ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিএনপি নেতাদের দৃষ্টিতে ‘অপ্রয়োজনীয়’ রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রই এখন সংকটে সরকারের শেষ ভরসা
মৃত্যুঞ্জয়ী বঙ্গবন্ধু: ইতিহাসের আয়নায় আমাদের পরিচয়, আত্মমর্যাদা ও অস্তিত্বের প্রতীক
জাতির পিতার জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ সভাপতি-বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার বাণী
ডিজেলের পর এবার এলো ১৬ হাজার মেট্রিক টন ভারতীয় চাল, নামল মোংলায়
শিক্ষক রাজনীতি নাকি শিক্ষার্থীদের থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার রাজনীতি
একটি বন্দিত্ব: বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্মের অনিবার্যতা
তেল সরবরাহে হরমুজ ঝুঁকি: ৩ লাখ টন ক্রুডের চালান নিয়ে তেহরানের দ্বারস্থ ঢাকা
অভিযোগের পাহাড়, নীরব প্রশাসন স্বাস্থ্য খাতে জবাবদিহি কোথায়
স্বাস্থ্য খাত এমন একটি সংবেদনশীল ক্ষেত্র, যেখানে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিটি অভিযোগ সরাসরি মানুষের জীবন ও সেবার সঙ্গে জড়িত। সম্প্রতি নীলফামারী সরকারি হাসপাতালকে ঘিরে গুরুতর অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এসেছে। অভিযোগ উঠেছে, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হাজ্জাজের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অনিয়মের বিষয়ে তথ্য-প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
এ বিষয়ে আরও উদ্বেগজনক যে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিব হাসপাতাল খোরশেদ আলম এর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে তিনি এই অনিয়মের বিষয়ে অভিযোগ পেয়েও নিরব ভূমিকা পালন করছেন। অভিযোগকারীদের দাবি, প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা ও আর্থিক লেনদেনের কারণে প্রশাসনিক ব্যবস্থা থমকে আছে।
যদিও এসব অভিযোগ এখনো নিরপেক্ষ তদন্তে প্রমাণিত নয়, তবে প্রশ্ন
থেকেই যায় যদি সত্যিই তথ্য-প্রমাণ থাকে, তাহলে ব্যবস্থা নিতে দেরি কেন? আর যদি অভিযোগ ভিত্তিহীন হয়, তবে তা খোলাসা করে জনসমক্ষে স্পষ্ট করা হচ্ছে না কেন? দুর্নীতি দমন ও সুশাসনের কথা বলা রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল মহলের কাছে এখন জনগণের একটাই প্রত্যাশা—স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্ত। অভিযুক্ত যে-ই হোন না কেন, পদ বা পরিচয় নয়, সত্য ও ন্যায়ের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। স্বাস্থ্য খাতে অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান না নিলে এর মাশুল দিতে হয় সাধারণ মানুষকে। তাই নীলফামারীর এই অভিযোগ শুধু একটি হাসপাতালের নয়, বরং পুরো স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতার প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নীরবতা ভাঙবে কি না, নাকি অভিযোগের পাহাড়ের নিচেই চাপা পড়ে
থাকবে সত্য।
থেকেই যায় যদি সত্যিই তথ্য-প্রমাণ থাকে, তাহলে ব্যবস্থা নিতে দেরি কেন? আর যদি অভিযোগ ভিত্তিহীন হয়, তবে তা খোলাসা করে জনসমক্ষে স্পষ্ট করা হচ্ছে না কেন? দুর্নীতি দমন ও সুশাসনের কথা বলা রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল মহলের কাছে এখন জনগণের একটাই প্রত্যাশা—স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্ত। অভিযুক্ত যে-ই হোন না কেন, পদ বা পরিচয় নয়, সত্য ও ন্যায়ের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। স্বাস্থ্য খাতে অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান না নিলে এর মাশুল দিতে হয় সাধারণ মানুষকে। তাই নীলফামারীর এই অভিযোগ শুধু একটি হাসপাতালের নয়, বরং পুরো স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতার প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নীরবতা ভাঙবে কি না, নাকি অভিযোগের পাহাড়ের নিচেই চাপা পড়ে
থাকবে সত্য।



