ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা
অলাভজনক সংস্থার নামে আকিজ গ্রুপের আদ-দ্বীনের ‘রক্তচোষা’ ব্যবসা সেবার আড়ালে জামায়াত তোষণ ও চরম অবহেলা
অলাভজনক ও মানবকল্যাণমূলক সংস্থার সাইনবোর্ড ব্যবহার করে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসা ‘আদ-দ্বীন’ হাসপাতালের নেপথ্য চেহারা এবং চরম অবহেলার চিত্র দেশবাসীর সামনে উন্মোচিত হয়েছে। নামমাত্র মূল্যে সেবার চটকদার বিজ্ঞাপন প্রচার করে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তদের আকর্ষণ করা হলেও বাস্তবে এর অন্তরালে চলছে চড়া বাণিজ্যিক মুনাফা লোটার আয়োজন। দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়িক গোষ্ঠী আকিজ গ্রুপের অর্থায়নে পরিচালিত এই আদ-দ্বীন ফাউন্ডেশনের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। আকিজ গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে থাকা এই প্রতিষ্ঠানটি গোপনে রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামীর বড় ফাণ্ড বা ডোনার হিসেবে কাজ করে বলে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে ব্যাপক সমালোচনা রয়েছে। ‘ইসলামী মাইন্ড’ ও ‘সেবামূলক’ ভাবমূর্তি ব্যবহার করে
অর্জিত বিপুল অর্থ জামায়াতের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড ও ফান্ড গঠনে ব্যবহৃত হয় বলে জোর অভিযোগ উঠেছে। বিজ্ঞাপনে সস্তা, বিলের বেলায় ‘রক্তচোষা’ নীতি আদ-দ্বীন হাসপাতালের অফিশিয়াল রেট চার্টে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের টিকিট ১৬০-২২০ টাকা, ভর্তি ফি ১,৩০০ টাকা এবং সিজারিয়ান প্যাকেজ ১০,০০০-১৬,০০০ টাকা দেখানো হলেও হাসপাতালে ঢোকার পর শুরু হয় আসল ‘রক্তচোষা’ নীতি। ভুক্তভোগী রোগীদের অভিযোগ, কম খরচের লোভ দেখিয়ে ভর্তির পর প্রতিদিন অপ্রয়োজনীয় টেস্টের ফাঁদ পাতা হয়, ইচ্ছাকৃতভাবে প্রতিদিন ডাক্তার পরিবর্তন করে বাড়তি ভিজিট আদায় করা হয় এবং ওষুধ ও স্যালাইনের নামে চূড়ান্ত বিল আকাশচুম্বী করে ফেলা হয়, যা সাধারণ মানুষের সাধ্যের বাইরে চলে যায়। অলাভজনক তকমা কেবল ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়া এবং জামায়াতের
জন্য ফাণ্ডিংয়ের একটি ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকেরা। এসি বিভ্রাটে ৬ নবজাতকের মর্মান্তিক মৃত্যু ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গাফিলতি সম্প্রতি মগবাজার আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পোস্ট-অপারেটিভ রুমে এসি গ্যাস লাইনের লিকেজ ও গুরুতর নির্মাণ ত্রুটির কারণে একসঙ্গে ৬ নবজাতকের মর্মান্তিক ও অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা এই অব্যবস্থাপনাকে শতভাগ প্রমাণ করেছে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর দাবি, একে সাধারণ দুর্ঘটনা বলে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও এটি সুনির্দিষ্টভাবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গাফিলতি ও অবহেলাজনিত হত্যাকাণ্ড। এই বিষয়ে হাসপাতাল প্রশাসনের পক্ষ থেকে দায়সারা বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, “এটি অত্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত একটি যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল। আমাদের চিকিৎসকেরা বাচ্চাদের বাঁচানোর জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিলেন।
হাসপাতালের পক্ষ থেকে কোনো গাফিলতি ছিল না।” তবে পরিবারের অভিযোগ, কারেন্ট বিল বাঁচানোর নামে দীর্ঘক্ষণ এসি বন্ধ রাখা এবং পরবর্তীতে চালুর সময় গ্যাস লিকেজ হওয়াতেই অক্সিজেনের অভাবে শিশুরা ছটফট করে মারা যায়। হাসপাতালের ছাদে অবৈধ বেকারি: স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ক্ষোভ প্রকাশ এই মর্মান্তিক ঘটনার পর স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তারা হাসপাতালটিতে আকস্মিক পরিদর্শনে যান। পরিদর্শনকালে হাসপাতালের মতো একটি অতি সংবেদনশীল ও জীবাণুমুক্ত ভবনের ছাদে সম্পূর্ণ অবৈধ ও অনুমোদনহীনভাবে পরিচালিত একটি বাণিজ্যিক রুটি ও বিস্কুটের ফ্যাক্টরির (বেকারি) সন্ধান মেলে। চিকিৎসা ভবনের ওপর এমন ঝুঁকিপূর্ণ কারখানা দেখে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ক্ষুব্ধ কণ্ঠে সাংবাদিকদের বলেন, “একটি হাসপাতালের ছাদে কীভাবে বাণিজ্যিক বেকারি
