ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ে: খরচ পদ্মা সেতু ছুঁইছুঁই, একলাফে বাড়ানো হচ্ছে সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকা
জুলাই২৪ এর ভুয়া মামলায় ফেসে যাচ্ছেন মামলার বাদীরা, প্রশ্নের মুখে জুলাই শহিদ সংখ্যা
সরকারি কর্মচারীদের গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় কমানো থামালো কোন শক্তি?
নতুন পাসপোর্টে যা যা পরিবর্তন আনা হচ্ছে
বিনা বাধায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ঢুকতে পারবেন কর কর্মকর্তারা
আয় বাড়লেও রেলের লোকসান ১৮৮৮ কোটি
৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে দেশজুড়ে বেড়েছে কঙ্কাল চুরি: জুলাইয়ে নিহতের সংখ্যা মেলানোর চেষ্টা? প্রশ্ন সাধারণ জনতার
স্থগিত হলো গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তির কমিটি ও কার্যক্রম
প্রতিষ্ঠার এক বছর না পেরোতেই গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তির সব কমিটি ও কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে ছাত্রসংগঠনটির ফেসবুক পেজে পোস্ট দিয়ে এ কথা জানানো হয়।
২০২৩ সালের ৪ অক্টোবর ডাকসুর সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেনকে আহ্বায়ক ও নাহিদ ইসলামকে সদস্যসচিব করে ২১ সদস্যের কেন্দ্রীয় আহবায়ক কমিটি ও ৩৩ সদস্যের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা কমিটি ঘোষণা করা হয়।
ছাত্র-জনতার যে অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলো, সেই আন্দোলনে সামনের সারিতে ছিলেন গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তির নেতারা। এ সংগঠনের দুই নেতা নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
আন্দোলনের কারণে প্রায় আড়াই মাস ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
কোনো ক্লাস-পরীক্ষা হচ্ছে না। ২২ সেপ্টেম্বর থেকে একাডেমিক কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু এর আগে ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবি তুলেছেন শিক্ষার্থীদের একটি অংশ। এ দাবিতে গত কয়েক দিনে তাঁরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভও করেছেন। ফেসবুক পেজে লেখা হয়, ‘গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তির সব কমিটি ও কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।’ তবে কী কারণে এটি করা হলো, তা স্পষ্ট করা হয়নি। গত বছরের ৪ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ডাকসু ভবনের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তির আত্মপ্রকাশের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। ছাত্রশক্তির ঢাবি শাখার সদ্য স্থগিত হওয়া কমিটির সদস্যসচিব আবু বাকের মজুমদার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তির লক্ষ্য-উদ্দেশ্য মোটামুটি বাস্তবায়িত হয়েছে। আমরা বেশ কিছুদিন ধরেই ছাত্রশক্তির কমিটি
ও কার্যক্রম স্থগিত করার কথা ভাবছিলাম। ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পর ৯ বা ১০ আগস্ট আমরা এ বিষয়ে সিদ্ধান্তও নিয়েছিলাম। অবশেষে শুক্রবার ছাত্রশক্তির কমিটি ও কার্যক্রম স্থগিত করা হলো। এর পেছনে আসলে বিশেষ কোনো কারণ নেই।’
কোনো ক্লাস-পরীক্ষা হচ্ছে না। ২২ সেপ্টেম্বর থেকে একাডেমিক কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু এর আগে ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবি তুলেছেন শিক্ষার্থীদের একটি অংশ। এ দাবিতে গত কয়েক দিনে তাঁরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভও করেছেন। ফেসবুক পেজে লেখা হয়, ‘গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তির সব কমিটি ও কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।’ তবে কী কারণে এটি করা হলো, তা স্পষ্ট করা হয়নি। গত বছরের ৪ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ডাকসু ভবনের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তির আত্মপ্রকাশের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। ছাত্রশক্তির ঢাবি শাখার সদ্য স্থগিত হওয়া কমিটির সদস্যসচিব আবু বাকের মজুমদার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তির লক্ষ্য-উদ্দেশ্য মোটামুটি বাস্তবায়িত হয়েছে। আমরা বেশ কিছুদিন ধরেই ছাত্রশক্তির কমিটি
ও কার্যক্রম স্থগিত করার কথা ভাবছিলাম। ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পর ৯ বা ১০ আগস্ট আমরা এ বিষয়ে সিদ্ধান্তও নিয়েছিলাম। অবশেষে শুক্রবার ছাত্রশক্তির কমিটি ও কার্যক্রম স্থগিত করা হলো। এর পেছনে আসলে বিশেষ কোনো কারণ নেই।’



