ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সড়কে স্ত্রীকে মারধর করতে গিয়ে গণপিটুনির শিকার যুবক, ভিডিও ভাইরাল
‘পশ্চিম বাংলাদেশ’ হওয়া থেকে বেঁচে গেছে পশ্চিমবঙ্গ: অগ্নিমিত্রা
হরমুজ ‘চিরতরে’ বন্ধ ও বাহরাইনকে চরম পরিণতির হুঁশিয়ারি দিল ইরান
ইরানের ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় সংরক্ষণের প্রস্তাব পুতিনের
মুন্সীগঞ্জে হত্যাকাণ্ড: নিউইয়র্কে ভাতিজার ১৫ বছরের কারাদণ্ড
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী
যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে ‘যথাসময়ে’ জবাব দেবে ইরান
হামাসপ্রধানসহ ৬ নেতার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ গঠন
গত ৭ অক্টোবরে ইসরায়েলে হামলা এবং সেটির পরিকল্পনা, সমর্থন এবং নির্দেশ প্রদানের জন্য গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাসের বর্তমান প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ারসহ গোষ্ঠীটির শীর্ষ পর্যায়ের ৬ নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
ওই হামলায় ৪০ জনের বেশি মার্কিনসহ ১ হাজার ২০০ ব্যক্তি নিহত হয়েছিলেন বলে দাবি ইসরায়েলের।
৭ অক্টোবরের হামলার প্রতিশোধ নিতে ওই দিন থেকেই ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় তাণ্ডব শুরু করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। তাদের হামলায় এ পর্যন্ত ৪০ হাজার ৮০০–এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। নিহত ব্যক্তিদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। এ ছাড়া হামলায় আহত হয়েছেন অগণিত মানুষ।
হামাসের অভিযুক্ত ছয় নেতার মধ্যে তিনজন নিহত হয়েছেন। যে তিন
নেতা জীবিত আছেন, তাঁদের মধ্যে সিনওয়ার ছাড়া অপর দুজন হলেন খালেদ মেশাল ও আলী বারাকা। হামাসপ্রধান সিনওয়ার গাজায় আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। খালেদ মেশাল কাতারের দোহায় থাকেন এবং হামাস বৈদেশিক শাখার নেতৃত্ব দেন। আর হামাসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আলী বারাকা লেবাননে থাকেন। যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল মেরিক গারল্যান্ড এক বিবৃতিতে বলেন, বিবাদী ব্যক্তিরা ইরান সরকারের অস্ত্র, সমর্থন ও অর্থায়নে এবং হিজবুল্লাহর সহযোগিতায় ইসরায়েলের ধ্বংস সাধন এবং বেসামরিক লোকজনকে হত্যায় হামাসের লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টায় নেতৃত্ব দিয়েছেন।
নেতা জীবিত আছেন, তাঁদের মধ্যে সিনওয়ার ছাড়া অপর দুজন হলেন খালেদ মেশাল ও আলী বারাকা। হামাসপ্রধান সিনওয়ার গাজায় আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। খালেদ মেশাল কাতারের দোহায় থাকেন এবং হামাস বৈদেশিক শাখার নেতৃত্ব দেন। আর হামাসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আলী বারাকা লেবাননে থাকেন। যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল মেরিক গারল্যান্ড এক বিবৃতিতে বলেন, বিবাদী ব্যক্তিরা ইরান সরকারের অস্ত্র, সমর্থন ও অর্থায়নে এবং হিজবুল্লাহর সহযোগিতায় ইসরায়েলের ধ্বংস সাধন এবং বেসামরিক লোকজনকে হত্যায় হামাসের লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টায় নেতৃত্ব দিয়েছেন।



