ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা
২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা
ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’
যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি
কোস্ট গার্ডের পাঁচ জাহাজ থেকে মুছে ফেলা হলো জয় বাংলা ও জাতীয় চার নেতার নাম
ব্যাংক হিসাব জব্দের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিরা
বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবিরের বাধার ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপায় মানববন্ধন
স্বতঃস্ফূর্তভাবে দুর্গাপূজা উদযাপনের আহ্বান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার
সকল সনাতন ধর্মাবলম্বীকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে দুর্গাপূজা উদযাপনের আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
উপদেষ্টা বুধবার রাতে রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএস কনভেনশন সেন্টারে বারিধারা ডিওএইচএস পূজা কমিটি আয়োজিত ‘মহাষষ্ঠীর সায়ংকালে দুর্গাদেবীর বোধন ও অধিবাস’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে নির্বিঘ্নে ও শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপন করতে পারে সেজন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে আট দফা নির্দেশনা মাঠ প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে পাঠানো হয়েছে। তাছাড়া দুর্গাপূজায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ, র্যাব ও আনসারের পর্যাপ্ত সদস্যদের পাশাপাশি সীমান্তে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়ে মোতায়েন করা
হয়েছে। জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, আমরা শান্তিপ্রিয় জাতি। সারাবিশ্বে যুদ্ধ, সংঘাত বন্ধ করে শান্তি ও মানবতা প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ সবসময় সমর্থন দিয়ে আসছে। তিনি বলেন, পৃথিবীর সকল ধর্মের মূল বাণী শান্তি। উপদেষ্টা এসময় দুর্গাপূজায় শোষণমুক্ত, বৈষম্যহীন আর কল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তাদের প্রার্থনায় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়ার জন্য সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রতি আহ্বান জানান। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকারের নানাবিধ চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এরমধ্যে অন্যতম চ্যালেঞ্জ হলো আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরো উন্নতিকরণসহ সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা। সে লক্ষ্যে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি এসময় সফলভাবে পূজা আয়োজনের জন্য বারিধারা ডিওএইচএস পূজা কমিটিসহ সংশি¬ষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান। বারিধারা ডিওএইচএস পূজা কমিটির সভাপতি মেজর জেনারেল জীবন কানাই
দাস’র (অব.) সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন বারিধারা ডিওএইচএস পরিষদ’র সিনিয়র সহ-সভাপতি লে. কর্নেল আকরাম হোসাইন (অব.), অভিনন্দন বার্তা পাঠ করেন বারিধারা ডিওএইচএস পূজা কমিটির সহসভাপতি লে. কর্নেল শ্রী চন্দ্র কান্ত দাস (অব.)। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বারিধারা ডিওএইচএস পূজা কমিটির সহ-সভাপতি ব্রিগ্রেডিয়ার জেনারেল জয়ন্ত কুমার সেন এনডিসি (অব.)। এ অনুষ্ঠানে চন্ডীপাঠ করেন ধীমান দাস। এতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বারিধারা ডিওএইচএস পূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রবীর কুমার সাহা (বিদ্যুৎ)।
হয়েছে। জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, আমরা শান্তিপ্রিয় জাতি। সারাবিশ্বে যুদ্ধ, সংঘাত বন্ধ করে শান্তি ও মানবতা প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ সবসময় সমর্থন দিয়ে আসছে। তিনি বলেন, পৃথিবীর সকল ধর্মের মূল বাণী শান্তি। উপদেষ্টা এসময় দুর্গাপূজায় শোষণমুক্ত, বৈষম্যহীন আর কল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তাদের প্রার্থনায় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়ার জন্য সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রতি আহ্বান জানান। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকারের নানাবিধ চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এরমধ্যে অন্যতম চ্যালেঞ্জ হলো আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরো উন্নতিকরণসহ সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা। সে লক্ষ্যে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি এসময় সফলভাবে পূজা আয়োজনের জন্য বারিধারা ডিওএইচএস পূজা কমিটিসহ সংশি¬ষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান। বারিধারা ডিওএইচএস পূজা কমিটির সভাপতি মেজর জেনারেল জীবন কানাই
দাস’র (অব.) সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন বারিধারা ডিওএইচএস পরিষদ’র সিনিয়র সহ-সভাপতি লে. কর্নেল আকরাম হোসাইন (অব.), অভিনন্দন বার্তা পাঠ করেন বারিধারা ডিওএইচএস পূজা কমিটির সহসভাপতি লে. কর্নেল শ্রী চন্দ্র কান্ত দাস (অব.)। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বারিধারা ডিওএইচএস পূজা কমিটির সহ-সভাপতি ব্রিগ্রেডিয়ার জেনারেল জয়ন্ত কুমার সেন এনডিসি (অব.)। এ অনুষ্ঠানে চন্ডীপাঠ করেন ধীমান দাস। এতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বারিধারা ডিওএইচএস পূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রবীর কুমার সাহা (বিদ্যুৎ)।