চলতে পারে তা আমার মাথায় আসে না। একদিকে নিচে নবজাতকেরা অক্সিজেনের অভাবে ছটফট করে মারা যাচ্ছে, অন্যদিকে হাসপাতালের ছাদ থেকে বিস্কুট তৈরির বিষাক্ত ধোঁয়া বের হচ্ছে! এই ধরনের বাণিজ্যিক লোভ এবং চরম খামখেয়ালিপনা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। আদ-দ্বীন অলাভজনক সেবার নামে সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে।” তথ্য গোপন ও সাংবাদিকদের ওপর হামলা নিজেদের এই ‘রক্তচোষা’ ব্যবসা এবং জামায়াত সংশ্লিষ্টতার অন্ধকার দিকগুলো আড়াল করতে গণমাধ্যমের ওপর চড়াও হতেও দ্বিধা করেনি আদ-দ্বীন কর্তৃপক্ষ। নবজাতকদের মৃত্যুর খবর সংগ্রহ করতে যাওয়া সাংবাদিকদের ওপর হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও নিরাপত্তা প্রহরীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে অতর্কিত হামলা ও মারধর করে, যা তথ্য গোপন ও সত্য দমনের অপচেষ্টাকে স্পষ্ট
করে তুলেছে। আইনি বেড়াজালে আদ-দ্বীন: ফৌজদারি মামলা চরম অনিয়ম ও অবহেলার অভিযোগে আদ-দ্বীন হাসপাতাল এখন বড় ধরনের আইনি ও প্রশাসনিক চাপের মুখে পড়েছে। মৃত এক শিশুর পিতা হাবিবুর রহমানের দায়ের করা এজাহারের ভিত্তিতে রাজধানীর রমনা থানায় অবহেলাজনিত মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট অভিযোগে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ১টি ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যে হাসপাতালের পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডটি সিলগালা করে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও আদ-দ্বীনকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের গঠিত ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি ইতিমধ্যে হাসপাতালের ভবনে গুরুতর ত্রুটি ও অবৈধ কারখানা পরিচালনার প্রমাণ পেয়েছে। মানবসেবা ও ধর্মের নাম ভাঙিয়ে আকিজ গ্রুপের গড়ে তোলা
এই অলাভজনক সংস্থার এমন বেপরোয়া বাণিজ্যিক আচরণ, জামায়াতকে ডোনেশন দেওয়া এবং চিকিৎসায় চরম অবহেলার বিরুদ্ধে এখন দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি উঠেছে।
অর্জিত বিপুল অর্থ জামায়াতের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড ও ফান্ড গঠনে ব্যবহৃত হয় বলে জোর অভিযোগ উঠেছে। বিজ্ঞাপনে সস্তা, বিলের বেলায় ‘রক্তচোষা’ নীতি আদ-দ্বীন হাসপাতালের অফিশিয়াল রেট চার্টে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের টিকিট ১৬০-২২০ টাকা, ভর্তি ফি ১,৩০০ টাকা এবং সিজারিয়ান প্যাকেজ ১০,০০০-১৬,০০০ টাকা দেখানো হলেও হাসপাতালে ঢোকার পর শুরু হয় আসল ‘রক্তচোষা’ নীতি। ভুক্তভোগী রোগীদের অভিযোগ, কম খরচের লোভ দেখিয়ে ভর্তির পর প্রতিদিন অপ্রয়োজনীয় টেস্টের ফাঁদ পাতা হয়, ইচ্ছাকৃতভাবে প্রতিদিন ডাক্তার পরিবর্তন করে বাড়তি ভিজিট আদায় করা হয় এবং ওষুধ ও স্যালাইনের নামে চূড়ান্ত বিল আকাশচুম্বী করে ফেলা হয়, যা সাধারণ মানুষের সাধ্যের বাইরে চলে যায়। অলাভজনক তকমা কেবল ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়া এবং জামায়াতের
