ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মব সন্ত্রাসের মহোৎসবে জুলাই দাঙ্গার ফসল ঘরে তুলছে বাংলাদেশ
নির্বাচনী কারসাজির নয়া কায়দা : ইউনুসের পঞ্চান্ন হাজার ভুয়া পর্যবেক্ষক
প্রবাসীদের ভোটাধিকার নাকি জামায়াতের ভোটব্যাংক সাজানোর খেলা?
নির্বাচনে ৯৫ শতাংশ প্রবাসী সাড়া দেননি, কারাগারে ৯৩ শতাংশ
গণভোট নয়, সংবিধান ভাঙার নীলনকশা
ভোটের আগে অরক্ষিত সীমান্ত: ‘জিরো টলারেন্স’-এর বুলিতে ঢাকা পড়ছে অস্ত্রের ঝনঝনানি
“হ্যাঁ–না ভোটের ফল আগেই নির্ধারিত। এখন চলছে ভোটের নামে এক প্রহসন।” — জননেত্রী শেখ হাসিনা
অন্তর্বর্তী সরকারের জমানায় কারাগার যেন ‘মৃত্যুকূপ’: পুলিশি নির্যাতনে মৃত্যুশয্যায় ছাত্রলীগ নেতা বিপ্লব
মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার, এরপর কারাগারের অন্ধ প্রকোষ্ঠে অমানবিক নির্যাতন—এভাবেই তিলে তিলে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে সাবেক ছাত্রনেতা নাহিয়ান আহমেদ বিপ্লবকে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শাসনামলে কারাগারে বিরোধী মতের নেতাকর্মীদের ওপর যে ভয়াবহ নিপীড়ন চলছে, তারেই নির্মম শিকার তিনি। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) বর্তমানে তিনি মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন।
পরিবারের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে কারাগারে পুলিশি হেফাজতে বিপ্লবের ওপর মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন চালানো হয়েছে। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সম্পাদক এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাবেক সহ-সভাপতি হওয়ার ‘অপরাধেই’ তাঁকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে বর্তমান প্রশাসন।
কারাগার সূত্রে ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গ্রেপ্তারের পর থেকেই বিপ্লবের ওপর নেমে আসে অকথ্য নির্যাতন। সুস্থ
সবল মানুষটি এখন শারীরিকভাবে পুরোপুরি বিধ্বস্ত। গত কয়েকদিন ধরে তিনি অনবরত রক্তবমি করছেন। অবস্থা এতটাই আশঙ্কাজনক যে, তাঁকে জরুরি ভিত্তিতে ঢামেকে ভর্তি করা হলেও সেখানে যথাযথ চিকিৎসার বালাই নেই বলে অভিযোগ স্বজনদের। হাসপাতালের বেডে শুয়ে কাতরালেও তাঁর প্রতি কর্তৃপক্ষের চরম উদাসীনতা লক্ষ্য করা গেছে। পরিবারের দাবি, জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা এই ছাত্রনেতাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি এই মুমূর্ষু অবস্থায় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের সুযোগও বন্ধ করে দিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ, যা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। নাহিয়ান আহমেদ বিপ্লবের এই করুণ পরিণতি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। গত কয়েক মাসে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে কারাগারগুলো যেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের জন্য বধ্যভূমিতে পরিণত হয়েছে। একের
পর এক নেতাকর্মীর মৃত্যু এবং অসুস্থতার খবর বেরিয়ে আসছে, যাকে ‘লাশের মিছিল’ হিসেবে অভিহিত করছেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো। মানবাধিকার সংস্থা ও সচেতন মহলের মতে, বিনাবিচারে আটক এবং রিমান্ডের নামে নির্যাতন বর্তমানে নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। সরকারের প্রত্যক্ষ মদদে ভিন্নমতের মানুষদের ওপর যে দমন-পীড়ন চলছে, তা দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতিকে ভয়াবহ সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে। বিপ্লবের পরিবারের সদস্যরা কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, “আমরা বিচার চাই না, শুধু তাঁর জীবন ভিক্ষা চাই। মিথ্যা মামলায় তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে, এখন নির্যাতন করে তাঁকে মেরে ফেলার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। চিকিৎসার অভাবে যদি তাঁর কিছু হয়, তবে এই দায় অন্তর্বর্তী সরকারকেই নিতে হবে।” রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কারাগারের ভেতর এমন নির্মম নির্যাতন এবং
চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুমুখে পতিত হওয়া—রাষ্ট্রীয় হত্যারই নামান্তর। বিপ্লবের মতো আর কোনো তরুণের প্রাণ যেন এভাবে ঝরে না যায়, সে দাবি এখন সর্বমহলে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই ‘মৃত্যুকূপ’ থেকে কি আদৌ ন্যায়বিচার মিলবে, নাকি আরেকটি লাশের ভারে ভারী হবে বর্তমান সরকারের খতিয়ান?
সবল মানুষটি এখন শারীরিকভাবে পুরোপুরি বিধ্বস্ত। গত কয়েকদিন ধরে তিনি অনবরত রক্তবমি করছেন। অবস্থা এতটাই আশঙ্কাজনক যে, তাঁকে জরুরি ভিত্তিতে ঢামেকে ভর্তি করা হলেও সেখানে যথাযথ চিকিৎসার বালাই নেই বলে অভিযোগ স্বজনদের। হাসপাতালের বেডে শুয়ে কাতরালেও তাঁর প্রতি কর্তৃপক্ষের চরম উদাসীনতা লক্ষ্য করা গেছে। পরিবারের দাবি, জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা এই ছাত্রনেতাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি এই মুমূর্ষু অবস্থায় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের সুযোগও বন্ধ করে দিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ, যা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। নাহিয়ান আহমেদ বিপ্লবের এই করুণ পরিণতি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। গত কয়েক মাসে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে কারাগারগুলো যেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের জন্য বধ্যভূমিতে পরিণত হয়েছে। একের
পর এক নেতাকর্মীর মৃত্যু এবং অসুস্থতার খবর বেরিয়ে আসছে, যাকে ‘লাশের মিছিল’ হিসেবে অভিহিত করছেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো। মানবাধিকার সংস্থা ও সচেতন মহলের মতে, বিনাবিচারে আটক এবং রিমান্ডের নামে নির্যাতন বর্তমানে নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। সরকারের প্রত্যক্ষ মদদে ভিন্নমতের মানুষদের ওপর যে দমন-পীড়ন চলছে, তা দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতিকে ভয়াবহ সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে। বিপ্লবের পরিবারের সদস্যরা কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, “আমরা বিচার চাই না, শুধু তাঁর জীবন ভিক্ষা চাই। মিথ্যা মামলায় তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে, এখন নির্যাতন করে তাঁকে মেরে ফেলার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। চিকিৎসার অভাবে যদি তাঁর কিছু হয়, তবে এই দায় অন্তর্বর্তী সরকারকেই নিতে হবে।” রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কারাগারের ভেতর এমন নির্মম নির্যাতন এবং
চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুমুখে পতিত হওয়া—রাষ্ট্রীয় হত্যারই নামান্তর। বিপ্লবের মতো আর কোনো তরুণের প্রাণ যেন এভাবে ঝরে না যায়, সে দাবি এখন সর্বমহলে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই ‘মৃত্যুকূপ’ থেকে কি আদৌ ন্যায়বিচার মিলবে, নাকি আরেকটি লাশের ভারে ভারী হবে বর্তমান সরকারের খতিয়ান?



