ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হলে করণীয় কী? জেনে নিন রিনিউ করার নিয়ম
চ্যাট না খুলেই অনলাইনে কে আছে দেখাবে এবার হোয়াটসঅ্যাপ
আর্টেমিস চন্দ্রাভিযানে যেসব খাবার নিয়ে গেছেন নভোচারীরা
আজ চাঁদে অভিযানে যাচ্ছেন ৪ নভোচারী
১০০০ ফলোয়ার থাকলেই ইনস্টাগ্রাম থেকে আসবে আয়, জানুন উপায়
ফোনের ব্যাটারি বাঁচাতে গুগলের নতুন উদ্যোগ
ইরানের লক্ষ্য মার্কিন টেক সংস্থা
অনলাইনে কিভাবে টিন সার্টিফিকেট করবেন
বাংলাদেশে কর ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো টিন বা ট্যাক্সপেয়ার আইডেনটিফিকেশন নাম্বার (টিআইএন) সার্টিফিকেট। ব্যাংক ঋণ নেওয়া, ব্যবসা পরিচালনা, সরকারি বিভিন্ন আর্থিক সুবিধা পাওয়া কিংবা আয়কর রিটার্ন জমা দিতে গেলে এই সনদ বাধ্যতামূলক হয়ে পড়ে। বর্তমানে পুরো প্রক্রিয়াটি অনলাইনে সহজেই সম্পন্ন করা যায়।
টিন সার্টিফিকেট কী?
টিন সার্টিফিকেট মূলত একজন করদাতার জন্য একটি ইউনিক নম্বর, যা তাকে জাতীয় রাজস্ব ব্যবস্থায় শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। এটি এক ধরনের করদাতা পরিচয়পত্র হিসেবে কাজ করে। বর্তমানে ১২ সংখ্যার ডিজিটাল টিন চালু রয়েছে, যা অনলাইনের মাধ্যমে ই-টিন নামে পরিচিত।
কর ব্যবস্থাকে আধুনিক ও সহজ করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) অনলাইন রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি চালু করেছে।
এর ফলে নতুন করদাতারা খুব দ্রুত নিবন্ধন এবং পুরোনো ১০ ডিজিটের টিনধারীরাও সহজে রি-রেজিস্ট্রেশন করতে পারেন। টিন সার্টিফিকেট করার জন্য সাধারণত জাতীয় পরিচয়পত্র, একটি সক্রিয় মোবাইল নম্বর এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ইমেইল বা কোম্পানির ক্ষেত্রে আরজেএসসি নম্বর লাগে। একজন ব্যক্তি জীবনে একবারই টিন করতে পারবেন, তাই নিবন্ধনের সময় সঠিক তথ্য দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পদ্ধতি অনলাইনে টিন করতে হলে প্রথমে এনবিআরের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে একটি ইউজার আইডি খুলতে হয়। সেখানে ইউজারনেম, পাসওয়ার্ড, মোবাইল নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হয়। এরপর মোবাইলে পাওয়া অ্যাক্টিভেশন কোড দিয়ে অ্যাকাউন্ট সক্রিয় করতে হয়। পরবর্তী ধাপে লগইন করে টিন অ্যাপ্লিকেশন অপশনে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন বা রি-রেজিস্ট্রেশন নির্বাচন করতে হয়।
এরপর করদাতার ধরন, আয়ের উৎস, ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরসহ ব্যক্তিগত তথ্য পূরণ করতে হয়। সব তথ্য যাচাই শেষে আবেদন সাবমিট করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টিন নম্বর তৈরি হয়ে যায়। আবেদন সফল হলে অনলাইন থেকেই টিন সার্টিফিকেট ডাউনলোড করা যায়। ভবিষ্যতে হারিয়ে গেলেও একই আইডি দিয়ে লগইন করে পুনরায় ডাউনলোড করা সম্ভব। সব মিলিয়ে, ডিজিটাল এই ব্যবস্থার মাধ্যমে করদাতাদের জন্য টিন সার্টিফিকেট করা এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে সহজ, দ্রুত ও ঝামেলামুক্ত হয়ে উঠেছে।
এর ফলে নতুন করদাতারা খুব দ্রুত নিবন্ধন এবং পুরোনো ১০ ডিজিটের টিনধারীরাও সহজে রি-রেজিস্ট্রেশন করতে পারেন। টিন সার্টিফিকেট করার জন্য সাধারণত জাতীয় পরিচয়পত্র, একটি সক্রিয় মোবাইল নম্বর এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ইমেইল বা কোম্পানির ক্ষেত্রে আরজেএসসি নম্বর লাগে। একজন ব্যক্তি জীবনে একবারই টিন করতে পারবেন, তাই নিবন্ধনের সময় সঠিক তথ্য দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পদ্ধতি অনলাইনে টিন করতে হলে প্রথমে এনবিআরের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে একটি ইউজার আইডি খুলতে হয়। সেখানে ইউজারনেম, পাসওয়ার্ড, মোবাইল নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হয়। এরপর মোবাইলে পাওয়া অ্যাক্টিভেশন কোড দিয়ে অ্যাকাউন্ট সক্রিয় করতে হয়। পরবর্তী ধাপে লগইন করে টিন অ্যাপ্লিকেশন অপশনে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন বা রি-রেজিস্ট্রেশন নির্বাচন করতে হয়।
এরপর করদাতার ধরন, আয়ের উৎস, ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরসহ ব্যক্তিগত তথ্য পূরণ করতে হয়। সব তথ্য যাচাই শেষে আবেদন সাবমিট করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টিন নম্বর তৈরি হয়ে যায়। আবেদন সফল হলে অনলাইন থেকেই টিন সার্টিফিকেট ডাউনলোড করা যায়। ভবিষ্যতে হারিয়ে গেলেও একই আইডি দিয়ে লগইন করে পুনরায় ডাউনলোড করা সম্ভব। সব মিলিয়ে, ডিজিটাল এই ব্যবস্থার মাধ্যমে করদাতাদের জন্য টিন সার্টিফিকেট করা এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে সহজ, দ্রুত ও ঝামেলামুক্ত হয়ে উঠেছে।



