েছে। ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যয়: বাসা, অফিস থেকে শুরু করে নির্বাচনী প্রচারণা পর্যন্ত—সর্বত্র রাষ্ট্রীয় খরচে এসএসএফ-এর সুরক্ষা পাবেন তিনি। বিস্তারিত প্রতিবেদন: আইন পালটে বিশেষ সুবিধা রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং সরকার প্রধানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) মূল কাজ। কিন্তু গত ২৩ ডিসেম্বর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কার্যালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই দীর্ঘদিনের রীতি ও বিধিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে বিশেষ সুবিধা দিতেই ২০২১ সালের এসএসএফ আইনে এই সংশোধনী আনা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় যন্ত্রের ব্যবহার ‘নর্থইস্ট নিউজ’-এর তথ্যানুযায়ী, সরকারি এই নির্দেশনার ফলে তারেক রহমানের বাসভবন, অফিস এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সব
জায়গায় এসএসএফ সদস্যরা নিয়োজিত থাকবেন। গোয়েন্দা সংস্থার ঝুঁকি মূল্যায়নের দোহাই দিয়ে এই নিরাপত্তা পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে কোনো বিশেষ রাজনৈতিক ব্যক্তিকে এভাবে রাষ্ট্রীয় প্রটোকল ও সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেওয়া ক্ষমতার অপব্যবহার এবং পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের শামিল। দীর্ঘদিন বিদেশে থাকার পর তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের এই অতি-তৎপরতা এবং তাঁকে ভিআইপি ঘোষণা করার বিষয়টি সাধারণ মানুষের মধ্যেও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে যখন দেশে অর্থনৈতিক সংস্কারের কথা বলা হচ্ছে, তখন একজন রাজনৈতিক নেতার নিরাপত্তায় এসএসএফ-এর মতো ব্যয়বহুল এলিট ফোর্স নিয়োগের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ঘোষণা করে বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্তদের কাতারে আনা হয়েছে। ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যয়: বাসা, অফিস থেকে শুরু করে নির্বাচনী প্রচারণা পর্যন্ত—সর্বত্র রাষ্ট্রীয় খরচে এসএসএফ-এর সুরক্ষা পাবেন তিনি। বিস্তারিত প্রতিবেদন: আইন পালটে বিশেষ সুবিধা রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং সরকার প্রধানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) মূল কাজ। কিন্তু গত ২৩ ডিসেম্বর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কার্যালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই দীর্ঘদিনের রীতি ও বিধিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে বিশেষ সুবিধা দিতেই ২০২১ সালের এসএসএফ আইনে এই সংশোধনী আনা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় যন্ত্রের ব্যবহার ‘নর্থইস্ট নিউজ’-এর তথ্যানুযায়ী, সরকারি এই নির্দেশনার ফলে তারেক রহমানের বাসভবন, অফিস এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সব
জায়গায় এসএসএফ সদস্যরা নিয়োজিত থাকবেন। গোয়েন্দা সংস্থার ঝুঁকি মূল্যায়নের দোহাই দিয়ে এই নিরাপত্তা পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে কোনো বিশেষ রাজনৈতিক ব্যক্তিকে এভাবে রাষ্ট্রীয় প্রটোকল ও সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেওয়া ক্ষমতার অপব্যবহার এবং পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের শামিল। দীর্ঘদিন বিদেশে থাকার পর তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের এই অতি-তৎপরতা এবং তাঁকে ভিআইপি ঘোষণা করার বিষয়টি সাধারণ মানুষের মধ্যেও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে যখন দেশে অর্থনৈতিক সংস্কারের কথা বলা হচ্ছে, তখন একজন রাজনৈতিক নেতার নিরাপত্তায় এসএসএফ-এর মতো ব্যয়বহুল এলিট ফোর্স নিয়োগের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।



