ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা নির্ধারণ করে সংসদে বিল পাশ
২ ডিআইজিসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি
তৃতীয় দফায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী রিমান্ডে
বকেয়া বেতনের দাবিতে নাসা গ্রুপের পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ
পররাষ্ট্রমন্ত্রী: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের গোপন চুক্তি নেই, তবে কিছু বিষয় এখনই প্রকাশ করা যাচ্ছে না
কোটি টাকা আত্মসাত, ঢাবির জুলাইযোদ্ধা ছাত্রদল নেতা অর্ণবকে বহিষ্কার
এক-এগারো সরকারের সঙ্গে ইউনূস সরকারের যোগসূত্র
অগ্নিঝরা ৮ মার্চ: বঙ্গবন্ধুর দর্শনে নারী-সমতা ও সোনার বাংলার প্রতিশ্রুতি
বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আজীবন একটি বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখেছেন। ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস যখন বিশ্বব্যাপী পালিত হয়, তখন বঙ্গবন্ধুর সেই দর্শনের কথা মনে পড়ে যেখানে তিনি বলেছিলেন, “নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সচেতনতা ও সুযোগের সমতা অপরিহার্য।”
স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের সংবিধানে তিনি নারীর সমঅধিকার নিশ্চিত করেছিলেন এবং যুদ্ধে নির্যাতিত নারীদের ‘বীরাঙ্গনা’ উপাধিতে ভূষিত করে তাদের মর্যাদার আসনে বসিয়েছিলেন। তাঁর নেতৃত্বেই বাঙালি জাতি বুঝতে শিখেছিল যে, অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে পেছনে ফেলে মুক্তি সম্ভব নয়।
১৯৭১ সালের ৮ মার্চ ছিল এক অবিস্মরণীয় দিন। আগের দিনই অর্থাৎ ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণের মাধ্যমে স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন। ৮ মার্চ
থেকে পুরো বাংলাদেশ (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে পরিচালিত হতে শুরু করে। অফিস-আদালত, স্কুল-কলেজ সব বন্ধ হয়ে যায়। মুক্তিকামী বাঙালি জাতি ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলার প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। বঙ্গবন্ধুর একটি ভাষণই একটি নিরস্ত্র জাতিকে সশস্ত্র জাতিতে রূপান্তরিত করেছিল। আজ ২০২৬ সালের এই ৮ মার্চে দাঁড়িয়ে আমরা যখন পেছনে ফিরে তাকাই, তখন দেখি বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ আজ গড়ার পথে। বাঙালি জাতি আজ বিশ্বের বুকে এক উন্নয়ন ও মর্যাদার নাম। নারী শিক্ষা থেকে শুরু করে তথ্যপ্রযুক্তি—সবক্ষেত্রেই বাঙালির পদচারণা এখন ঈর্ষণীয়। বঙ্গবন্ধু ও বাঙালি জাতি অবিচ্ছেদ্য। ৮ মার্চ আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, অধিকার আদায়ের লড়াই কখনো শেষ হয় না। বঙ্গবন্ধুর
আদর্শকে ধারণ করে একটি লিঙ্গবৈষম্যহীন, আধুনিক ও উন্নত বাংলাদেশ গড়াই হোক আজকের দিনের অঙ্গীকার।
থেকে পুরো বাংলাদেশ (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে পরিচালিত হতে শুরু করে। অফিস-আদালত, স্কুল-কলেজ সব বন্ধ হয়ে যায়। মুক্তিকামী বাঙালি জাতি ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলার প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। বঙ্গবন্ধুর একটি ভাষণই একটি নিরস্ত্র জাতিকে সশস্ত্র জাতিতে রূপান্তরিত করেছিল। আজ ২০২৬ সালের এই ৮ মার্চে দাঁড়িয়ে আমরা যখন পেছনে ফিরে তাকাই, তখন দেখি বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ আজ গড়ার পথে। বাঙালি জাতি আজ বিশ্বের বুকে এক উন্নয়ন ও মর্যাদার নাম। নারী শিক্ষা থেকে শুরু করে তথ্যপ্রযুক্তি—সবক্ষেত্রেই বাঙালির পদচারণা এখন ঈর্ষণীয়। বঙ্গবন্ধু ও বাঙালি জাতি অবিচ্ছেদ্য। ৮ মার্চ আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, অধিকার আদায়ের লড়াই কখনো শেষ হয় না। বঙ্গবন্ধুর
আদর্শকে ধারণ করে একটি লিঙ্গবৈষম্যহীন, আধুনিক ও উন্নত বাংলাদেশ গড়াই হোক আজকের দিনের অঙ্গীকার।



