ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রামিসা হত্যা মামলায় বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ
রামিসা হত্যার ফরেনসিক রিপোর্ট হস্তান্তর
হামের রোগীদের দায়িত্বরত ডাক্তার-নার্সদের ঈদের ছুটি বাতিল
এসডিজি অর্জনে দরকার শতভাগ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার অভিযোগে মামলা, আসামি যারা
‘ধর্ষকদের দ্রুত বিচার ও রায় নিশ্চিতে সরকারকে জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ নিতে হবে’
একান্ত সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা: অর্থনীতি, জঙ্গিবাদ ও পররাষ্ট্রনীতিতে ইউনূস ও বিএনপি সরকার দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিচ্ছে
স্থগিত হলো গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তির কমিটি ও কার্যক্রম
প্রতিষ্ঠার এক বছর না পেরোতেই গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তির সব কমিটি ও কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে ছাত্রসংগঠনটির ফেসবুক পেজে পোস্ট দিয়ে এ কথা জানানো হয়।
২০২৩ সালের ৪ অক্টোবর ডাকসুর সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেনকে আহ্বায়ক ও নাহিদ ইসলামকে সদস্যসচিব করে ২১ সদস্যের কেন্দ্রীয় আহবায়ক কমিটি ও ৩৩ সদস্যের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা কমিটি ঘোষণা করা হয়।
ছাত্র-জনতার যে অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলো, সেই আন্দোলনে সামনের সারিতে ছিলেন গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তির নেতারা। এ সংগঠনের দুই নেতা নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
আন্দোলনের কারণে প্রায় আড়াই মাস ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
কোনো ক্লাস-পরীক্ষা হচ্ছে না। ২২ সেপ্টেম্বর থেকে একাডেমিক কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু এর আগে ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবি তুলেছেন শিক্ষার্থীদের একটি অংশ। এ দাবিতে গত কয়েক দিনে তাঁরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভও করেছেন। ফেসবুক পেজে লেখা হয়, ‘গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তির সব কমিটি ও কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।’ তবে কী কারণে এটি করা হলো, তা স্পষ্ট করা হয়নি। গত বছরের ৪ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ডাকসু ভবনের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তির আত্মপ্রকাশের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। ছাত্রশক্তির ঢাবি শাখার সদ্য স্থগিত হওয়া কমিটির সদস্যসচিব আবু বাকের মজুমদার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তির লক্ষ্য-উদ্দেশ্য মোটামুটি বাস্তবায়িত হয়েছে। আমরা বেশ কিছুদিন ধরেই ছাত্রশক্তির কমিটি
ও কার্যক্রম স্থগিত করার কথা ভাবছিলাম। ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পর ৯ বা ১০ আগস্ট আমরা এ বিষয়ে সিদ্ধান্তও নিয়েছিলাম। অবশেষে শুক্রবার ছাত্রশক্তির কমিটি ও কার্যক্রম স্থগিত করা হলো। এর পেছনে আসলে বিশেষ কোনো কারণ নেই।’
কোনো ক্লাস-পরীক্ষা হচ্ছে না। ২২ সেপ্টেম্বর থেকে একাডেমিক কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু এর আগে ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবি তুলেছেন শিক্ষার্থীদের একটি অংশ। এ দাবিতে গত কয়েক দিনে তাঁরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভও করেছেন। ফেসবুক পেজে লেখা হয়, ‘গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তির সব কমিটি ও কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।’ তবে কী কারণে এটি করা হলো, তা স্পষ্ট করা হয়নি। গত বছরের ৪ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ডাকসু ভবনের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তির আত্মপ্রকাশের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। ছাত্রশক্তির ঢাবি শাখার সদ্য স্থগিত হওয়া কমিটির সদস্যসচিব আবু বাকের মজুমদার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তির লক্ষ্য-উদ্দেশ্য মোটামুটি বাস্তবায়িত হয়েছে। আমরা বেশ কিছুদিন ধরেই ছাত্রশক্তির কমিটি
ও কার্যক্রম স্থগিত করার কথা ভাবছিলাম। ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পর ৯ বা ১০ আগস্ট আমরা এ বিষয়ে সিদ্ধান্তও নিয়েছিলাম। অবশেষে শুক্রবার ছাত্রশক্তির কমিটি ও কার্যক্রম স্থগিত করা হলো। এর পেছনে আসলে বিশেষ কোনো কারণ নেই।’