জন্য ফাণ্ডিংয়ের একটি ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকেরা। এসি বিভ্রাটে ৬ নবজাতকের মর্মান্তিক মৃত্যু ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গাফিলতি সম্প্রতি মগবাজার আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পোস্ট-অপারেটিভ রুমে এসি গ্যাস লাইনের লিকেজ ও গুরুতর নির্মাণ ত্রুটির কারণে একসঙ্গে ৬ নবজাতকের মর্মান্তিক ও অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা এই অব্যবস্থাপনাকে শতভাগ প্রমাণ করেছে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর দাবি, একে সাধারণ দুর্ঘটনা বলে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও এটি সুনির্দিষ্টভাবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গাফিলতি ও অবহেলাজনিত হত্যাকাণ্ড। এই বিষয়ে হাসপাতাল প্রশাসনের পক্ষ থেকে দায়সারা বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, “এটি অত্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত একটি যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল। আমাদের চিকিৎসকেরা বাচ্চাদের বাঁচানোর জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিলেন।
হাসপাতালের পক্ষ থেকে কোনো গাফিলতি ছিল না।” তবে পরিবারের অভিযোগ, কারেন্ট বিল বাঁচানোর নামে দীর্ঘক্ষণ এসি বন্ধ রাখা এবং পরবর্তীতে চালুর সময় গ্যাস লিকেজ হওয়াতেই অক্সিজেনের অভাবে শিশুরা ছটফট করে মারা যায়। হাসপাতালের ছাদে অবৈধ বেকারি: স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ক্ষোভ প্রকাশ এই মর্মান্তিক ঘটনার পর স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তারা হাসপাতালটিতে আকস্মিক পরিদর্শনে যান। পরিদর্শনকালে হাসপাতালের মতো একটি অতি সংবেদনশীল ও জীবাণুমুক্ত ভবনের ছাদে সম্পূর্ণ অবৈধ ও অনুমোদনহীনভাবে পরিচালিত একটি বাণিজ্যিক রুটি ও বিস্কুটের ফ্যাক্টরির (বেকারি) সন্ধান মেলে। চিকিৎসা ভবনের ওপর এমন ঝুঁকিপূর্ণ কারখানা দেখে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ক্ষুব্ধ কণ্ঠে সাংবাদিকদের বলেন, “একটি হাসপাতালের ছাদে কীভাবে বাণিজ্যিক বেকারি
চলতে পারে তা আমার মাথায় আসে না। একদিকে নিচে নবজাতকেরা অক্সিজেনের অভাবে ছটফট করে মারা যাচ্ছে, অন্যদিকে হাসপাতালের ছাদ থেকে বিস্কুট তৈরির বিষাক্ত ধোঁয়া বের হচ্ছে! এই ধরনের বাণিজ্যিক লোভ এবং চরম খামখেয়ালিপনা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। আদ-দ্বীন অলাভজনক সেবার নামে সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে।” তথ্য গোপন ও সাংবাদিকদের ওপর হামলা নিজেদের এই ‘রক্তচোষা’ ব্যবসা এবং জামায়াত সংশ্লিষ্টতার অন্ধকার দিকগুলো আড়াল করতে গণমাধ্যমের ওপর চড়াও হতেও দ্বিধা করেনি আদ-দ্বীন কর্তৃপক্ষ। নবজাতকদের মৃত্যুর খবর সংগ্রহ করতে যাওয়া সাংবাদিকদের ওপর হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও নিরাপত্তা প্রহরীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে অতর্কিত হামলা ও মারধর করে, যা তথ্য গোপন ও সত্য দমনের অপচেষ্টাকে স্পষ্ট
করে তুলেছে। আইনি বেড়াজালে আদ-দ্বীন: ফৌজদারি মামলা চরম অনিয়ম ও অবহেলার অভিযোগে আদ-দ্বীন হাসপাতাল এখন বড় ধরনের আইনি ও প্রশাসনিক চাপের মুখে পড়েছে। মৃত এক শিশুর পিতা হাবিবুর রহমানের দায়ের করা এজাহারের ভিত্তিতে রাজধানীর রমনা থানায় অবহেলাজনিত মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট অভিযোগে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ১টি ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যে হাসপাতালের পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডটি সিলগালা করে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও আদ-দ্বীনকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের গঠিত ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি ইতিমধ্যে হাসপাতালের ভবনে গুরুতর ত্রুটি ও অবৈধ কারখানা পরিচালনার প্রমাণ পেয়েছে। মানবসেবা ও ধর্মের নাম ভাঙিয়ে আকিজ গ্রুপের গড়ে তোলা
এই অলাভজনক সংস্থার এমন বেপরোয়া বাণিজ্যিক আচরণ, জামায়াতকে ডোনেশন দেওয়া এবং চিকিৎসায় চরম অবহেলার বিরুদ্ধে এখন দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি উঠেছে।



