ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইসরাইলি অস্ত্র কারখানায় অগ্নিসংযোগ
তেলের দাম নিয়ে রাজনীতি বন্ধের আহ্বান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর
ঐক্যের ডাক মোজতবা খামেনির, প্রস্তাব দিলেন পাকিস্তান-আফগানিস্তান যুদ্ধে মধ্যস্থতারও
ইরানের বিপ্লবী গার্ডের মুখপাত্র জেনারেল নাঈনি নিহত
যুদ্ধবিরতি হলেই হরমুজে সহায়তা দেবে ৩ দেশ
ইসরায়েলের গ্যাস ফিল্ডে আক্রমণের জবাবে এক রাতেই ৯ ধনী উপসাগরীয় দেশে ইরানের ব্যালিস্টিক আঘাত
সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সময় পুলিশ হত্যা: ইরানে তিনজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
হাসান নাসরাল্লাহর মৃত্যু নিশ্চিত করল হিজবুল্লাহ
হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরাল্লাহর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সংগঠনটি। একটি বিবৃতিতে, লেবাননের গোষ্ঠীটি ইসরায়েলি দাবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে যে তাদের নেতা হাসান নাসরাল্লাহ গতকাল নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার সন্ধ্যায় লেবাননের বৈরুতে ইসরায়েলের বিমান হামলায় হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরাল্লাহ নিহত হয়েছেন বলে দাবি করে ইসরায়েল। হিজবুল্লাহর অন্য দুই কমান্ডারদের সাথে নাসরাল্লাহ নিহত হয়েছেন বলে দাবি জানিয়েছে দেশটি।
গতকাল শুক্রবার রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণে ঘনবসতিপূর্ণ শহর দাহিয়েহসহ লেবাননের বিভিন্ন জায়গায় রাতভর হামলা চালায় ইসরায়েল। বিশেষ করে হিজবুল্লাহর সদর দপ্তর ও শীর্ষ কমান্ডারদের লক্ষ্য করে হামলা চালায় দখলদার দেশটি।
পরে শনিবার এক বিবৃতিতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানায়, আইডিএফের হামলায় হিজবুল্লাহ সংগঠনের নেতা এবং এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা হাসান
নাসরাল্লাহ, সংগঠনটির দক্ষিণ ফ্রন্টের কমান্ডার আলী কারকি এবং অতিরিক্ত হিজবুল্লাহ কমান্ডারদের সাথে নিহত হয়েছেন। আইডিএফ জানায়, ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর জেটগুলো হিজবুল্লাহ সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে, যেটি বৈরুতের দাহিয়েহ এলাকায় একটি আবাসিক ভবনের নীচে ভূগর্ভস্থ ছিল। হিজবুল্লাহর সিনিয়র চেইন অফ কমান্ড যখন সদর দপ্তর থেকে কাজ করছিল এবং ইসরায়েলের নাগরিকদের বিরুদ্ধে কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছিল তখন এই হামলা চালানো হয়েছিল।
নাসরাল্লাহ, সংগঠনটির দক্ষিণ ফ্রন্টের কমান্ডার আলী কারকি এবং অতিরিক্ত হিজবুল্লাহ কমান্ডারদের সাথে নিহত হয়েছেন। আইডিএফ জানায়, ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর জেটগুলো হিজবুল্লাহ সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে, যেটি বৈরুতের দাহিয়েহ এলাকায় একটি আবাসিক ভবনের নীচে ভূগর্ভস্থ ছিল। হিজবুল্লাহর সিনিয়র চেইন অফ কমান্ড যখন সদর দপ্তর থেকে কাজ করছিল এবং ইসরায়েলের নাগরিকদের বিরুদ্ধে কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছিল তখন এই হামলা চালানো হয়েছিল।



