ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
“হ্যাঁ–না ভোটের ফল আগেই নির্ধারিত। এখন চলছে ভোটের নামে এক প্রহসন।” — জননেত্রী শেখ হাসিনা
বাংলাদেশে ভোট বয়কটের ডাক ৫ পেশাজীবী সংগঠনের
নির্বাচনের নামে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর জীবনে ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টি করা কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক চর্চা হতে পারে না
যে জাতি তার মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান করতে ভুলে যায়, সেই জাতি নিজের জন্মকেই অস্বীকার করে
ফাঁস হওয়া নথিতে ৬৪ ডিসির রাজনৈতিক পরিচয়: ‘নিরপেক্ষ’ প্রশাসনে দলীয়করণের ছায়া
পরিচয় ফাঁসের আতঙ্ক: পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানে বিমুখ সরকারি চাকরিজীবী কর্মকর্তারা
আসন্ন নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ আখ্যা ভোট বর্জনের ডাক দিয়ে ৭০৭ আইনজীবীর বিবৃতি
অসংবিধানিক গণভোটে সংবিধান বাতিলের আশঙ্কা, রাষ্ট্রব্যবস্থা হুমকিতে
দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সাম্প্রতিক সময়ে যে ভয়াবহ ও উদ্বেগজনক তথ্য আলোচনায় আসছে, সেগুলো সত্য হলে তথাকথিত গণভোটের পর বাংলাদেশের রাষ্ট্রব্যবস্থা, সংবিধান ও গণতন্ত্র এক গভীর সংকটে পতিত হবে। বিভিন্ন সূত্রের দাবি অনুযায়ী, সরকারের পক্ষ থেকে গোপনে একটি অসংবিধানিক গণভোট পরিচালনার প্রক্রিয়া ইতোমধ্যেই অনেকটাই এগিয়ে নেওয়া হয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, আগেভাগেই “হ্যাঁ” ভোটে সিল মারা ব্যালট বাক্সে ভরে রাখা হয়েছে এবং একটি নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বলে বলা হচ্ছে। যদি এই তথাকথিত গণভোট সম্পন্ন করে পরিকল্পিতভাবে “হ্যাঁ” ভোটকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়, তবে দেশে চরম বিশৃঙ্খলা ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হওয়া অবশ্যম্ভাবী। কারণ এর সরাসরি পরিণতি হবে বর্তমান সংবিধান বাতিল করে একটি
নতুন সংবিধান জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়া—যা সম্পূর্ণরূপে অসাংবিধানিক ও গণতন্ত্রবিরোধী। সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো, প্রস্তাবিত এই নতুন সংবিধানে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত সংবিধান ও মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণাপত্র বাদ পড়ার আশঙ্কা। তার পরিবর্তে তথাকথিত “২৪-এর ঘোষণাপত্র” অন্তর্ভুক্ত করে রাষ্ট্রচিন্তা ও আদর্শকে আমূল পরিবর্তনের পরিকল্পনার কথা শোনা যাচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, ইউনুস সরকারের নেতৃত্বে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হলে স্বাধীন বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়বে এবং আদর্শিকভাবে দেশকে পাকিস্তানের রাজনৈতিক পথের সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলতে পারে। আরও গুরুতর অভিযোগ হচ্ছে, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বর্তমান কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়োগ বাতিল করে দলীয় আনুগত্যের ভিত্তিতে—বিশেষ করে জামায়াত-শিবির সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের—নতুন করে নিয়োগ দেওয়ার চেষ্টা হতে পারে। এমনকি পুলিশ ও
সেনাবাহিনীতে উগ্রবাদী বা জঙ্গি মতাদর্শে বিশ্বাসী প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করার আশঙ্কাও প্রকাশ পাচ্ছে, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি। এছাড়া আফগানিস্তানের আদলে দেশের সেনাবাহিনীকে তথাকথিত “মুজাহিদ বাহিনী”তে রূপান্তর, বর্তমান রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ এবং বাংলাদেশকে একটি মৌলবাদী রাষ্ট্রে পরিণত করার নীলনকশার কথাও আলোচনায় রয়েছে। এসব অভিযোগ সত্য হলে তা হবে শুধু একটি রাজনৈতিক পরিবর্তন নয়; বরং সংবিধান, গণতন্ত্র, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও রাষ্ট্রের অস্তিত্বের ওপর সরাসরি আঘাত। এই সংকটময় সময়ে নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যম, বিচার বিভাগ ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্ব হলো—যেকোনো মূল্যে সংবিধান ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা রক্ষা করা। বাংলাদেশ কোনো গোপন সিদ্ধান্ত, অসাংবিধানিক গণভোট বা উগ্রবাদী পরীক্ষার ক্ষেত্র হতে পারে না। রাষ্ট্র পরিচালিত হবে জনগণের ভোটে, মুক্তিযুদ্ধের
চেতনায় প্রণীত সংবিধানের আলোকে—এটাই জনগণের প্রত্যাশা এবং সেটাই হওয়া উচিত রাষ্ট্রের অঙ্গীকার। দেশপ্রেমিক নাগরিকদের এখন ঐক্যবদ্ধ, শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিকভাবে সোচ্চার হয়ে অসংবিধানিক গণভোটের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া সময়ের দাবি। সংবিধান রক্ষার লড়াই মানেই বাংলাদেশকে রক্ষা করা।
নতুন সংবিধান জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়া—যা সম্পূর্ণরূপে অসাংবিধানিক ও গণতন্ত্রবিরোধী। সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো, প্রস্তাবিত এই নতুন সংবিধানে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত সংবিধান ও মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণাপত্র বাদ পড়ার আশঙ্কা। তার পরিবর্তে তথাকথিত “২৪-এর ঘোষণাপত্র” অন্তর্ভুক্ত করে রাষ্ট্রচিন্তা ও আদর্শকে আমূল পরিবর্তনের পরিকল্পনার কথা শোনা যাচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, ইউনুস সরকারের নেতৃত্বে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হলে স্বাধীন বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়বে এবং আদর্শিকভাবে দেশকে পাকিস্তানের রাজনৈতিক পথের সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলতে পারে। আরও গুরুতর অভিযোগ হচ্ছে, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বর্তমান কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়োগ বাতিল করে দলীয় আনুগত্যের ভিত্তিতে—বিশেষ করে জামায়াত-শিবির সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের—নতুন করে নিয়োগ দেওয়ার চেষ্টা হতে পারে। এমনকি পুলিশ ও
সেনাবাহিনীতে উগ্রবাদী বা জঙ্গি মতাদর্শে বিশ্বাসী প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করার আশঙ্কাও প্রকাশ পাচ্ছে, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি। এছাড়া আফগানিস্তানের আদলে দেশের সেনাবাহিনীকে তথাকথিত “মুজাহিদ বাহিনী”তে রূপান্তর, বর্তমান রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ এবং বাংলাদেশকে একটি মৌলবাদী রাষ্ট্রে পরিণত করার নীলনকশার কথাও আলোচনায় রয়েছে। এসব অভিযোগ সত্য হলে তা হবে শুধু একটি রাজনৈতিক পরিবর্তন নয়; বরং সংবিধান, গণতন্ত্র, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও রাষ্ট্রের অস্তিত্বের ওপর সরাসরি আঘাত। এই সংকটময় সময়ে নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যম, বিচার বিভাগ ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্ব হলো—যেকোনো মূল্যে সংবিধান ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা রক্ষা করা। বাংলাদেশ কোনো গোপন সিদ্ধান্ত, অসাংবিধানিক গণভোট বা উগ্রবাদী পরীক্ষার ক্ষেত্র হতে পারে না। রাষ্ট্র পরিচালিত হবে জনগণের ভোটে, মুক্তিযুদ্ধের
চেতনায় প্রণীত সংবিধানের আলোকে—এটাই জনগণের প্রত্যাশা এবং সেটাই হওয়া উচিত রাষ্ট্রের অঙ্গীকার। দেশপ্রেমিক নাগরিকদের এখন ঐক্যবদ্ধ, শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিকভাবে সোচ্চার হয়ে অসংবিধানিক গণভোটের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া সময়ের দাবি। সংবিধান রক্ষার লড়াই মানেই বাংলাদেশকে রক্ষা করা।



